শেয়ার বাজার

১৪ দলের শরিক গণতন্ত্রী পার্টির সব প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৩

১৪ দলের শরিক গণতন্ত্রী পার্টির সব প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল

বার্তাবেলা: গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটিতে দ্বন্দ্বের কারণে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি জানায়, এবার নির্বাচনে দলটির ১২ প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মো. মাহবুব আলম শাহ্ সই করা চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় ইসি।

চিঠিতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ‘গণতন্ত্রী পার্টি’ নামীয় দলটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক পৃথকভাবে দাখিল করা কমিটি কমিশন কর্তৃক না-মঞ্জুর হয়েছে। সুতরাং গণতন্ত্রী পার্টি নামীয় রাজনৈতিক দলের অনুমোদিত কোনো কমিটি বিদ্যমান নেই।


রাষ্ট্রপতি থেকে হুইপ, আলোচনায় যারা

প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

রাষ্ট্রপতি থেকে হুইপ, আলোচনায় যারা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করেছে তারেক রহমানের বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট। মন্ত্রিসভা গঠিত হলেও এখনও রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, সংসদ উপনেতা, চিফ হুইপ ও হুইপ পদে কারা বসছেন তা নিয়ে দলটির ভেতরে চলছে আলোচনা। রাষ্ট্রপতির আহ্বানে আগামী ১২ মার্চ বসছে সংসদ অধিবেশন। 

দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, মন্ত্রিসভা গঠনের পর এবার সংসদীয় কাঠামো পুনর্বিন্যাসে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি।

রাষ্ট্রপতি পদে চার শীর্ষ নেতার কথা উঠছে

রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা। তারা হলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান।

অনেকে বলছেন, রাজনীতিতে আরও চমক দেখাতে পারেন তারেক রহমান। সে ক্ষেত্রে দেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি হিসেবে সেলিমা রহমানের নাম সামনে আসতে পারে। নারী নেতৃত্বকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইতিবাচক বার্তা দেওয়ার কৌশল থাকতে পারে দলীয় প্রধানের।

তবে রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় রাজনীতির বাইরের কাউকে আনার সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে যাচ্ছে না। আলোচনায় রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ ও সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহর নামও। এছাড়া সাবেক সচিব বা অবসরপ্রাপ্ত কোনো সেনাপ্রধানের নামও আলোচনায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে বিএনপি জোট।

সংবিধান অনুযায়ী, সরকারি ফলাফল প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ অধিবেশন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে গেলো রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আগামী ১২ মার্চ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সেই অধিবেশনেই স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। ওই অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

সংবিধান ও জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী, পূর্ববর্তী সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার কথা। বিগত সংসদদের স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের অবর্তমানে সংসদ অধিবেশন কিভাবে শুরু হবে বা প্রথম অধিবেশনে কে সভাপতিত্ব করবেন, সেটি নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। তবে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে কোনো জ্যেষ্ঠ নেতাও সভাপতিত্ব করতে পারেন।

এদিকে, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান এম ওসমান ফারুক ও ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

আর ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ও আশরাফ উদ্দিন নিজানের নাম শোনা যাচ্ছে।

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে উপরাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতিও রয়েছে। পাশাপাশি দুই কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় সরকারদলীয় সদস্য ব্যতীত অন্য দল থেকেও একজন ডেপুটি স্পিকার মনোনয়নের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

সংসদ উপনেতা, চিফ হুইপ ও হুইপ হতে পারেন কারা?

সংসদ উপনেতা হিসেবে আলোচনায় রয়েছে স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নাম। চিফ হুইপ পদে সম্ভাব্যদের তালিকায় রয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু, ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবদীন ফারুক ও ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনির নাম।

হুইপ পদে আলোচনায় আছেন নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, সিলেট-৬ আসন থেকে নির্বাচিত এমরান আহমেদ চৌধুরী, সম্প্রতি বিএনপিতে যোগ দেওয়া ড. রেজা কিবরিয়া, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম।

দলীয় একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে সংসদীয় কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের স্থান দেওয়া হবে।

বিএনপির প্রচার দলের সভাপতি মাহফুজ কবির মুক্তা বলেছেন, দল একেক করে সৎ, যোগ্য ও পরীক্ষিত ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করবে। কেননা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মিছিলের শেষ মানুষটিও মূল্যায়িত হবে।

রাষ্ট্রপতি থেকে হুইপ পর্যন্ত বিভিন্ন পদে নিয়োগ নিয়ে দলীয় আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জাগো নিউজকে বলেন, ‘এটি রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের বিষয়। এ ধরনের সিদ্ধান্ত দলের সর্বোচ্চ ফোরাম থেকেই নেওয়া হবে। বর্তমানে গণমাধ্যমে যে আলোচনা বা নাম ভেসে বেড়াচ্ছে, সেগুলো মূলত অনুমাননির্ভর। তবে জনগণের প্রত্যাশা আছে—অতীত অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার আলোকে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। আমরা চাই, সেই জনপ্রত্যাশা যেন পূরণ হয়।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘এই পদগুলো ঠিক করবেন জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ নেতা। আর আমি বা আমরা জানতে পারলো আপনাদের জানাবো।’


জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার আশঙ্কা আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩

জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার আশঙ্কা আছে

বার্তাবেলা: আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশগ্রহণ নাও করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের দপ্তর বিষয়ক উপ-কমিটির এই মতবিনিময় সভা হয়।

জাতীয় পার্টি নির্বাচন থেকে সরে যাবে কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আশঙ্কা আছে, আমাদের দলের অনেকেরই আশঙ্কা আছে; দেশের জনগণের মধ্যেও এটা নিয়ে একটা শঙ্কা আছে। কিন্তু এটা চূড়ান্ত কথা হিসেবে এই মুহূর্তে আমরা বিবেচনায় আনতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘ডেমোক্রেসিতে অনেক কিছু সম্ভব। গণতান্ত্রিক নির্বাচনে বয়কট করা, ওয়াকআউট করা- এসব বিষয় গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সব জায়গাতেই আছে। কী হবে এটা তো এই মুহূর্তে বলতে পারছি না, হলেও হতে পারে। কিন্তু এ ব্যাপারে এই মুহূর্তে আমি কী করে বলবো তারা সরে যাবে। এই মুহূর্তে বলতে পারছি না।’


শনিবার বিএনপির কালো পতাকা মিছিল: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪

শনিবার বিএনপির কালো পতাকা মিছিল: রিজভী

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ডামি নির্বাচনে অবৈধ সংসদ বাতিলের এক দফা দাবিতে শনিবার (২৭ জানুয়ারি) কালো পতাকা মিছিল করবে বিএনপি। বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোও এ মিছিল করবে।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) বিএনপির প্রস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শনিবার দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কর্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল শুরু করবে বিএনপি। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য ও সিনিয়র নেতারা। এছাড়া দলটির অঙ্গ, সহযোগী ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশ নেবেন।

অন্যদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টায় বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে থেকে মিছিল শুরু করবে ১২ দলীয় জোট। বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব সামনে থেকে শুরু করবে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট।

বিকেল সাড়ে ৩টায় মতিঝিল নটরডেম কলেজ উল্টো দিকে গণফোরাম চত্বর থেকে শুরু করবে গণফোরাম ও পিপলস পার্টি। বেলা ১১টা বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে থেকে শুরু করবে এলডিপি। বিকেল সাড়ে ৩টায় বিজয় নগর দলীয় কার্য়ালয় সংবাদ সম্মলেন করবে এবি পার্টি।