শেয়ার বাজার

গাজায় ইসরায়েলি কমান্ডারসহ তিন সেনা নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

গাজায় ইসরায়েলি কমান্ডারসহ তিন সেনা নিহত

বার্তাবেলা ডেস্ক: গাজায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধে কমান্ডারসহ আরও ৩ ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। এতে স্থল অভিযানে মোট ২৩২ ইসরায়েলি সেনা প্রাণ হারালো। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চার মাসের বেশি সময় ধরে গাজায় হামাস ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ চলছে। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা আশ্রয় নিয়েছে মিশর সীমান্তবর্তী রাফা শহরে। কিন্তু সেখানেও এখন হামলা পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। এতে ব্যাপক শঙ্কায় দিন কাটছে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের। কারণ তাদের কাছে আর কোনো নিরাপদ জায়গা নেই।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, খান ইউনিসের পূর্বে অবস্থিত একটি ভবনে বিস্ফোরণে ওই তিন সেনা নিহত হয়েছেন।

এদিকে দক্ষিণাঞ্চলের সিনাই সীমান্তে গত দুই সপ্তাহে অন্তত ৪০টি ট্যাঙ্ক পাঠিয়েছে মিশর। সীমান্তে নিজেদের নিরপত্তা জোরদার করতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। কারণ ওই এলাকায় গাজার সঙ্গে মিশরের সীমান্ত রয়েছে।

গাজায় যে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল তা এবার রাফা পর্যন্ত বিস্তৃত করা হচ্ছে। এই রাফাতেই আশ্রয় নিয়েছে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি। মিশরের আশঙ্কা ইসরায়েল যদি রাফায় হামলা শুরু করে তাহলে ফিলিস্তিনিরা সীমান্ত অতিক্রম করে মিশরে চলে যেতে পারে।

এরই মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রাফায় বেসমরিক ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়া ও হামলার নির্দেশনা দিয়েছেন।


গাজায় ১৩ হাজারের বেশি শিশুকে হত্যা করেছে ইসরায়েল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৪

গাজায় ১৩ হাজারের বেশি শিশুকে হত্যা করেছে ইসরায়েল

গত ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় ১৩ হাজার শিশুকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এছাড়া যেসব শিশুরা বেঁচে আছে তারা গুরুতর অপুষ্টিতে ভুগছে, এমনকি এসব শিশুর কান্না করার মতো শক্তিটুকুও অবশিষ্ট নেই। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর আল জাজিরার।

ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল রোববার সিবিএস নিউজ নেটওয়ার্ককে বলেন, আরও কয়েক হাজার শিশু আহত হয়েছে অথবা তারা কোথায় আছে সেটাও আমরা নির্ধারণ করতে পারছি না। অনেক শিশু এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে থাকতে পারে... আমরা বিশ্বের অন্য কোনো সংঘাতে এত শিশুর মৃত্যু দেখিনি।

তিনি বলেন, আমি এমন শিশুদের ওয়ার্ডে গিয়েছি যারা মারাত্মক রক্তশূন্যতা ও অপুষ্টিতে ভুগছে। পুরো ওয়ার্ড একেবারেই নিস্তব্ধ। কারণ সেখানকার বাচ্চারা এতটাই দুর্বল যে, তাদের কান্না করার শক্তিটুকুও আর অবশিষ্ট নেই।

আরও পড়ুন: অবশেষে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

ক্যাথরিন রাসেল বলেন, ইসরায়েলের ‘গণহত্যা’ যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ২০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি দুর্ভিক্ষে পতিত হয়েছে। ফলে সেখানে মানবিক সহায়তাবাহী ট্রাকগুলোকে নিয়ে যাওয়াটা ছিল খুব বড় একটি আমলাতান্ত্রিক চ্যালেঞ্জ।

ফিলিস্তিন শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) তথ্য অনুযায়ী, উত্তর গাজায় দুই বছরের কম বয়সী প্রতি তিনজন শিশুর মধ্যে একজন এখন তীব্রভাবে অপুষ্টিতে ভুগছে। সংস্থাটি আরও সতর্ক করেছে যে, পাঁচ মাসেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসনে সেখানকার মানুষ দুর্ভিক্ষে পতিত হয়েছে।

ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসনে বিপুল পরিমাণ হতাহত, গাজায় খাদ্য সংকট এবং এই উপত্যকায় ত্রাণ বিতরণে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। যুদ্ধ বন্ধের বদলে রোববার মিশরের সীমান্তবর্তী শহর রাফায় স্থল অভিযানের হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ওই শহরে ১০ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছে।


ইসরায়েলে প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর হুমকি ইরানের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ জানুয়ারি, ২০২৪

ইসরায়েলে প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর হুমকি ইরানের

বার্তাবেলা ডেস্ক: সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের একটি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে পাঁচ সদস্যকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। সিরিয়ায় নিযুক্ত ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের ইন্টেলিজেন্স প্রধান নিহত হয়েছেন। তাছাড়া হামলায় তার দুই সহকারী ও অন্য দুই গার্ডও নিহত হয়েছেন।

এই ঘটনায় প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তেহরান। ইসরায়েলের ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সিরিয়ার বেশ কয়েকজন সেনা সদস্যও নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ওই হামলার দায় স্বীকার করেনি ইসরায়েল।

এদিকে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস এবং ইসলামি জিহাদ। শনিবার এক বিবৃতি প্রকাশ করে হামাস জানিয়েছে, দামেস্কের মাজ্জে এলাকার একটি আবাসিক ভবনে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে।

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলায় আরেকবার প্রমাণিত হয়েছে যে, নাৎসিবাদী ইসরায়েল সরকার মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য ভয়ঙ্কর হুমকি হয়ে উঠেছে।

ইসলামি জিহাদ আন্দোলন পৃথক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েল সরকার গাজা উপত্যকায় নিজেদের ব্যর্থতা ধামাচাপা দিতে এবং বিশ্ব জনমতকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে সিরিয়ায় আগ্রাসন চালিয়েছে।

ইসলামি জিহাদের ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের হামলা চালিয়ে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির ইসরায়েল বিরোধী মনোভাব বন্ধ করা যাবে না। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সিরিয়া যে সমর্থন দিচ্ছে তাতেও পরিবর্তন আনা যাবে না।

হামাস ও ইসলামি জিহাদ উভয়ের বিবৃতিতে দামেস্কে ইরানি বিপ্লব গার্ডের নিহত পাঁচ সদস্য এবং ইরানি জাতির প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।

শনিবার বিকেলে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি জানায়, দামেস্কে ইরানের পাঁচ সামরিক উপদেষ্টা ইসরায়েলের গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছেন।

দামেস্কের মেজ্জা এলাকার একটি তিন তলা বাড়িতে ওই হামলা চালানো হয়। মেজ্জা এলাকায় বেশ কয়েকটি দেশের কূটনৈতিক মিশন রয়েছে। ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরেই সিরিয়ার ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালিয়ে আসছে। আইআরজিসির বিবৃতিতে দামেস্কে নিহত সেনা উপদেষ্টাদের নাম জানানো হয়েছে। তারা হলেন, হুজ্জাতুল্লাহ ওমিদভার, আলী আগাযাদে, হোসেইন মোহাম্মাদি, সাঈদ কারিমি এবং মোহাম্মাদ আমিন সামাদি।

গত ২৫ ডিসেম্বর সিরিয়ায় ইসরায়েলের গুপ্তহত্যার শিকার হন ইরানের কুদস ফোর্সের শীর্ষ পর্যায়ের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইয়্যেদ রাজি মুসাভি। এর কিছুদিনের মধ্যেই এই হামলা চালানো হলো।



ড্রোন হামলার চরম মূল্য দিতে হবে: নেতানিয়াহু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৪

ড্রোন হামলার চরম মূল্য দিতে হবে: নেতানিয়াহু

উত্তর ইসরায়েলের সিজারিয়া শহরে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বাসভবন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। ওই হামলার কয়েক ঘন্টা পর এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেছেন, আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে হত্যা করার জন্য ইরানের প্রতিনিধি হিজবুল্লাহর প্রচেষ্টা একটি বড় ধরনের ভুল ছিল।

তিনি বলেন, ইরান এবং তাদের প্রতিনিধি এবং তাদের মিত্রদের কেউ ইসরায়েলের কোনো নাগরিকের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে তাকে চড়া মূল্য দিতে হবে।

নেতানিয়াহুকে হত্যারচেষ্টায় চালানো ওই হামলার ঘটনায় ইরানকেই দায়ী করছে ইসরায়েল। এই হামলার কঠিন  জবাব দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৯ অক্টোবর) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বাড়িতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। তেল আবিবের সিজারিয়ায় অবস্থিত তার বাসভবনে এই হামলা চালানো হয়। নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকেও নিশ্চিত করা হয়েছে যে, তেল আবিবের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত তার বাসভবনে হিজবুল্লাহর একটি ড্রোন আঘাত হেনেছে।

তবে ওই হামলার সময় নেতানিয়াহু বা তার পরিবারের কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বলে এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে। এই হামলার ঘটনায় কেউ হতাহতও হয়নি।

এর আগে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, লেবানন থেকে একটি ড্রোন ইসরায়েলের কেন্দ্রে একটি ভবনে আঘাত হেনেছে।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সিজারিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে একটি ইউএভি (মানবহীন আকাশযান) আঘাত হেনেছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, শনিবার লেবানন থেকে তিনটি ড্রোন ইসরায়েলের দিকে আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে দুটি ড্রোন ভূপাতিত করা সম্ভব হয়েছে। ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন।