শেয়ার বাজার

১২৪ এজেন্সির নিবন্ধিত হজযাত্রী নেই, ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি;ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৪

১২৪ এজেন্সির নিবন্ধিত হজযাত্রী নেই, ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি;ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

আগামী বছরের হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুমতি পাওয়া এজেন্সির মধ্যে ১২৪টির কোনো প্রাক/নিবন্ধিত বা প্রাথমিক নিবন্ধিত হজযাত্রী নেই।

শর্ত অনুযায়ী এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি এ বিষয়ে হজ এজেন্সিগুলোর কাছে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ধর্ম মন্ত্রণালয় হিজরি ১৪৪৬/২০২৫ সালের হজের জন্য মোট ৮৯১টি হজ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করে। প্রকাশিত তালিকার শর্তাবলি ১(ঝ) এর শর্ত নিম্নরূপ-প্রকাশিত তালিকার কোনো এজেন্সি হজ ২০২৫ মৌসুমে যৌক্তিক কারণ ছাড়া হজযাত্রী নিবন্ধন না করলে সেই এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এতে আরও বলা হয়, হজ ২০২৫ সালের জন্য গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হয়েছে। কিন্তু অনুমোদিত তালিকায় প্রকাশিত হজ এজেন্সির মধ্যে ১২৪টি হজ এজেন্সির কোনো প্রাক-নিবন্ধিত/প্রাথমিক নিবন্ধিত হজযাত্রী নেই।

এ অবস্থায় ১২৪টি হজ এজেন্সিকে দ্রুত হজযাত্রী প্রাক-নিবন্ধন/প্রাথমিক নিবন্ধন করার জন্য অনুরোধ করা হয় চিঠিতে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন। ৩০ অক্টোবর হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে।

এবার বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ পালন করতে পারবেন। শনিবার (২৬ অক্টোবর) পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনা মিলিয়ে ৮ হাজার ৩৩৪ জন প্রাথমিক নিবন্ধন করেছেন।

মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটি'র নেতৃবৃন্দদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪

মহান বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটি'র নেতৃবৃন্দদের

বার্তাবেলা (নিজস্ব প্রতিবেদক): মহান বিজয়দিবসের ৫৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির পক্ষ থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। 

আজ (সোমবার) ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪, বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির আহ্বায়ক মোঃ এফ রহমান রুপক এবং সদস্য সচিব মোঃ শাহাজালাল ভুইয়া উজ্জ্বলের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।


এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ শাহাজাহান মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ এনামুল হক আবির, এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, যাদের মধ্যে ছিলেন মোঃ মহিন উদ্দিন স্বপন, মোঃ শাহ আলম সাগর,মাহবুব মন্ডল, মোসাঃ মাহাফুজা আক্তার, মোসাঃ ডালিয়া আক্তার, মোঃ রায়হান, মোঃ মনির হোসেন, এবং মোঃ নাজমুল হুদা বাবুল প্রমুখ।


এসময় নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং স্বাধীনতার মূল্যবোধ বজায় রাখতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

এদিনের শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে তারা মুক্তিযুদ্ধের মহান আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন


এস আলমের পোড়া চিনি-কেমিক্যাল পড়ে দূষিত হচ্ছে কর্ণফুলি,মরছে মাছ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ মার্চ, ২০২৪

এস আলমের পোড়া চিনি-কেমিক্যাল পড়ে দূষিত হচ্ছে কর্ণফুলি,মরছে মাছ

চট্টগ্রামের এস আলম সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মিলে আগুনে পুড়ে যাওয়া চিনি ও কেমিক্যাল ফেলা হচ্ছে কর্ণফুলী নদীতে। এতে বিষক্রিয়ায় মারা যাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও কাঁকড়া।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে কর্ণফুলী উপজেলার ইছানগর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, এস আলম সুগার মিলের নালা দিয়ে পোড়া বর্জ্য আসছে কর্ণফুলী নদীতে। এতে নদীর পানি তামাটে রং ধারণ করেছে। নদীর তীরে মাছ কুড়াচ্ছে শত শত মানুষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, নদীতে ফেলা কেমিক্যাল বর্জ্য কর্ণফুলী নদীর প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে নদীর পানির রং পরিবর্তনের পাশাপাশি মারা যাচ্ছে মাছ, চিংড়ি-কাঁকড়াসহ নানান জলজ প্রাণী।

শুধু কর্ণফুলী নদীতেই ফেলা হচ্ছে না চিনি মিলের পোড়া বর্জ্য। কারখানার আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকায়ও যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলা হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

দুুপুর ১২টার দিকে এস আলম সুগার মিলের সামনের রাস্তায় চলাচলরত শিক্ষার্থীদের সমস্যা পোহাতে দেখা যায়। মিল থেকে পোড়া বর্জ্য ট্রাকে করে ফেলা হচ্ছে রাস্তার পাশে ও খোলা জমিতে।

ইছানগর এলাকার বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন, ‘এসব কারখানার বর্জ্য নিয়মিতই নদীতে ফেলা হয়। এখন রাস্তাঘাট ও জমিতে ফেলছে, এতে আমাদের পরিবার ও স্বজনরা অসুস্থ হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।’

স্থানীয়রা জানান, গতকাল রাত থেকে নদীতে মরা মাছ ভেসে আসছে। এছাড়া নানান জাতের মাছ কূলে আসছে, এলাকার মানুষ তা সংগ্রহ করছে।

জাহেদুল ইসলাম নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা জাগো নিউজকে বলেন, ‘সকালে নদীতে মাছ ভেসে আসার খবরে এখানে এসেছি। এখানে কেউ জাল দিয়ে আবার কেউ হাতেই মাছ ধরছে। চিনিকলের বর্জ্যে নদীর পানির রং নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক মাছ এরই মধ্যেই মারা গেছে। কিছু দুর্বল হয়ে জালে আসছে।’


অনেকের মতো নদীতে মাছ ধরতে এসেছে শিশু নাহিদ। সে জানায়, কেমিক্যালের কারণে মাছ মারা যাচ্ছে শুনে নদীতে আসা। অনেকেই মাছ ধরছে নদীতে। দুই ঘণ্টায় এক কেজির কাছাকাছি মাছ পেয়েছে সে।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিনির দাহ্য পদার্থ যখন ৩৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকে তখন বিষাক্ত কেমিক্যালে রূপ নেয়। আর সেখানে পানি ছাড়া হলে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন কার্বন তৈরি হয়। যে কারণে কারখানায় পোড়া চিনি বিষাক্ত কেমিক্যালে রূপ নিয়ে নদী দূষণ করছে। যার কারণে নদীর মাছসহ সব ধরনের জলজ প্রাণী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

নদী গবেষক মঞ্জুরুল কিবরিয়া জাগো নিউজকে বলেন, পুড়ে যাওয়া চিনি বিষাক্ত কেমিক্যালে রূপ নিয়েছে। এতে পানির কোয়ালিটি নষ্ট হয়ে পানিতে অক্সিজেনের শূন্যতা সৃষ্টি হবে। এ কারণে পানিতে থাকা জীববৈচিত্র্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ কারণে নদীর মাছ মারা যাচ্ছে। এতে কর্ণফুলী নদীর পানি এবং জীববৈচিত্র্যের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হলো।

ড. ইদ্রিস আলী বলেন, শিল্প কারখানা গড়ে তোলার আগে ডাম্পিংয়ের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রাখার প্রয়োজন ছিল। এটি না করায় কারখানা থেকে পোড়া বর্জ্য পড়ে কর্ণফুলী নদী দূষিত করে তুলছে। যাতে ক্ষতি হবে মৎস্য সম্পদ এবং জীববৈচিত্র্য। এতে পরিবেশের যে ক্ষতি হচ্ছে তা আর পূরণ হবে না। এজন্য আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আরও সজাগ হওয়া উচিত ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এস আলম সুগার মিলের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার হাসমত আলী বলেন, ‘প্রাথমিক অবস্থায় পুড়ে যাওয়া চিনি নালার মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছিল। এখন আমরা ট্রাকে জমিতে পুঁতে ফেলছি।’

এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রহমান বলেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানার বর্জ্য কর্ণফুলী নদীতে ফেলার কারণে মাছ মারা যাচ্ছে বলে খবর পেয়েছি। বিষয়টি আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, তদন্ত পরবর্তীসময়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে বুধবার (৬ মার্চ) সকাল থেকে সংবাদকর্মীদের খবর সংগ্রহে মিলে প্রবেশ করতে না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।



মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের
RO Water Filtration Plant ২০২৫ (Repairment)” প্রকল্পের হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ জুলাই, ২০২৬

RO Water Filtration Plant ২০২৫ (Repairment)” প্রকল্পের হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন

প্রেসবিজ্ঞপ্তি: মুসলিমহ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ কর্তৃক বাস্তবায়িত RO Water Filtration Plant ২০২৫ (Repairment)”প্রকল্পের আওতায় পুনর্বাসিত পানি পরিশোধন প্ল্যান্ট সমূহের আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর অনুষ্ঠান আজ মুসলিমহ্যান্ডস স্কুল অব এক্সেলেন্স, দাসপাড়া, খাদিমনগর, সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে|

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাঈদা পারভীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিলেট| অনুষ্ঠানে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, WASH কমিটির সদস্যবৃন্দ, উপকারভোগী এবং মুসলিমহ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন|

অনুষ্ঠানের শুরুতে মুসলিমহ্যান্ডস স্কুল অব এক্সেলেন্সের একজন এতিম শিক্ষার্থীর পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়| পরে স্বাগত বক্তব্য ও মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কার্যক্রমের সংক্ষিপ্তপ রিচিতি তুলে ধরেন সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার শেখ আহাম্মদ ইশতিয়াক|এরপর বক্তব্য প্রদান করেন মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম সনেলসন সমীরণ হালদার| | RO Water Filtration Plant ২০২৫ (Repairment)”প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং অর্জন সম্পর্কে উপস্থাপনা করেন প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মুজিব উল্লাহ|

উল্লেখ্য প্রকল্পের আওতায় সিলেটের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, হাসপাতাল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত ৯টি RO Water Filtration Plant মেরামত ও পুনরায় সচল করা হয়েছে| পাশাপাশি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে WASH কমিটি গঠন, কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ টুলকিট বিতরণ, পানির গুণগতমান পরীক্ষা এবং নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্য বিধি বিষয়ক সচেতনতা মূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে| এর মাধ্যমে প্রায় ২৭,০০০ প্রত্যক্ষ উপকারভোগী পুনরায় নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা লাভ করবেন|

অনুষ্ঠানে উপস্থিত উপকারভোগীদের প্রতিনিধি তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান যে, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় RO প্ল্যান্ট সচল হওয়ায় শিক্ষার্থী, রোগী, মুসল্লি ও স্থানীয় জনগণ নিরাপদ পানির সুবিধা ফিরে পেয়েছেন| তারা মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে প্ল্যান্ট গুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন|

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাঈদা পারভীন বলেন, সিলেটে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট রয়েছে, তাই মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর নিরাপদ পানির কার্যক্রম সিলেট বাসীর জন্য অত্যন্ত কার্যকরী পদক্ষেপ| নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার অন্যতম পূর্বশর্ত| এই উদ্যোগ নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার পাশাপাশি কমিউনিটি মালিকানা ও টেকসই ব্যবস্থাপনার একটি কার্যকর উদাহরণ|”

সমাপনী বক্তব্যে মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর অনিক আসাদ প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সরকারিদপ্তর, অংশীদার প্রতিষ্ঠান, WASH কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন| তিনি বলেন, মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ শুধু নিরাপদ পানির অবকাঠামো নির্মাণ বা মেরামতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যবিধি উন্নয়ন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিশ্চিত করতে কাজ কওে যাচ্ছে|”

উল্লেখ্য, মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, জীবিকা উন্নয়ন, নিরাপদ বাস গৃহনির্মাণ, এতিম শিশু সহায়তা, দুর্যোগকালীন ত্রাণ ও মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন কওে আসছে| নিরাপদ পানি ও WASH খাতে প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধওে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে|