শেয়ার বাজার

২৫৯, কুমিল্লা-১১ আসনঃ মোঃ মুজিবুল হক এমপি'র বিকল্প নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৩

২৫৯, কুমিল্লা-১১ আসনঃ মোঃ মুজিবুল হক এমপি'র বিকল্প নেই

বার্তাবেলা: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর বেশি দিন বাকি নেই। এ নির্বাচন ঘিরে দেশের অন্য সংসদীয় আসনের মতো কুমিল্লা-১১ আসনেও জমে উঠছে নির্বাচনী রাজনীতি। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা এরই মধ্যে মাঠে নেমেছেন, চালাচ্ছেন সীমিত প্রচারণা অন্যদিকে সিদ্ধান্তহীনতায় থাকা বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী দলের প্রার্থীদের প্রচারণা এখনো খুব একটা দৃশ্যমান নয়। অনেকটাই গোপনে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং চলমান অযৌক্তিক হরতাল অবরোধে বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও কোথাও ঝটিকা মিছিলসহ পিকেটিং করছে।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নিয়ে গঠিত জেলার গুরুত্বপূর্ণ এই আসন টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগের দখলে। বর্তমানে এই আসনের সংসদ সদস্য সাবেক রেলপথ মন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক মুজিব। এবারও তিনি ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের অন্যতম মনোনয়ন প্রত্যাশী। তাই স্বর্বজনে গুঞ্জন উঠেছে এবারও ৪র্থ মেয়দে তিনিই দলের মনোনয়ন পাবেন এবং পূর্ণরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন।

এই নির্বাচনী আসনের কর্মীবান্ধব, জনবান্ধব, অপ্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক নেতা হিসেবে সাধারণ জনগণও সব সময় গরীব দুঃখী মানুষের চাওয়া পাওয়ার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে মোঃ মুজিবুল হক এমপি'র প্রতিই বার বার আস্থা রেখেছে। চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের সাথে আলাপকালে জানতে পারি এই আসনে পূর্বের ন্যয় এবারও সাবেক রেলপথ মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মুজিবুল হক মুজিব এমপি'র নামই সকলের মুখে মুখে। কারন, একমাত্র মুজিবুল হক মুজিব এমপি'র সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করেন, তাদের সুখ দুঃখের সঙ্গী হিসেবে পাশে থাকেন। এবং তিনি প্রতিবারই এমপি ও মন্ত্রী হয়ে সাধারণ জনগণের আস্থা রেখেছেন, এই আসনে তার মতো উন্নয়ন সারা বাংলাদেশ আর কোথাও হয়নি। তাই এই আসনে জনগণ মোঃ মুজিবুল হক এমপি'র বাইরে অন্য কারো বিষয়ে চিন্তা করেননা। দলমত নির্বিশেষে সবাই মুজিবুল হক মুজিবকে উন্নয়নের কারিগর ও স্বজ্জন ব্যক্তি হিসেবেই জানেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সহযোগিতা ও মোঃ মুজিবুল হক মুজিব এমপি'র উদ্যোগে এই উপজেলা আজ আধুনিক উপজেলায় পরিনত হয়েছে।

সর্বোপরি, মোঃ মুজিবুল হক এমপি এই চৌদ্দগ্রাম আসনে রাজনৈতিক স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করেছেন, কোন প্রকার সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি,খুন  সংঘটিত হয়নি। ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও নিজ নিজ ধর্ম কর্ম পালন করেছে, ধর্মীয় সম্প্রীতি অক্ষুণ্ণ রেখেছেন। জানাযায়, এই আসনে একাত্তরের পরাজিত শক্তি জামায়াত-শিবির চক্রের গোপন ঘাটি হিসেবে পরিচিত থাকলেও উক্ত চক্র মোঃ মুজিবুল হক মুজিব এমপি ক্ষমতায় থাকাকালীন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারেনি। এ কারনেও মোঃ মুজিবুল হক মুজিব  এমপি সাধারণ জনগণের কাছে এক নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। আর এজন্যই এই আসনে সাবেক রেলপথ মন্ত্রী জননেতা জনাব মুজিবুল হক এমপি'র বিকল্প নেই। 




বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ মডেল প্রেসক্লাব এর ফ্যামিলি ডে উদযাপন, সাংবাদিক পরিবারের মিলনমেলা

প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ মডেল প্রেসক্লাব এর ফ্যামিলি ডে উদযাপন, সাংবাদিক পরিবারের মিলনমেলা

সাংবাদিকদের পরিবার নিয়ে আনন্দঘন পারিবারিক মিলনমেলা (ফ্যামিলি ডে) আয়োজন করা হয় পেশাগত চাপ কমাতে এবং সদস্যদের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করতে, যেখানে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আপ্যায়ন থাকে, এই ধরনের আয়োজন সদস্যদের মানসিক স্বস্তি ও পেশাদারিত্বের বিকাশে সহায়ক, যা একটি সামগ্রিক আনন্দ ও মিলনমেলার পরিবেশ তৈরি করে। এই আয়োজন ক্লাবের নবীন ও প্রবীণ সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মিলনমেলায় রূপ নেয়

শনিবার ( ১৭ জানুয়ারি) ঢাকা কেরানীগঞ্জ আনোয়ার ম্যাজিক সিটি আইসল্যান্ড  রিসোর্ট, ঢাকায় দিনব্যাপী এই মিলন মেলায় যোগ দেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ, সদস্য এবং বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিবৃন্দ।

বাংলাদেশ মডেল প্রেসক্লাব এর আয়োজনে সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে ফ্যামিলি ডে বনভোজন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মডেল প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এফ রহমান এর সভাপতিত্বে  প্রধান  অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)'র সাবেক পরিচালক মিজানুর রহমান (গ্রামসি)।

বাংলাদেশ মডেল প্রেসক্লাব এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক এর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,  ইউনাইটেড নেশন UN এর হিউম্যান রাইটস অ্যাসোসিয়েশন অব ওয়ার্ল্ড সিটিজিনস (AWC) বাংলাদেশ শাখার চিফ  এক্সিকিউটিভ কোঅর্ডিনেটর  এবং জাতীয় দৈনিক অগ্নিশিখা পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক  লায়ন সহিদুল ইসলাম খোকন, প্রমুখ।

এই ধরনের অনুষ্ঠান সাংবাদিকদের পেশাগত জীবনের একঘেয়েমি কাটাতে এবং একটি সামগ্রিক আনন্দময় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা


শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ কেন? এবং বিও (BO) একাউন্ট কি?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১ জুলাই, ২০২৩

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ কেন? এবং বিও (BO) একাউন্ট কি?

একটি প্রশ্ন অনেকের মনেই উদ্ভব হয় যে, শেয়ারবাজারে কেন, আরও অনেক তো ব্যবসা আছে। অন্য কোথাও কি পুঁজি বিনিয়োগ করে লাভবান হওয়া যায় না? এ প্রশ্নটি মনে দেখা দেয়া খুবই স্বাভাবিক। যাঁদের মনে এ ধরনের প্রশ্ন জেগে থাকে, তাঁদের উদ্দেশে বলব, শেয়ারবাজার ব্যবসার এমন একটি জায়গা যেখানে একজন বিনিয়োগকারীর ক্ষতির চেয়ে লাভের সম্ভাবনাই বেশি, প্রয়োজন শুধু সচেতনতা ও বিচক্ষণতা।

যাঁরা প্রথমবারের মতো শেয়ার বাজারে অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছেন তাদের একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, এ বাজারের প্রত্যেকেই ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হন, পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় পর্যায়ে সমৃদ্ধি ঘটে। মূলত আয় এবং মুনাফা- এ দুটোর জন্যই একজন ব্যক্তি শেয়ারবাজারে অংশগ্রহণ করে থাকে।

পাশাপাশি আর একটি বিষয় হলো, বিকল্প আয়ের উৎস হিসেবে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের কোন বিকল্প নেই। এখানে একজন ব্যক্তি চাইলে অতিরিক্ত কোনো লোকবল ছাড়া নিজেই শ্রম দিয়ে লাভবান হতে পারেন। তাই-

▶️ আপনার কষ্টার্জিত অর্থ সঠিক এবং নিরাপদ ভাবে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করুন যাতে ভবিষ্যতে আপনি লাভবান হতে পারেন।

▶️ আপনার হাতে সঞ্চিত তরল টাকার মান প্রতিনিয়ত আনুপাতিক হারে হ্রাস পাচ্ছে। পুঁজিবাজার বিনিয়োগ আপনার টাকার মান আনুপাতিক হরে বৃদ্ধি করে।

▶️ পুঁজিবাজার ব্যবসা করে আপনি কর রেয়াত পেতে পারেন এবং অধিক মুনাফা লাভ করুন।

▶️ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে আপনি পছন্দের কোম্পানিতে অংশীদার হচ্ছেন এবং কোম্পানির অর্জিত মূনাফা লাভ করছেন।

▶️ পুঁজিবাজারে আপনার বিনিয়োগকৃত শেয়ার এর মূল্য বৃদ্ধি, বোনাস এবং লভ্যাংশ আপনাকে দীর্ঘমেয়াদী মূনাফা প্রদান করবে।

পরিশেষে বলা যায়, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের অনেক কারণ রয়েছে। এটি অর্থ উপার্জনের একটি দুর্দান্ত উপায় হতে পারে এবং এটি আপনাকে আপনার পোর্টফোলিওকে বৈচিত্র্যময় করতে সহায়তা করতে পারে। স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ করা একটি স্মার্ট পদক্ষেপ, এবং এটি এমন কিছু যা আপনার অবশ্যই বিবেচনা করা উচিত।

বিও (BO) একাউন্ট কি?

শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করার প্রথম ধাপ হলো (BO) একাউন্ট খোলা, আপনি চাইলে ৩টি সহজ উপায়ে একটি BO অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন এবং এমনকি চাইলে ঘরে বসেই সেটি করতে পারবেন। বিও অ্যাকাউন্ট খোলার পর আপনি চাইলে সেকেন্ডারি মার্কেটে শেয়ার কেনা-বেচা শুরু করতে পারেন বা আইপিও শেয়ারের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করার জন্য সর্বপ্রথম যে কাজটি করতে হয় তা হল একটি বিও (BO) একাউন্ট (BO Account) বা Beneficiary Owner’s Account খোলা। ব্যাংকে অর্থ বা টাকা জমা ও উত্তোলন তথা হিসাব পরিচালনার জন্য যেমন ব্যাংক একাউন্ট খোলা বাধ্যতামলকূ তেমনি শেয়ার কেনা বেচা করার জন্যও একটি BO (Beneficiary Owner’s) অ্যাকাউন্ট খোলা বাধ্যতামূলক।

একটি বিও (BO) অ্যাকাউন্ট আদতে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মতই, তবে এটি খোলার জন্য আপনাকে একটি ব্রোকার হাউজের দ্বারস্থ হতে হবে। আপনি আপনার BO অ্যাকাউন্টে ব্যাংক একাউন্টের মতোই অর্থ জমা ও উত্তোলন করতে পারবেন তবে তা শুধুমাত্রই শেয়ার কেনা বেচার উদ্দেশ্যে ।

বিও (BO) একাউন্ট

বিও একাউন্ট সাধারনত দুই ধরনের হয়ে থাকে:

 ১. সাধারন বিও একাউন্ট:

‍ বাংলাদেশী অধিবাসী এবং বাংলাদেশে বসবাস করেন এমন ব্যক্তি সাধারন বিও একাউন্ট খুলতে পারেন। সাধারন বিও একাউন্ট আবার তিন ধরনের হয়-

* একক মালিকানাধীন বিও একাউন্ট (বিনিয়োগকারীর নিজের নামে বিও একাউন্ট বা Individual BO Account)।

* যৌথ মালিকানাধীন বিও একাউন্ট (দুই জন ব্যক্তির সম্মিলিত বিও একাউন্ট বা Joint BO Account)।

* কোম্পানি বিও একাউন্ট (বিনিয়োগকারী চাইলে নিজের কোম্পানির নামে বিও একাউন্ট খুলতে পারবেন)।

২. এনআরবি বিও একাউন্ট (নন-রেসিডেন্টবাংলাদেশী):

‍‍প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিদেশী নাগরিকদের বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা সুবিধা দেয়ার জন্য এই ধরনের বিও একাউন্ট খোলা হয়ে থাকে।

এছাড়াও অন্য এক ধরনের একাউন্ট রয়েছে যা লিংক বিও একাউন্ট নামে পরিচিত। আপনার বর্তমান ব্রোকারেজ হাউজ থেকে কোন শেয়ার বিক্রি না করে লিংক বিও একাউন্টের মাধ্যমে অন্য হাউজের একই গ্রাহকের বিও একাউন্টে শেয়ার ট্রান্সফার করার জন্য লিংক বিওএকাউন্ট খোলা হয়।

বিও একাউন্ট খোলার জন্য কি কি ডকুমেন্ট প্রয়োজন?

এই নিবন্ধটি আপনাকে একটি BO অ্যাকাউন্ট খুলতে প্রয়োজনীয় নথিগুলি জানতে সাহায্য করবে।

একটি একক/যৌথ/লিংক বিও একাউন্ট খোলার জন্য-

▶️ আবেদনকারী/আবেদনকারীদের ও নমীনির প্রত্যেকের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি

▶️ এনআইডি বা পাসপোর্টের কপি

▶️ ব্যাংকের এমআইসিআর (MICR) চেকবইয়ের যেকোন পাতার ফটোকপি অথবা ৯ ডিজিট রাউটিং নাম্বার ও ১৩ ডিজিট ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার উল্লেখিত ব্যাংক সার্টিফিকেট।

▶️ টিন (TIN) সার্টিফিকেট (যাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।

নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশী (এনআরবি) বিও একাউন্ট খোলার জন্য-

▶️ আবেদনকারী/আবেদনকারীদের ও নমীনির প্রত্যেকের ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি

▶️ জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট/ সামাজিক নিরাপত্তা কার্ড/রেসিডেন্স পার্মিট ইত্যাদির সত্যায়িত কপি।

▶️ ফরেন কারেন্সি ব্যাংক হিসাবের তথ্য।

▶️ নমীনির জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি

▶️ বিও একাউন্ট পরিচালনার জন্য নির্বাচিত প্রতিনিধিকে অথরাইজ করে POA (Power Of Attorney) ফর্ম পূরন ও ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে নোটারি করতে হবে।

কোম্পানি একাউন্ট খোলার জন্য-

▶️ মেমোরান্ডাম/আর্টিকেল অফ এসোসিয়েশন।

▶️ RJSC থেকে সংগৃহীত Form-X11 এর কপি।

▶️ বিও একাউন্ট খোলার জন্য কোম্পানির বোর্ড রেজুলেশনের ফটোকপি।

▶️ পাওয়ার অফ এটর্নীর (POA) এর এক কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি (যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।

▶️ কন্ট্যাক্ট পার্সোনের ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

▶️ কন্ট্যাক্ট পার্সোনের ন্যাশনাল আইডি কার্ডের উভয় পার্শের ফটোকপি।

▶️ ৯ ডিজিট রাউটিং নাম্বার ও ১৩ ডিজিট ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার উল্লেখিত ব্যাংক সার্টিফিকেট।

▶️ ব্যাংকের এমআইসিআর (MICR) চেকবইয়ের যেকোন পাতার ফটোকপি।

▶️ টিন সার্টিফিকেট ও ট্রেড লাইসেন্স এর ফটোকপি।

▶️ কোম্পানীর সিল।

‍সাধারনত বিও ফর্ম পুরন করে জমা দেয়ার পরবর্তী দুই কার্যদিবসের মধ্যেই বিও একাউন্ট  খোলা হয়ে যায়। বিও একাউন্ট খোলার পর নগদ টাকা বা চেক জমা দেয়ার মাধ্যমে আপনি বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।


বরেণ্য কবি ও সাংবাদিক হেলাল হাফিজকে শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটি'র

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

বরেণ্য কবি ও সাংবাদিক হেলাল হাফিজকে শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটি'র

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির পক্ষ থেকে বরেণ্য কবি ও সাংবাদিক হেলাল হাফিজকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার বাদ জোহর সংগঠনের আহ্বায়ক এফ রহমান রূপক ও সদস্য সচিব শাহাজালাল উজ্জলের নেতৃত্বে কবি হেলাল হাফিজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার পর, কবির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটির নেতৃবৃন্দ এবং অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ এবং সদস্যরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তারা কবি হেলাল হাফিজের অবদানের কথা স্মরণ করেন এবং তার সাহিত্যিক কর্মের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন।

হেলাল হাফিজ বাংলাদেশের আধুনিক কবিতার একজন শীর্ষস্থানীয় কবি। তার কবিতায় সমাজ, রাষ্ট্র এবং মানুষের প্রকৃত জীবনকে তুলে ধরা হয়েছে, যা তাকে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে এক গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান এনে দেয়। এছাড়াও, কবি হেলাল হাফিজের সাংবাদিকতা কর্মও উল্লেখযোগ্য ছিল। তার মৃত্যুতে সাহিত্য ও সাংবাদিকতার জগত একটি বিরাট ক্ষতির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশ প্রেস ইউনিটি তার পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে কবির আত্মার শান্তি কামনা করে।