শেয়ার বাজার

২৬৩ সাংবাদিকের জন্য ২ কোটি ৩ লাখ টাকা অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

২৬৩ সাংবাদিকের জন্য ২ কোটি ৩ লাখ টাকা অনুমোদন

বার্তাবেলা ডেস্ক: বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ২৬৩ জন সাংবাদিক ও সাংবাদিক পরিবারের অনুকূলে বিতরণের জন্য ২ কোটি ৩ লাখ টাকা অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দ্বিতীয় পর্যায়ে এ কল্যাণ অনুদান অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত এ সংক্রান্ত অনুমোদনের নথিতে স্বাক্ষর করেন। শিগগিরই সাংবাদিকদের এ কল্যাণ অনুদানের চেক বিতরণ করা হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এর আগে চলতি অর্থবছরে প্রথম পর্যায়ে ২৩৬ জন সাংবাদিক ও সাংবাদিক পরিবারের অনুকূলে ১ কোটি ৮৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়।

প্রতিষ্ঠার পর ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে দুস্থ, অস্বচ্ছল, দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিকদের এবং মৃত সাংবাদিকদের পরিবারের অনুকূলে আর্থিক সহায়তা/কল্যাণ অনুদান দেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত ট্রাস্ট থেকে ৩ হাজার ৯৩২ জন সাংবাদিক ও সাংবাদিক পরিবারের অনুকূলে ৩৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়।

সুনামগঞ্জের ছাতক ও সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে
কামরুল ইসলাম এর উদ্যোগে স্বপ্নের অগ্রযাত্রা সেতুর উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ জুন, ২০২৬

কামরুল ইসলাম এর উদ্যোগে স্বপ্নের অগ্রযাত্রা সেতুর উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জের ছাতক ও সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী গাংপাড় নয়াকুট গ্রামে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করতে তরুন সমাজ সেবক ও উদ্যোক্তা কামরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে নিজেদের অর্থ ও শ্রমে তারা নির্মাণ করছেন লোহার পাইপ ও কাঠের সমন্বয়ে একটি নতুন সেতু স্বপ্নের অগ্রযাত্রা।

সোনাই নদীর ওপর নির্মাণাধীন এ সেতুটি শুধু দুই পাড়ের মানুষের যাতায়াত সহজ করবে না, বরং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটাবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী। এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে শিক্ষা প্রশারে আরেকটি মানবিক গল্প। স্থানীয়রা জানান, নদী পার হয়ে প্রতিদিন কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষকে বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসাকেন্দ্র ও কর্মস্থলে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু স্থায়ী কোনো সেতু না থাকায় বছরের পর বছর চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাদের। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নদী পারাপার হয়ে ওঠে ঝুঁকিপূর্ণ।

কয়েক বছর আগে নির্মিত একটি অস্থায়ী সেতু ভেঙে গেলে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। এতে স্কুল- কলেজগামী শিক্ষার্থী, নারী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীদের সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাস মিললেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এ অবস্থায় কামরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে গ্রামের সচেতন যুবক ও প্রবাসীদের সহযোগিতায় একটি কমিটি গঠন করা হয়। পরে ঐ কমিটির কাছে নদীর দুপারের ১৯ জন ব্যক্তি ১৯ লক্ষ টাকা কমিটির কাছে আর্থিক সহায়তা হিসেবে হস্তান্তর করেন। এরপরই লোহার পাইপ সংগ্রহ করে শুরু হয় সেতু নির্মাণের কাজ। বর্তমানে কাঠ বসানোর কাজ শেষ হয়েছে যাহার আজ উদ্বোধন হয়েছে ।

গ্রামের বাসিন্দা সেতুর উদ্যোক্তা ও সম্ভাব্য ১ নং ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামরুল ইসলাম বলেন,“এটি শুধু একটি সেতু নয়, দুই উপজেলার মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। আমরা দ্রুত কাজ শেষ করেছি, যাতে সাধারণ মানুষের কষ্ট কমে।” এছাড়াও এই সেতুটির নির্মান শেষ করে আজ আমরা উদ্বোধন করেছি। স্থানীয় মুরব্বিরা এই অগ্রযাত্রা সেতুটি ৭ জুন রবিবার বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় মোনাজাতের মাধ্যমে উদ্বোধন করেন। এই সেতুর লিজ থেকে যে অর্থ পাওয়া যাবে সেই অর্থের টাকা নোয়াকুট বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুদান দেওয়া হবে, স্কুলটি পরিচালনার জন্য।

আরেক বাসিন্দা মনিরুজ্জামান সান্টুল জানান, সেতুটি নির্মাণ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাতায়াত সহজ হবে, কৃষিপণ্য পরিবহনেও সুবিধা হবে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

মানবিক এ উদ্যোগ ইতোমধ্যে এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগিয়ে এলে দ্রুত একটি টেকসই ও নিরাপদ সেতু নির্মাণ সম্ভব হবে। যাদের মহতি উদ্যোগ ও অর্থায়নে এই স্টিলের ব্রিজ নিমিত হয়েছে তারা হলেন:-হাজী সোনা মিয়া, হাজী মানিক মিয়া,  তাজুল ইসলাম, আব্দুস সালাম, সিরাজ উদ্দীন খান, কামরুজ্জামান, মনির খান, আব্দুল মছব্বির, শফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম খান (মাস্টার) ,  আব্দুল মনাফ (মাস্টার), আজাদ মিয়া (মাস্টার), নজরুল ইসলাম ( ব্যবসায়ি), আল আমিন খান, সফিক খান, মোঃ কামরুল ইসলাম, ডা.জহিরুল ইসলাম বিল্লাল, রিয়াজ উদ্দীন খান, আফাজ উদ্দীন,  হাসান আহমদ মঙ্গল ও শিব্বির আহমদ। উদ্বোধনী অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় মুরব্বী ও সালিশ ব্যক্তিত্ব মাওলানা শিব্বির রআহমদ, জিয়াদ আলী চেয়ারম্যান, তাজ উদ্দিন আহমদ (সাবেক মেম্বার), আব্দুল জব্বার খোকন, মানিক মিয়া, নতুন জালিয়ার পাড়ের আসাদ মিয়া, ইয়াছিন আলী, আলতাব মিয়া, আব্দুন নূর ও নুরুজ্জামান জামাল প্রমূখ।



গরম বাড়তে পারে আরও, আগামী সপ্তাহে বৃষ্টিপাত বাড়ার আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল, ২০২৪

গরম বাড়তে পারে আরও, আগামী সপ্তাহে বৃষ্টিপাত বাড়ার আভাস

দিনের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। আগামী সপ্তাহে দেশে ঝড়-বৃষ্টি বাড়তে পারে জানিয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আপাতত সিলেট অঞ্চল ছাড়া দেশের আর কোথাও বৃষ্টি হচ্ছে না। মঙ্গলবার সিলেটে ৪১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

সারাদেশেই গরমে কষ্ট পাচ্ছে মানুষ। ঢাকাসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় বাড়ছে অস্বস্তি।

মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল চুয়াডাঙ্গায়। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, বুধবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

তিনি আরও বলেন, রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা বিস্তার লাভ করতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।


সিলেট-গোলাপগঞ্জ-চারখাই-শেওলা স্থলবন্দর ৬ লেনে উন্নীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

সিলেট-গোলাপগঞ্জ-চারখাই-শেওলা স্থলবন্দর ৬ লেনে উন্নীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটের একটি মেগা প্রজেক্টে আড়াই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। প্রজেক্টটি হলো- সিলেট-চারখাই-শেওলা মহাসড়ক ছয় ও চার লেনে উন্নীতকরণ। এই উন্নয়ন-প্রকল্পের পূর্ত কাজের জন্য দুই হাজার ৫০৬ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার (২০ মে) কমিটির বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রকল্পের আওতায় সিলেট (কদমতলী)-গোলাপগঞ্জ-চারখাই ৬ লেন এবং সেখান থেকে শেওলা সেতু হয়ে শেওলা স্থলবন্দর পর্যন্ত ৬ লেনে উন্নীত করা হবে। এটি হবে মোট ৪২ দশমিক ৯৮৫ কিলোমিটারের মহাসড়ক। প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল অনুমোদন করে। এর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ জানুয়ারি ২০২৩ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী।

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর। প্রকল্পের আওতায় মোট ব্যয় ধরা হয়েছে দুই হাজার ৫০৬ কোটি সাত লাখ ৩৬ হাজার ২৫৫ টাকা, যা সরকারি অর্থায়ন ও বিশ্বব্যাংকের ঋণের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কাজের জন্য আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হলে তিনটি লটে মোট ৪৭টি দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। এর মধ্যে ৩৯টি দরপ্রস্তাব কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়। পরবর্তী প্রক্রিয়া শেষে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি (টিইসি) সর্বনিম্ন দরদাতাদের সুপারিশ করে।

চূড়ান্তভাবে তিনটি পৃথক লটে তিনটি দরদাতা বা যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে কাজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রথম লটে যৌথ উদ্যোগে মনিকো লিমিটেড (বাংলাদেশ) এবং চায়না রেলওয়ে নম্বর চার ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডকে এক হাজার ৯৯ কোটি ৫১ লাখ ৮৪ হাজার ৪২৬ টাকায় কাজ দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় লট চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনকে ৮১৬ কোটি ৫৫ লাখ ৫১ হাজার ৮৩০ টাকায় কাজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর তৃতীয় লটে যৌথ উদ্যোগে এনডিই (বাংলাদেশ) এবং আরবিসিজিকে (চীন) ৫৮৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকায় কাজ দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, নিজ নির্বাচনি এলাকার একটি মেগা প্রকল্পে এই বড় অংকের অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী। তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন- প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সিলেটের প্রতি সবসময় আলাদা নজর রয়েছে। আমার নির্বাচনি এলাকায় এত বড় বরাদ্দ পাওয়ায় গোলাপগঞ্জ-বিয়ানীবাজারবাসীর পক্ষ থেকে আবারও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সরকারপ্রধানের প্রতি।