শেয়ার বাজার

বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য নিহত
বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৪

বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বিজিবি সদস্য নিহত

বার্তাবেলা ডেস্ক: যশোরের বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে এক বিজিবি সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত সিপাহী মোহাম্মদ রইস উদ্দীনের মরদেহ ভারতে রয়েছে। এ ঘটনায় ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজিবি। রইস উদ্দীনের গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আহমেদ হাসান জামিল সোমবার (২২ জানুয়ারি) গভীর রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি সদস্য নিহতের খবর দেন।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, সোমবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে বিজিবি যশোর ব্যাটালিয়নের ধান্যখোলা বিওপির জেলেপাড়া পোস্ট সংলগ্ন এলাকায় ভারত থেকে আসা একদল গরু চোরাকারবারিকে সীমান্ত অতিক্রম করে আসতে দেখে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর টহল দল তাদের ‘চ্যালেঞ্জ’ করে। চোরাকারবারিরা তখন দৌড়ে ভারতের দিকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এ সময় বিজিবি টহল দলের সদস্য সিপাহী মোহাম্মদ রইস উদ্দীন চোরাকারবারীদের পেছনে ধাওয়া করতে করতে ঘন কুয়াশার কারণে দলবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। প্রাথমিকভাবে তাকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও পরবর্তীতে বিভিন্ন মাধ্যমে জানা যায়, তিনি বিএসএফের গুলিতে আহত হয়ে ভারতের অভ্যন্তরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এরই মধ্যে ঘটনাস্থল জোলেপাড়া ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন বিজিবির দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিওয়ন কমান্ডার ও যশোর ব্যাটালিয়নের সিইও লে. কর্নেল জামিল। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনি ঘটনাস্থলে রয়েছেন। ঘটনার পরপরই এ বিষয়ে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করা হয় এবং জানা যায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই সৈনিক মৃত্যুবরণ করেছেন।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানোর পাশাপাশি প্রতিবাদলিপি পাঠানোর কথা বলা হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

যোগাযোগ করা হলে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আহমেদ হাসান জামিল বলেন, সিপাহী রইস উদ্দীনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফেরত আনার জন্য সব পর্যায়ে যোগাযোগ করছেন তারা।

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে জেলা পুলিশের শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে জেলা পুলিশের শ্রদ্ধা

বার্তাবেলা ডেস্ক: রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে পাকিস্তানি শাসকের বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে যারা জীবন উৎসর্গ করেছিল, যাদের আত্মত্যাগে বাঙালি পেয়েছিল ভাষার অধিকার। ফুল আর শ্রদ্ধায় তাদের স্মরণ করা হয়।

বুধবার ২১ শে ফেব্রুয়ারী,২০২৪"মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস" উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর  সমাধি স্থলে জেলা পুলিশ গোপালগঞ্জের পক্ষে সন্মানিত পুলিশ সুপার গোপালগঞ্জ,  জনাব আল-বেলী আফিফা  ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন এবং তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়ায় অংশগ্রহণ  করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক,গোপালগঞ্জ জনাব কাজী মাহবুবুল আলম।

 এ ছাড়াও জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতাকর্মীবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


উল্লেখ” ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ভাষার দাবীতে রাস্তায় নেমে আসে মানুষ। জারি করা হয় ১৪৪ ধারা, ভেঙে ফেলা হয় শোষকের শৃঙ্খল। রক্তে ভেসে যায় রাজপথ।

গুলিতে বিদীর্ণ হয় বুক। শহীদ হন রফিক, শফিক, সালাম, বরকত, জব্বারসহ নাম না জানা আরো অনেকে। ভাষার জন্য প্রাণ দিয়ে ইতিহাস গড়েন তারা। বাংলা পায় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একাত্তরে জন্ম নেয় স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।

মাতৃভাষার জন্যপ্রাণ উৎসর্গের এই দিনটিকে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৯ সালে। অমর একুশে এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। একুশের চেতনার প্রতীক ‘শহীদ মিনার’ এখন এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াসহ সব কটি মহাদেশের বহুভাষিক চেতনার স্মারক।


চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল, ২০২৬

চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের দর্শন হলো ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক।


বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন-উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ এই দর্শনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ দেশের ১০টি জেলা এবং ৩টি সিটি করপোরেশনের ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগামীতে দেশের প্রায় চার কোটি প্রান্তিক ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও সোনাইমুড়ী) নির্বাচনি এলাকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করছি সংসদ সদস্যের নির্বাচনি এলাকার দরিদ্র পরিবারের নারী সদস্যদের ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা সম্ভব হবে।


মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের
RO Water Filtration Plant ২০২৫ (Repairment)” প্রকল্পের হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ জুলাই, ২০২৬

RO Water Filtration Plant ২০২৫ (Repairment)” প্রকল্পের হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন

প্রেসবিজ্ঞপ্তি: মুসলিমহ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ কর্তৃক বাস্তবায়িত RO Water Filtration Plant ২০২৫ (Repairment)”প্রকল্পের আওতায় পুনর্বাসিত পানি পরিশোধন প্ল্যান্ট সমূহের আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর অনুষ্ঠান আজ মুসলিমহ্যান্ডস স্কুল অব এক্সেলেন্স, দাসপাড়া, খাদিমনগর, সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে|

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাঈদা পারভীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিলেট| অনুষ্ঠানে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, WASH কমিটির সদস্যবৃন্দ, উপকারভোগী এবং মুসলিমহ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন|

অনুষ্ঠানের শুরুতে মুসলিমহ্যান্ডস স্কুল অব এক্সেলেন্সের একজন এতিম শিক্ষার্থীর পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়| পরে স্বাগত বক্তব্য ও মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কার্যক্রমের সংক্ষিপ্তপ রিচিতি তুলে ধরেন সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার শেখ আহাম্মদ ইশতিয়াক|এরপর বক্তব্য প্রদান করেন মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম সনেলসন সমীরণ হালদার| | RO Water Filtration Plant ২০২৫ (Repairment)”প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং অর্জন সম্পর্কে উপস্থাপনা করেন প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মুজিব উল্লাহ|

উল্লেখ্য প্রকল্পের আওতায় সিলেটের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, হাসপাতাল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত ৯টি RO Water Filtration Plant মেরামত ও পুনরায় সচল করা হয়েছে| পাশাপাশি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে WASH কমিটি গঠন, কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ টুলকিট বিতরণ, পানির গুণগতমান পরীক্ষা এবং নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্য বিধি বিষয়ক সচেতনতা মূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে| এর মাধ্যমে প্রায় ২৭,০০০ প্রত্যক্ষ উপকারভোগী পুনরায় নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা লাভ করবেন|

অনুষ্ঠানে উপস্থিত উপকারভোগীদের প্রতিনিধি তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান যে, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় RO প্ল্যান্ট সচল হওয়ায় শিক্ষার্থী, রোগী, মুসল্লি ও স্থানীয় জনগণ নিরাপদ পানির সুবিধা ফিরে পেয়েছেন| তারা মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে প্ল্যান্ট গুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন|

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাঈদা পারভীন বলেন, সিলেটে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট রয়েছে, তাই মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর নিরাপদ পানির কার্যক্রম সিলেট বাসীর জন্য অত্যন্ত কার্যকরী পদক্ষেপ| নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার অন্যতম পূর্বশর্ত| এই উদ্যোগ নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার পাশাপাশি কমিউনিটি মালিকানা ও টেকসই ব্যবস্থাপনার একটি কার্যকর উদাহরণ|”

সমাপনী বক্তব্যে মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর অনিক আসাদ প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সরকারিদপ্তর, অংশীদার প্রতিষ্ঠান, WASH কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন| তিনি বলেন, মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ শুধু নিরাপদ পানির অবকাঠামো নির্মাণ বা মেরামতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যবিধি উন্নয়ন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিশ্চিত করতে কাজ কওে যাচ্ছে|”

উল্লেখ্য, মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, জীবিকা উন্নয়ন, নিরাপদ বাস গৃহনির্মাণ, এতিম শিশু সহায়তা, দুর্যোগকালীন ত্রাণ ও মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন কওে আসছে| নিরাপদ পানি ও WASH খাতে প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধওে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে|