শেয়ার বাজার

তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি
চার বিভাগে হিট অ্যালার্ট জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৩ এপ্রিল ২০২৪

চার বিভাগে হিট অ্যালার্ট জারি

দেশের চার বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বইছে।‌ আগামী ৭ এপ্রিল পর্যন্ত তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। ‌একই সঙ্গে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে মানুষকে সতর্ক করতে দেশের চার বিভাগে হিট অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জাগো নিউজকে বলেন, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ আগামী ৭ এপ্রিল পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে এবং আরও বিস্তার লাভ করতে পারে।

তিনি বলেন, চলমান তাপপ্রবাহের ভিত্তিতে চার বিভাগে হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার জন্য এটি জারি করা হয়েছে।

এ সময়ে তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকবে এবং জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় অস্বস্তিও বেশি লাগবে। তাপপ্রবাহ এখন তীব্র আকার ধারণা না করলেও মানুষের মধ্যে অস্বস্তি রয়েছে।’ বলেন তিনি।

ওমর ফারুক বলেন, মানুষ বাইরে যখন বের হবে, তখন তার জানা থাকলো আবহাওয়া পরিস্থিতি এ রকম এবং সেই ধরনের নিরাপত্তা নিয়েই যেন বের হয়। এজন্যই হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

আগামী ৮ এবং ৯ এপ্রিল তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে জানিয়ে এ আবহাওয়াবিদ বলেন, তবে ১০ থেকে আবার তাপমাত্রা বাড়তে পারে। তাপমাত্রা আগামী দু’এক দিনও আরও কিছুটা বেড়ে ৪০ ডিগ্রি স্পর্শ করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আপাতত বৃষ্টি খুব বেশি বাড়ার সম্ভাবনা নেই। সিলেট অঞ্চলে যে বৃষ্টি হচ্ছে সেটি অব্যাহত থাকতে পারে।

বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল চুয়াডাঙ্গা ও ঈশ্বরদীতে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের মধ্যে শুধু সিলেটে ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে, সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

মেগা প্রকল্পে বিরল ঘটনা: মেয়াদ বাড়ছে, ব্যয় কমছে!
কাজ শুরুতেই চমক ৬০০ কোটি টাকা কমে গেল সিলেট-শেওলা প্রকল্পের ব্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৪ জুন, ২০২৬

কাজ শুরুতেই চমক ৬০০ কোটি টাকা কমে গেল সিলেট-শেওলা প্রকল্পের ব্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাধারণত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোনো বড় অবকাঠামো প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি পেলে ব্যয়ও বেড়ে যায়। তবে ব্যতিক্রম ঘটেছে সিলেট-চারখাই-শেওলা স্থলবন্দর চার লেন মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে। প্রকল্পটির কাজ বিলম্বে শুরু হলেও আন্তর্জাতিক দরপত্রে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য পাওয়ায় প্রায় ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় কমেছে।

সম্প্রতি সরকারের ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রকল্পটির পূর্ত কাজের জন্য ২ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দিয়েছে। অথচ একই কাজের জন্য পূর্বে প্রায় ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল। সর্বনিম্ন দরদাতাদের প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে প্রায় ২০ শতাংশ কম মূল্যে কাজ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হওয়ায় এ সাশ্রয় সম্ভব হয়েছে।

সিলেট-চারখাই-শেওলা স্থলবন্দরের ৪২ দশমিক ৯৮৫ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পটি ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল একনেক সভায় অনুমোদন পায়। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছিল ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে নানা জটিলতায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানোর চিন্তাভাবনা চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মহাসড়ক উন্নয়ন কাজ তিনটি পৃথক লটে বাস্তবায়ন করা হবে। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে মোট ৪৭টি দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। এর মধ্যে ৩৯টি কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়। পরবর্তীতে মূল্যায়ন শেষে সর্বনিম্ন দরদাতাদের মাধ্যমে কাজ বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়।

প্রথম লটের কাজ পেয়েছে বাংলাদেশের মনিকো লিমিটেড ও চীনের চায়না রেলওয়ে নম্বর ফোর ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগ। এ লটের কাজের মূল্য ১ হাজার ৯৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা। দ্বিতীয় লটের কাজ বাস্তবায়ন করবে চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি)। এ লটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮১৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। তৃতীয় লটের কাজ পেয়েছে বাংলাদেশের এনডিই এবং চীনের আরবিসিজির যৌথ উদ্যোগ। এ অংশের কাজের মূল্য ৫৮৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ২৪৭ দশমিক ১৩ একর ভূমি অধিগ্রহণ, প্রায় ৪৩ কিলোমিটার চার লেন সড়ক নির্মাণ, উভয় পাশে দুটি সার্ভিস লেন, ৩১টি কালভার্ট, ৩টি সেতু, একাধিক ফ্লাইওভার, ওভারপাস, আন্ডারপাস ও ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি একটি টোল প্লাজাও নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

গোলাপগঞ্জ পৌরশহরে ৬০০ মিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভার নির্মাণের পাশাপাশি চারখাই ও হেতিমগঞ্জ বাজারে দুটি ৩০০ মিটার ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে। এছাড়া রানাপিং ও রামধা বাজার এলাকায় আরও দুটি ফ্লাইওভার এবং কুশিয়ারা নদীর ওপর বর্তমান শেওলা সেতুর পাশে নতুন চার লেনের সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক উৎপল সামন্ত জানান, আগামী বছরের ৩১ ডিসেম্বর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন কাজ শুরু না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে অবকাঠামো নির্মাণ শেষ করা সম্ভব হবে না। এ কারণে মেয়াদ দুই বছর বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম বলেন, সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ব্যস্ত থাকায় এ প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ কিছুটা পিছিয়েছে। তবে আগস্টের আগেই এ কাজ সম্পন্ন করার আশা করা হচ্ছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সিলেটের বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমাসহ মৌলভীবাজারের বড়লেখা, জুড়ী ও কুলাউড়া উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে। একই সঙ্গে শেওলা স্থলবন্দরের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে।



সরকারের ‘ছায়ামন্ত্রী’
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে চমক থাকছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতেও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৪

দ্বাদশ জাতীয় সংসদে চমক  থাকছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতেও

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে টানা চারবার ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ। এরই মধ্যে গঠিত হয়েছে ৩৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা। এবার চোখ সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে। মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এই কমিটির সভাপতি অনেকটা ছায়ামন্ত্রীর মতোই। নির্বাহী বিভাগের জবাবদিহি, তদারকি ও কাজে গতিশীলতা আনতে সংসদীয় কমিটি করার রেওয়াজ আছে সংসদে। আট থেকে ১৫ সংসদ সদস্যের ওই কমিটিতে একজন থাকেন সভাপতি। আর স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাধারণত হন সাবেক মন্ত্রী বা জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য।

নির্বাচনের পর নতুন সরকার ৩৯টি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে ৩৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের কাছে রেখেছেন তিন মন্ত্রণালয়। বাকি ২৫টিতে মন্ত্রী ও ১১টিতে প্রতিমন্ত্রী দেওয়া হয়েছে। তাদের নেতৃত্বে মূলত চলবে মন্ত্রণালয়। তবে রেওয়াজ অনুযায়ী মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের কাজের তদারকি করবে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদের দফা (১)-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের নিয়ে সংসদ (ক) সরকারি হিসাব কমিটি, (খ) বিশেষ অধিকার কমিটি এবং (গ) সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে নির্দিষ্ট অন্যান্য স্থায়ী কমিটি গঠন করবে।

নির্বাচনের পর নতুন সরকার ৩৯টি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে ৩৭ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের কাছে রেখেছেন তিন মন্ত্রণালয়। বাকি ২৫টিতে মন্ত্রী ও ১১টিতে প্রতিমন্ত্রী দেওয়া হয়েছে।

দফা (২)-এ সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা ও কার্যাবলির বর্ণনা রয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কমিটি সংবিধান ও অন্য কোনো আইন সাপেক্ষে (ক) খসড়া বিল ও অন্যান্য আইনগত প্রস্তাব পরীক্ষা করতে পারবে; (খ) আইনের বলবৎকরণ পর্যালোচনা এবং অনুরূপ বলবৎকরণের জন্য ব্যবস্থাদি গ্রহণের প্রস্তাব করতে পারবে; (গ) জনগুরুত্বসম্পন্ন বলে সংসদ কোনো বিষয় সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করলে সে বিষয়ে কোনো মন্ত্রণালয়ের কাজ বা প্রশাসন বিষয়ে অনুসন্ধান বা তদন্ত করতে পারবে।

কোনো মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রাসঙ্গিক তথ্যাদি সংগ্রহ এবং প্রশ্নাদির মৌখিক বা লিখিত উত্তর লাভের ব্যবস্থা করতে পারবে। এবং (ঘ) সংসদ কর্তৃক অর্পিত অন্য যে কোনো দায়িত্ব পালন করতে পারবে। সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে সব কমিটির কাজের বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদে সংসদীয় কমিটি আছে ৫০টি। এরমধ্যে ৩৯টি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি। বাকিগুলোর মধ্যে রয়েছে- কার্যউপদেষ্টা কমিটি, কার্যপ্রণালি বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, পিটিশন কমিটি, লাইব্রেরি কমিটি, সংসদ কমিটি, বেসরকারি সদস্যদের বিল এবং বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি, সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি, অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটি ও সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিতে কারা আসছেন, এ নিয়েও এখন আলোচনা হচ্ছে। অতীত পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এই কমিটিগুলো করেন সংসদ নেতা নিজেই। চিফ হুইপ বা স্পিকার সংসদ নেতার অনুমোদনক্রমে এগুলো সংসদে উপস্থাপন করেন। পরে তা গ্রহণ করে সংসদ। স্বভাবতই সাবেক মন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ অথবা জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়।

কারা হচ্ছেন ছায়ামন্ত্রী?

এবারে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী এম এ মান্নান। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বা সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর তালুকদার অথবা জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন মোহাম্মদ সাদিক বা আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার বা জাহিদ আহসান রাসেল। খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম আসতে পারেন। সাবেক মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আসতে পারেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে। ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

অতীত পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এই কমিটিগুলো করেন সংসদ নেতা নিজেই। চিফ হুইপ বা স্পিকার সংসদ নেতার অনুমোদনক্রমে এগুলো সংসদে উপস্থাপন করেন। পরে তা গ্রহণ করে সংসদ। স্বভাবতই সাবেক মন্ত্রী বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ অথবা জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সাবেক মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বা প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু আসতে পারেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে বর্তমান সভাপতি আ ফ ম রুহুল হকই থাকছেন। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে ফের আসতে পারেন বর্তমান সভাপতি রওশান আরা মান্নান। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বা রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু। সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু আসতে পারেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বা টিপু মুনশি। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন বা উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন বর্তমান সভাপতি শাজাহান খান বা সাবেক প্রতিমন্ত্রী এ বি তাজুল ইসলাম। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে দেওয়া হতে পারে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমানকে। কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাককে আনা হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বা কাজী কেরামত আলী। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে স্থান পেতে পারেন সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু বা সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার হতে পারেন শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি থাকতে পারেন বর্তমান সভাপতি বেনজির আহমেদ বা বর্তমান কমিটির সদস্য ও জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী জাহিদ মালেক। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী শাহাবউদ্দিন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বা সাবেক প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন চাঁদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. সেলিম মাহমুদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমেদ। সাবেক মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার হতে পারেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি। রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে বর্তমান সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম বা সাবেক মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন অথবা মুজিবুল হককে রাখা হতে পারে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন একই মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে আসতে পারেন এম এ লতিফ। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সাহাদারা মান্নান বা উম্মে কুলসুম স্মৃতি। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন অ্যাডভোকেট আবু জাহির। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি হতে পারেন সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম। স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেতে পারেন মহিউদ্দিন আহমেদ।

রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ মার্চ, ২০২৪

রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ নিয়ে যা জানাল শিক্ষা মন্ত্রণাল

আসন্ন রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে হাইকোর্টের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে আপিল করবে কী না এমন সিদ্ধান্ত এখনো নেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। রায়ের কপি না পাওয়ায় এখনই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না শিক্ষা মন্ত্রণালয়। রায়ের কপি পাওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রোববার (১০ মার্চ) সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়েরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার বিষয়ে হাইকোর্টের আদেশের প্রেক্ষিতে সরকারের অবস্থান। এখনো রায়ের কপি পাওয়া যায়নি। রায়ের কপি পেলে অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। আগামীকাল সোমবার আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে।

এর আগে এদিন দুপুরে রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।