শেয়ার বাজার

মেগা প্রকল্পে বিরল ঘটনা: মেয়াদ বাড়ছে, ব্যয় কমছে!
কাজ শুরুতেই চমক ৬০০ কোটি টাকা কমে গেল সিলেট-শেওলা প্রকল্পের ব্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

কাজ শুরুতেই চমক ৬০০ কোটি টাকা কমে গেল সিলেট-শেওলা প্রকল্পের ব্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাধারণত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কোনো বড় অবকাঠামো প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি পেলে ব্যয়ও বেড়ে যায়। তবে ব্যতিক্রম ঘটেছে সিলেট-চারখাই-শেওলা স্থলবন্দর চার লেন মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে। প্রকল্পটির কাজ বিলম্বে শুরু হলেও আন্তর্জাতিক দরপত্রে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য পাওয়ায় প্রায় ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় কমেছে।

সম্প্রতি সরকারের ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রকল্পটির পূর্ত কাজের জন্য ২ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দিয়েছে। অথচ একই কাজের জন্য পূর্বে প্রায় ৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল। সর্বনিম্ন দরদাতাদের প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে প্রায় ২০ শতাংশ কম মূল্যে কাজ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হওয়ায় এ সাশ্রয় সম্ভব হয়েছে।

সিলেট-চারখাই-শেওলা স্থলবন্দরের ৪২ দশমিক ৯৮৫ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পটি ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল একনেক সভায় অনুমোদন পায়। প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছিল ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে নানা জটিলতায় নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানোর চিন্তাভাবনা চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মহাসড়ক উন্নয়ন কাজ তিনটি পৃথক লটে বাস্তবায়ন করা হবে। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে মোট ৪৭টি দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। এর মধ্যে ৩৯টি কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়। পরবর্তীতে মূল্যায়ন শেষে সর্বনিম্ন দরদাতাদের মাধ্যমে কাজ বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়।

প্রথম লটের কাজ পেয়েছে বাংলাদেশের মনিকো লিমিটেড ও চীনের চায়না রেলওয়ে নম্বর ফোর ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগ। এ লটের কাজের মূল্য ১ হাজার ৯৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা। দ্বিতীয় লটের কাজ বাস্তবায়ন করবে চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি)। এ লটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮১৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। তৃতীয় লটের কাজ পেয়েছে বাংলাদেশের এনডিই এবং চীনের আরবিসিজির যৌথ উদ্যোগ। এ অংশের কাজের মূল্য ৫৮৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ২৪৭ দশমিক ১৩ একর ভূমি অধিগ্রহণ, প্রায় ৪৩ কিলোমিটার চার লেন সড়ক নির্মাণ, উভয় পাশে দুটি সার্ভিস লেন, ৩১টি কালভার্ট, ৩টি সেতু, একাধিক ফ্লাইওভার, ওভারপাস, আন্ডারপাস ও ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি একটি টোল প্লাজাও নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

গোলাপগঞ্জ পৌরশহরে ৬০০ মিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভার নির্মাণের পাশাপাশি চারখাই ও হেতিমগঞ্জ বাজারে দুটি ৩০০ মিটার ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে। এছাড়া রানাপিং ও রামধা বাজার এলাকায় আরও দুটি ফ্লাইওভার এবং কুশিয়ারা নদীর ওপর বর্তমান শেওলা সেতুর পাশে নতুন চার লেনের সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক উৎপল সামন্ত জানান, আগামী বছরের ৩১ ডিসেম্বর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিন কাজ শুরু না হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে অবকাঠামো নির্মাণ শেষ করা সম্ভব হবে না। এ কারণে মেয়াদ দুই বছর বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম বলেন, সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ব্যস্ত থাকায় এ প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ কিছুটা পিছিয়েছে। তবে আগস্টের আগেই এ কাজ সম্পন্ন করার আশা করা হচ্ছে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সিলেটের বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, কানাইঘাট, জকিগঞ্জ, দক্ষিণ সুরমাসহ মৌলভীবাজারের বড়লেখা, জুড়ী ও কুলাউড়া উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নয়ন ঘটবে। একই সঙ্গে শেওলা স্থলবন্দরের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে।


কুমিল্লা-২ (হোমনা ও মেঘনা) আসনের নবনির্বাচিত এমপি আবদুল মজিদের গণ-সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

কুমিল্লা-২ (হোমনা ও মেঘনা) আসনের নবনির্বাচিত এমপি আবদুল মজিদের গণ-সংবর্ধনা

বার্তাবেলা ডেস্ক: কুমিল্লা-২ (হোমনা ও মেঘনা) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) অধ্যাপক আবদুল মজিদকে সংবর্ধনা দিতে কুমিল্লার হোমন উপজেলার পঞ্চ গ্রামের (অর্থাৎ দৌলতপুর, আড়ালিয়কান্দি, আলগীরচর, দয়রাকান্দি ও মিঠাইভাঙ্গা) সকল শ্রেনী পেশার মানুষের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শুক্রবার (০২ জানুয়ারী) বিকেলে দৌলতপুর আমেনা আলীম ষ্টেডিয়াম মাঠে জাঁকজমক পূর্ণ গন সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর গ্রামের নুরুবাঘার সুযোগ্য সন্তান ও ইটালি প্রবাসী আনোয়ার বাঘা। উক্ত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রীত অতীথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হোমনা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান আবুল।

এ সময় এলাকার আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারাও তাকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান। ‍ 


এছাড়াও, এম পি মহোদয়কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান পঞ্চ গ্রামের ইমরান বাঘা,সামাদ মেম্বার সহ অন্যান্য ব্যাক্তিবর্গ। আরও ফুলেল শুভেচছা জানান দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পক্ষে শিক্ষক ইমাম উদ্দিন ও প্রধান শিক্ষক মোঃ ইব্রাহিম স্যার। আধ্যাপক মজিদ তাকে ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করায় হোমনা-মেঘনা উপজেলার সকল ভোটার ও গ্রাম বাসিকে ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি হোমনা-মেঘনা উপজেলার চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসিদের  উৎখাতে  জিরুটলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন এবং সকলকে দ্রুত এসব অপকর্ম ছেড়ে ভালো হয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। 

এ সময় তিনি বলেন, গণ মানুষের জয় হয়েছে। নির্বাচিত হওয়ায় এখন তার দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল। এলাকার উন্নয়নে সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি প্রতি গ্রামে ও ইউনিয়নে সত্ ও সম্মানিত ব্যাক্তিদের সমন্নয়ে "শান্তি কমিটি" গঠনের আহ্বান জানান এবং উনার নিজের ইউনিয়ন থেকেই এই "শান্তি কমিটি" গঠনের উদ্যোগ- শুরু করার ঘোষণা দেন। তিনি জনগণকে বলেন আমি দীর্ঘ ৩২ বছর যাবত আওয়ামী রাজনীতিতে  সক্রিয় আছি এবং প্রায় ২৫ বছর যাবত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি। কিন্তু আমি আওয়ামীলীগ" মনোনীত প্রার্থী বা "নৌকা মার্কার"প্রার্থী  না হওয়া সত্ত্বেও আপনারা আমাকে ভালবেসে দলমত নির্বিশেষে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে "ট্রাক মার্কায়" ভোট দিয়ে  নির্বাচিত করেছেন। 

তাই আমি দলিয় উর্ধ্বে থেকে- সকলের এম পি হিসেবে নয়- আপনাদের সেবক হিসেবে আজীবন পাশে থাকতে চাই। উল্লেখ্যযে অধ্যাপক আবদুল মজিদ স্যার কুমিল্লার কোম্পানিগন্জের "বদিউল আলম কলেজের " গনিতের প্রভাষক ছিলেন।  আশির দশক থেকেই পপি গাইড লিখে এবং পপি লাইব্রেরীর সত্তাধীকারী হিসেবে এলাকায় ও পুরো দেশজুড়ে জনপ্রিয় ছিলেন। পরর্বতীতে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার রামচন্দ্রপুর "অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজ ও হোমনয় নিজ স্রীর নামে রেহানা মজিদ মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি হোমনা-মেঘনার অসংখ্য স্কুল,  কলেজ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখে আসছেন। এলাকার মানুষের জন্য আজীবন কাজ করে যাবেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উল্লেখ, গত ৭ জানুয়ারী নির্বাচনে ভিপুল ভোটে কুমিল্লা-২ (হোমনা ও মেঘনা) আসনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হোমনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুল মজিদ ট্রাক প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী সেলিমা আহমাদকে ১ হাজার ৯৬১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

তিনি হোমনা উপজেলার একমাত্র ও প্রথম বিনোদন কেন্দ্র নিজ গ্রামে প্রতিষ্টা করেন। যা " আবদুল মজিদ বাগান বাড়ি" নামে পরিচিত।  সেই বিনোদন কেন্দ্রে প্রতিদিন হোমনা তথা আসেপাশের উপজেলার হাজার হাজার ভ্রমণপ্রেমী শিশু, কিশোর ও বয়স্ক লোকজন এর আগমন ঘটে। 


তাছাড়া তার সহধর্মিণী রেহানা মজিদ বর্তমানে হোমনা উপজেলার রানিং "উপজেলা চেয়ারম্যান"। স্বামী স্ত্রী একই উপজেলার "এম পি "ও "উপজেলা চেয়ারম্যান"।

এখন আব্দুল মজিদের গল্পটা সবার জানা। তাকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমেও চলছে বিস্তর লেখালেখি। বলছেন, আব্দুল মজিদ একজন শিক্ষানুরাগী। জীবনের সময়টা ব্যয় করেছেন মানুষকে শিক্ষিত করে গড়ে তোলার পেছনে। এখন তিনি সংসদে যাচ্ছেন, নিশ্চয়ই শিক্ষা নিয়ে তিনি বড় কোনো কাজ করবেন।

এসবের পাশাপাশি আব্দুল মজিদের পপি লাইব্রেরিটি কিন্তু এখনো আছে। সেই লাইব্রেরির পেইজ থেকেও প্রতিষ্ঠা আব্দুল মজিদকে শুভেচ্ছাও জানানো হয়েছে।


খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ১১ মামলার শুনানি ১৪ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ১১ মামলার শুনানি ১৪ ফেব্রুয়ারি

বার্তাবেলা: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাশকতা ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে করা ১১ মামলায় শুনানির জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। রোববার এসব মামলায় অভিযোগ গঠন ও মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল।

অধিকাংশ মামলায় উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ থাকায় ও এদিন খালেদা জিয়া অসুস্থতাজনিত কারণে আদালতে উপস্থিত হতে না পারায় তার আইনজীবীরা সময়ের আবেদন করেন। শুনানি শেষে কেরানীগঞ্জ কারাগারের নবনির্মিত ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামন সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে নতুন এ তারিখ ধার্য করেন।

১১ মামলার মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে শুনানি ও অপর ১০ মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পিপি তাপস পাল এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে করার অভিযোগে ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাটি দায়ের করা হয়। এছাড়া ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রল বোমা হামলা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ ও একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ওই ঘটনায় পরের দিন ২৪ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা হয়। অপরদিকে ২০১৫ সালে দারুস সালাম থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে আটটি মামলা দায়ের করা হয়। এই আট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আসামি করা হয়। খালেদা জিয়া ছাড়া এসব মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।


উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামানত বাড়লো ১০ গুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামানত বাড়লো ১০ গুণ

বার্তাবেলা ডেস্ক: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামানত ১০ গুণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। চেয়ারম্যান পদে জামানত ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামানত ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭৫ হাজার টাকা। নারী সদস্যের ক্ষেত্রে জামানত ৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ২৮তম কমিশন সভায় ইসি এ অনুমোদন দেয়। ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যানের নির্বাচনী ব্যয় সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা প্রস্তাব করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এছাড়া নারী সদস্যদের নির্বাচনী ব্যয় এক লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে।

নির্বাচনী প্রচারণায় একটির বেশি শব্দযন্ত্র (মাইক) বা জনসভায় চারটির বেশি শব্দযন্ত্রের (মাইকের) ব্যবহার করা যাবে না। নির্বাচনী ক্যাম্প বা অফিসের আয়তন ৬০০ বর্গফুটের বেশি হতে পারবে না।

জাহাংগীর আলম বলেন, পোস্টার, ব্যানার সাদা-কালো অথবা রঙিন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের আগে জনসংযোগ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচরণার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাঁচজনের অধিক কর্মী বা সমর্থককে নিয়ে জনসংযোগ করা যাবে না। প্রতি ইউনিয়নে একটি এবং পৌরসভার প্রতি ৩টি ওয়ার্ডে একটির বেশি নির্বাচনী ক্যাম্প বা অফিস রাখা যাবে না। শব্দদূষণ প্রতিরোধে শব্দ বর্ধনকারী যন্ত্রের শব্দের মান মাত্রা ৬০ ডেসিবলের অতিরিক্ত হতে পারবে না। প্রচারণায় পোস্টার বা ব্যানারে পলিথিনের ব্যবহার করা যাবে না।

তিনি বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ভোটারের সমর্থনযুক্ত তালিকা দাখিলের বিধান বিলুপ্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অনলাইনে মনোনয়নপত্র দাখিল বাধ্যতামূলক। সমভোটের ক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রদত্ত ভোটের শতকরা ১৫ ভাগ অপেক্ষা কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্তের প্রস্তাব করা হয়েছে।