শেয়ার বাজার

পুঁজিবাজার
অস্থিরতার পেছনে প্লেয়ার ও রেগুলেটরদের দুষলেন: অর্থ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৪

অস্থিরতার পেছনে প্লেয়ার ও রেগুলেটরদের দুষলেন: অর্থ উপদেষ্টা

পুঁজিবাজারে অস্থিরতার পেছনে প্লেয়ার ও রেগুলেটরদের অনেক দোষ আছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ব্যাংকিং অ্যালমানাকের ষষ্ঠ সংস্করণের প্রকাশনা উৎসবে তিনি বলেন, আপনারা জেড ক্যাটাগরির শেয়ার কিনছেন, যার কোনো অস্তিত্ব নেই। আবার শেয়ার প্রাইস কমে গেলেই আন্দোলন করেন, আমি এর পক্ষে নই।

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিবিএসকে বলা হয়েছে তথ্য যা আছে তাই প্রকাশ যেন হয়। এখানে কারচুপির কোনো ব্যাপার নেই। আমাদের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের মতো পুঁজিবাজারের অবস্থাও একই রকমের। আপনারা জেড ক্যাটাগরির শেয়ার কিনছেন, যার কোনো অস্তিত্ব নেই। অথচ এ শেয়ার মহা আনন্দে কিনছেন। নূন্যতম কোনো মূল্য নেই, এগুলো কয়েক দিন পরই ওয়েস্ট পেপার হিসেবে ব্যবহার হবে। এজন্য একটু কষ্ট করতে হবে। আমি বিনিয়োগকারীদের দায়ী করছি না। পুঁজিবাজারের প্লেয়ার ও রেগুলেটরদের অনেক দোষ আছে। আমি মনে করি এটা প্রচার করা দরকার।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমরা কোনো পাওয়ার দেখাতে আসিনি, একটা দায়িত্ব নিয়ে এসেছি। বিগত ১৫ বছরের তথ্য নিয়ে নানা বিভ্রাট রয়েছে। তথ্য লুকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা এগুলো পরিবর্তন ও সংস্কারের চেষ্টা করছি। কারণ দাতা সংস্থাগুলো আমাদের কাছে নানা প্রশ্ন করেন, তারা বোঝাতে চান আগেই কম ছিল ইত্যাদি। এ নিয়ে আমরা তাদের বোঝাচ্ছি আগের তথ্য লুকানো ছিল, আমরা সঠিকটা উপস্থাপন করছি।’

তিনি আরও বলেন, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো করার চেষ্টা করছি। যাতে করে ব্যবসায়ীরা এক স্থান থেকে সব তথ্য পায়। তথ্যের জন্য ব্যবসায়ীদের ১০ জায়গায় দৌড়াতে হবে না। আরও সুসংহতভাবে তথ্য যদি ম্যানেজমেন্ট করতে না পারি তাহলে সামনে আরও সমস্যা তৈরি হবে। আমাদের এই মিথ্যা তথ্যের প্রয়োজন নেই, কারণ প্রিয় মিথ্যা যন্ত্রণাদায়ক।

ব্যাংকিং অ্যালমানাকের চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সিকদার, এবিবির সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আমিন গ্রন্থটির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সৈয়দ জিয়া উদ্দিন আহমেদ, আব্দার রহমান প্রমুখ।

অর্থ সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, আমরা সেক্টরগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। আর্থিকখাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে উন্নয়ন সহযোগিদের সহযোগিতা চাই। যাতে বিশৃঙ্খলা না হয়। আমরা এরইমধ্যে বিভিন্ন বোর্ডে পরিবর্তন এনেছি।

চাল-ডাল-আটা-ময়দা-মসলাসহ কিছু নিত্যপণ্যের দাম চড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর, ২০২৩

চাল-ডাল-আটা-ময়দা-মসলাসহ কিছু নিত্যপণ্যের দাম চড়া

বাজারে বেশকিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে চিনির দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। এছাড়া  চাল, ডাল, আটা, ময়দা, মসলাসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম।

শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) রামপুরা মালিবাগ কারওয়ান বাজারসহ কয়েকটি বাজার ও মুদি দোকান ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। তবে বাজারে সবজির দাম কিছুটা কম দেখা গেছে। নিম্নমুখী আছে মুরগি ও ডিমের দাম।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খোলা বাজারে খোলা সাদা চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকায়। আর প্যাকেজাত সাদা চিনি ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায়। এসব চিনির দাম কয়েক সপ্তাহ আগে ১৪০ টাকার মধ্যে ছিল।

রামপুরা এবি স্টোরের কালাম হোসেন বলেন, কোম্পানি তারপরও চিনি দিচ্ছে না। তারাই সংকট লাগিয়ে রেখে দাম বাড়াচ্ছে।

এদিকে, মুদি দোকানে চলতি মাসের শুরুতে মসুর ডালের দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছিল। মাঝে কয়েক দিন কমে আবার বেড়েছে এখন। বর্তমানে মোটা দানার ডালের কেজি ১১০ থেকে ১২০ এবং ছোট দানার ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খোলা আটা ৪৮ থেকে ৫০ টাকা আর খোলা ময়দা ৬৫ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহের তুলনায় ৫ টাকা বেশি।

অন্যদিকে, খুচরা বাজারে আলু এখনও ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।পাশাপাশি মানভেদে দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে কেজি ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায়, আমদানি রসুন ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। আমদানি করা আদা ২২০ বিক্রি হচ্ছে।

মসলা জাতীয় পণ্য বিক্রেতা ফারুক আহমেদ বলেন, আদা রসুনের দাম বেড়েছে। তবে পেঁয়াজ আগের দামে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারভেদে ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ডজন ১২০ থেকে ১৩৫ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৭০-১৯০ টাকা।

এছাড়া মানভেদে বিআর আটাশের চাল ৫৬ থেকে ৬০ টাকা, মানভেদে মিনিকেট চাল ৭০ থেকে ৭২ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

চালের দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে বুলু রাইস স্টোরের স্বত্তাধিকারী বুলু মিয়া বলেন, বিআর আটাশ চালের দাম কেজিতে চার টাকা বাড়ছে। নাজিরেও বাড়ছে চার টাকা আর মিনিকেটে বাড়ছে দুই টাকা। কয়েক বছর থেকে ধান কাটা-মারির মৌসুমে আর চালের দাম কমে না। এখন অব সিজনে দাম কমে। সিজন সময়ে আগে কমতো।

তবে বাজারের সবজির দাম কমে প্রায় অধিকাংশ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা গেছে।


পানিতে তলিয়ে যাওয়া
স্বপ্নের ধান আনছেন বছরের খোরাকী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ মে, ২০২৬

স্বপ্নের ধান আনছেন বছরের খোরাকী

দিরাই রাস্তার মুখ সংলগ্ন মদনপুর গ্রামের উত্তরে যতদূর চোখ যায় দেখারহাওরে শুধু পানি আর পানি। পানিতে ভাসছে ছোট ছোট নৌকা। নৌকাগুলো মাছ ধরছে ভেবে অনেকে ভুল করতেই পারেন। কিন্তু নৌকায় থাকা ব্যক্তিরা জাল দিয়ে মাছ ধরছেন না, বরং আঁছড়ি দিয়ে পানিতে তলিয়ে যাওয়া স্বপ্নের পাকা ধান তুলে নৌকায় রাখছেন। নৌকা বোঝাই হলে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে রেখে নৌকাটি আবার ছুটে চলে হাওরের মাঝখানে। এভাবে সারাদিন দু’জন বা তিনজন মিলে পানির নিচে থাকা ধান আঁচড়ে পাড়ে তুলে নিয়ে আসেন।

এদিকে, এই ধানকে প্রথমে রাস্তার একপাশ দিয়ে মেলে দেন কৃষক পরিবারের নারী সদস্যরা। পরে, পা দিয়ে মাড়িয়ে খড় ছাড়িয়ে আলাদা করেন ধান। এই কাজে তাদেরকে সাহায্য করেন পুরুষরাও। এই ধান শুকিয়ে বছরের খোড়াকীর যোগার করছেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মদনপুর গ্রামের কৃষকরা। এভাবে শুধু যে মদনপুর গ্রামের কৃষকরাই তলিয়ে যাওয়া ধান তুলে আনছেন তা কিন্তু নয়, জেলার প্রায় সব হাওর থেকেই এসব একই প্রক্রিয়ায় ধান তুলে সারা বছরের খোড়াকীর যোগার করছেন সুনামগঞ্জ জেলার কৃষকরা। এক রকম নিরুপায় হয়েই এমন কাজ করছেন তারা।

জানা যায়, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে পাকার আগেই অথবা পাকা ধান পানির নিচে তলিয়ে যায়। ধান হারিয়ে অনেকে দিশেযহারা হয়ে পড়েন। অন্যদিকে, অনেক জমিতে পাকা ধান থাকলেও শ্রমিকের অভাবে কাটাতে না পারায় পানির নিচে চলে গিয়েছিলো অনেক জমি। গত কয়েকদিন বৃষ্টিপাত কম ও তুলনামূলক কম পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কিছু ধান কাটার সাহস করেছেন অনেকে। তাই নৌকার মাধ্যমে আছড়ি দিয়ে ধান তুলে পাড়ে আনছেন। যদিও এই ধান দেখতে কালো ও থেতে খুব একটা স্বাদ হবে না। কৃষকরা জানান, এই ধান তুলে আনা ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় নেই। এইসব ধান তুললে সারা বছর খাবো কী?

মদনপুর গ্রামের কৃষক মদরিছ আলী জানান, হাওরের তলে ৮ থেকে ১০ কিয়ার জমি পানিতে তলিয়ে গিয়েছে। একটি ধানও তুলতে পারিনি। এখন কষ্ট করে হাওরের তল থেকে কিছু ধান তুলে আনার চেষ্টা করছি। যদি কিছু আনতে পারি তাহলে সন্তান সন্ততিদের নিয়ে খাবো।

ফজিলাতুন নেছা বলেন, আমার ছেলে মেহনত করে পরের জমি চাষ করেছিলো। অনেক টাকা খরচ হয়েছে, কষ্ট করেছে। সব ধান পানিতে তলিয়ে গিয়েছে। এখন কিছু তুলে আনার চেষ্টা করছে। একমাসের খোড়াকী হলে তো হলো। আছির আলী নামের আরেক কৃষক বলেন, ১২ কিয়ার জমি চাষ করে মাত্র ৩ কিয়ার তুলে ছিলাম। বাকী পানিতে চলে গিয়েছে। পেতে তো আর বুঝে না, তাই কষ্ট করে তলিয়ে যাওয়া ধানও ‘আকি’ দিয়ে তুলে আনার চেষ্টা করছি।

হাওর ও নদী রক্ষা আন্দোলনের সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. ওবায়দুল হক মিলন বলেন, সুনামগঞ্জের মানুষ এখন অসহায়। বলতে পারেন অনেক কৃষকের ঘরে খাওয়ার মতো ধানচাল নেই। পানিতে সব চলে দেছে। এই জেলার কৃষকরা কখনোই পরিশ্রমের কাছে হারেন না, হারেন দুর্নীতিবাজ আমলাদের দুর্নীতি ও অপসিস্টেমের কাছে।

তিনি বলেন, আগামীতে বাঁধ নির্মাণ করতে হলে উভয়দিক বিবেচনা করে নির্মাণ করতে হবে। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরির উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে খবর পাচ্ছি যে, রাজনৈতিক প্রভাবে কৃষকদের তালিকা হচ্ছে। এমনটি হলে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্তই থেকে যাবেন।


পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা ; লাগাম টানতে মাঠে নামছে ভোক্তা-অধিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৩

পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা ; লাগাম টানতে মাঠে নামছে ভোক্তা-অধিকার

বার্তাবেলা: পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরই বাংলাদেশের বাজারে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। হু হু করে বাড়ানো হচ্ছে এই কৃষিপণ্যটির দাম। এ অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযানে নামছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ভোক্তা-অধিকার জানিয়েছে, পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে ঢাকাসহ সারাদেশে অভিযান চালানো হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত। যা গতকাল শুক্রবার থেকে কার্যকর হয়। ভারত সরকারের এ ঘোষণার পর বাংলাদেশের বাজারে রাতারাতি পেঁয়াজের দাম লাগামহীনভাবে বাড়তে শুরু করে।

সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দেশে আমদানি করা পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞায় তেমন প্রভাব পড়বে না।

ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড বা বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক মহাপরিচালকের কার্যালয় বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) জানিয়েছে, নিজেদের দেশে পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে পণ্যটি রপ্তানির ওপর আগামী মার্চ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

ভোক্তা-অধিকারের বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়েছে, ৯ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করা হবে। ঢাকায় অধিদপ্তরের চারজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে চারটি পৃথক টিম বাজার অভিযান পরিচালনা করবে। এছাড়া দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় সারাদেশে অভিযান পরিচালনা করবে।

ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ অক্টোবর টনপ্রতি পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য ৮০০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ দেওয়া হলেও সময়সীমার শেষ হওয়ার তিন সপ্তাহ আগেই নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।

এদিকে, ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পরই দেশের বাজারে হু হু করে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। একদিনের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১২০ টাকা। রাজধানীর খুচরা বাজারে এখন এ পেঁয়াজের কেজি ২৪০ টাকা। আর কেজিতে ৯০ টাকা বেড়ে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। কেউ কেউ ২২০ টাকাও দাম হাঁকছেন।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর রামপুরা কাঁচাবাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, গোদারাঘাট, উলন বাজারসহ কয়েকটি বাজারে ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।