শেয়ার বাজার

রাজধানীতে আরও হলিডে মার্কেট চালুর পরিকল্পনা: তাজুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪

রাজধানীতে আরও হলিডে মার্কেট চালুর পরিকল্পনা: তাজুল ইসলাম

রাজধানীতে আরও হলিডে মার্কেট চালুর পরিকল্পনা আছে বলে সংসদে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

রোববার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের করা প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

রাজধানী ঢাকার ফুটপাতে যত্রতত্র বাজার/দোকান বসানো বন্ধ করে একটি হলিডে মার্কেট নির্ধারণ করে হকারদের পুনর্বাসনের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না- মন্ত্রীর কাছে জানতে চান নাছিম।

জবাবে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় এরই মধ্যে ৫টি স্থানে হলিডে মার্কেট চালু করা হয়েছে। সেগুলো হলো, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের সামনে, গুলিস্তান জিপিও সংলগ্ন বায়তুল মোকাররম লিংক রোড, সেগুনবাগিচা বিভাগীয় অফিস সংলগ্ন কার্পেট গলি, মতিঝিল দিলকুশা ইউনুস টাওয়ারের সামনে ও গুলিস্তান-নবাবপুর রোড।

তিনি বলেন, রাজধানীতে আরও হলিডে মার্কেট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন বঙ্গবন্ধু হকার্স মার্কেট, গুলিস্থান ট্রেড সেন্টার, ঢাকা ট্রেড সেন্টার, ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট, বঙ্গবাজার হকার্স মার্কেট, শেরে বাংলা হকার্স মার্কেট, সদরঘাট হকার্স মার্কেটসহ আরও মার্কেটে এর আগে হকারদের দোকান বরাদ্দের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হয়েছে। ২৩নং ওয়ার্ড বেড়িবাঁধ সেকশন থেকে হোসেন উদ্দিন খান প্রথম লেন পর্যন্ত সাপ্তাহিক বাজারে হকাররা নির্বিঘ্নে ব্যবসা করছেন।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষ, বিশেষত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য নিয়ন্ত্রিত স্ট্রিট ভেন্ডর পদ্ধতি প্রচলন করা হয়েছে। শহরের যেসব সড়কে ছুটির দিনে যানবাহন চলাচল কম থাকে সেসব সড়কে নিয়ন্ত্রিত স্ট্রিট ভেন্ডর পদ্ধতিতে হলিডে মার্কেট চালু করা হয়েছে। পথচারীদের চলাচলের জন্য রাজধানীর ফুটপাত সবর্দা উন্মুক্ত থাকে, কিন্তু কিছু দখলদার বেআইনিভাবে মাঝেমধ্যে ফুটপাত দখল করে নিজ নিজ ব্যবসা পরিচালনা করেন। জনস্বার্থে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সহায়তায় অবৈধ দখল/ফুটপাত উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ভায়রা ভাইকে হত্যা
স্ত্রীর পরকীয়ায় সহযোগিতা করায় ভায়রা ভাইকে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪

স্ত্রীর পরকীয়ায় সহযোগিতা করায় ভায়রা ভাইকে হত্যা

বার্তাবেলা ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করায় ভায়রা সাদ্দাম হোসেনকে (২৬) হত্যা করা হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) হাতে গ্রেফতারের পর সোমবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক সামিউল আলমের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এই তথ্য জানান ভায়রা বাবুল (৪০)। বাবুল নেত্রকোনা জেলার খায়ের বাংলা গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে।

শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের আশরাফপুর বিল থেকে সাদ্দামের মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি উপজেলার বিদ্যাকুট ইউনিয়নের বিদ্যাকুট গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শচীন চাকমা জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর তদন্তে নামে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকারী হিসেবে নিহত সাদ্দামের ভায়রা বাবুলকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়। পরে সোমবার আদালতে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন বাবুল।

বাবুল জবানবন্দিতে জানান, গত প্রায় ১০ বছর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের কৃষ্ণনগরের শায়েস্তা আরাকে বিয়ে করেন বাবুল। তাদের সংসারে ৭ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। নরসিংদীতে কাজের সুবাদে বসবাস করা কাদির নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তার স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা পালিয়ে নবীনগর এসে পড়েন। বিয়ে না করেও তারা সংসার করেন। এতে শায়েস্তারা গর্ভবতীও হন। আর এসবে সহায়তা করে আসছিলেন শায়েস্তা আরার বোনের স্বামী সাদ্দাম। সাদ্দাম সব কিছু জেনেও ভায়রা বাবুলকে কোনো প্রকার সহায়তা করেননি। এই ক্ষোভে গত শুক্রবার সাদ্দামকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে বাবুল পালিয়ে যান।

এই ঘটনায় নিহত সাদ্দামের ভাই অজ্ঞাত আসামি করে নবীনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তদন্তে বাবুলের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।


মনোনয়ন পেতে প্রতারকের ফাঁদে পড়ে ৫০ লাখ খোয়ালেন আওয়ামী লীগ নেতা; গ্রেফতার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৩

মনোনয়ন পেতে প্রতারকের ফাঁদে পড়ে ৫০ লাখ খোয়ালেন আওয়ামী লীগ নেতা; গ্রেফতার ৩

বার্তাবেলা: জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) কর্মকর্তা পরিচয়ে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ফোন করে এক প্রতারক বলেন, ‘আমি এনএসআইর ডিডি (ডেপুটি ডিরেক্টর) হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আছি। জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন সংক্রান্ত ইস্যুতে কাজ করছি। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আমি কয়েকজনকে বিভিন্ন আসনে মনোনয়ন পাইয়ে দিয়েছি। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এরই মধ্যে কয়েকজনের মনোনয়নের বিষয়টি আমি নিশ্চিত করছি।

মোবাইল ফোনে এমন পরিচয়ে কথা বলে পরে আস্থা অর্জনের পর ভুক্তভোগী আওয়ামী লীগ নেতাকে ওই প্রতারক বলেন, ‘আপনার মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এজন্য ৫০ লাখ টাকা নগদ দিতে হবে। এরপর ভুক্তভোগীকে প্রধানমন্ত্রীর কন্যা পুতুল নামে একজন নারী কণ্ঠের সঙ্গে কথা বলিয়ে দেয় চক্রের সদস্যরা।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও গোয়েন্দা প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের টার্গেট করে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র দেশব্যাপী সক্রিয় হয়। এর ধারাবাহিকতায় চক্রটি দেশের বিভিন্ন স্থানে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের টার্গেট করে।

এভাবে মনোনয়ন পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার ফাঁদে পা দেন ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাচনে আওয়ামলী লীগ থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী দীপক কুমার রায় (৬৩)। প্রতারকের ফাঁদে পড়ে ৫০ লাখ টাকা খোয়ান তিনি। পরে গত ২৬ নভেম্বর মনোনয়নপত্রের তালিকা চূড়ান্তভাবে প্রকাশ হলে সেখানে তার নাম না থাকায় ভুক্তভোগী বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন।

এরপর ভুক্তভোগী আওয়ামী লীগ নেতা দীপক কুমার রায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলার অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ও ঠাকুরগাঁও জেলার রুহিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ।

গ্রেফতাররা হলেন নুরুল হাকিম (৩১), হাসানুল ইসলাম জিসান (২২) ও মো. হারুন অর রশিদ (২৯)।



মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের
RO Water Filtration Plant ২০২৫ (Repairment)” প্রকল্পের হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ জুলাই, ২০২৬

RO Water Filtration Plant ২০২৫ (Repairment)” প্রকল্পের হস্তান্তর অনুষ্ঠান সম্পন্ন

প্রেসবিজ্ঞপ্তি: মুসলিমহ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ কর্তৃক বাস্তবায়িত RO Water Filtration Plant ২০২৫ (Repairment)”প্রকল্পের আওতায় পুনর্বাসিত পানি পরিশোধন প্ল্যান্ট সমূহের আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর অনুষ্ঠান আজ মুসলিমহ্যান্ডস স্কুল অব এক্সেলেন্স, দাসপাড়া, খাদিমনগর, সিলেটে অনুষ্ঠিত হয়েছে|

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাঈদা পারভীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিলেট| অনুষ্ঠানে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, WASH কমিটির সদস্যবৃন্দ, উপকারভোগী এবং মুসলিমহ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন|

অনুষ্ঠানের শুরুতে মুসলিমহ্যান্ডস স্কুল অব এক্সেলেন্সের একজন এতিম শিক্ষার্থীর পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়| পরে স্বাগত বক্তব্য ও মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কার্যক্রমের সংক্ষিপ্তপ রিচিতি তুলে ধরেন সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার শেখ আহাম্মদ ইশতিয়াক|এরপর বক্তব্য প্রদান করেন মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম সনেলসন সমীরণ হালদার| | RO Water Filtration Plant ২০২৫ (Repairment)”প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং অর্জন সম্পর্কে উপস্থাপনা করেন প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মুজিব উল্লাহ|

উল্লেখ্য প্রকল্পের আওতায় সিলেটের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, হাসপাতাল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত ৯টি RO Water Filtration Plant মেরামত ও পুনরায় সচল করা হয়েছে| পাশাপাশি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে WASH কমিটি গঠন, কমিটির সদস্যদের প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ টুলকিট বিতরণ, পানির গুণগতমান পরীক্ষা এবং নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্য বিধি বিষয়ক সচেতনতা মূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে| এর মাধ্যমে প্রায় ২৭,০০০ প্রত্যক্ষ উপকারভোগী পুনরায় নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সুবিধা লাভ করবেন|

অনুষ্ঠানে উপস্থিত উপকারভোগীদের প্রতিনিধি তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান যে, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পুনরায় RO প্ল্যান্ট সচল হওয়ায় শিক্ষার্থী, রোগী, মুসল্লি ও স্থানীয় জনগণ নিরাপদ পানির সুবিধা ফিরে পেয়েছেন| তারা মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে প্ল্যান্ট গুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন|

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাঈদা পারভীন বলেন, সিলেটে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট রয়েছে, তাই মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর নিরাপদ পানির কার্যক্রম সিলেট বাসীর জন্য অত্যন্ত কার্যকরী পদক্ষেপ| নিরাপদ পানির প্রাপ্যতা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার অন্যতম পূর্বশর্ত| এই উদ্যোগ নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার পাশাপাশি কমিউনিটি মালিকানা ও টেকসই ব্যবস্থাপনার একটি কার্যকর উদাহরণ|”

সমাপনী বক্তব্যে মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর অনিক আসাদ প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সরকারিদপ্তর, অংশীদার প্রতিষ্ঠান, WASH কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন| তিনি বলেন, মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ শুধু নিরাপদ পানির অবকাঠামো নির্মাণ বা মেরামতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং স্থানীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যবিধি উন্নয়ন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিশ্চিত করতে কাজ কওে যাচ্ছে|”

উল্লেখ্য, মুসলিম হ্যান্ডস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ১৯৯৫ সাল থেকে বাংলাদেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, জীবিকা উন্নয়ন, নিরাপদ বাস গৃহনির্মাণ, এতিম শিশু সহায়তা, দুর্যোগকালীন ত্রাণ ও মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন কওে আসছে| নিরাপদ পানি ও WASH খাতে প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধওে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে|