শেয়ার বাজার

নির্বাচনকে টার্গেট করে অবৈধ অস্ত্র ঢুকছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

নির্বাচনকে টার্গেট করে অবৈধ অস্ত্র ঢুকছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে টার্গেট করে সীমান্ত দিয়ে দেশে অবৈধ অস্ত্র প্রবেশ করছে বলে স্বীকার করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, দু-চারটি অস্ত্র যে ঢুকছে না তা আমি বলবো না, ঢুকছে এবং ধরাও হচ্ছে। প্রতিদিন একটা-দুটা করে ধরা হচ্ছে।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরের আয়োজিত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দিবস-২০২৫ উপলক্ষে অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, নির্বাচনকে টার্গেট করে অবৈধ অস্ত্র ঢুকছে কি না এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দু-চারটি অস্ত্র যে ঢুকছে না তা আমি বলবো না, ঢুকছে এবং ধরাও হচ্ছে। প্রতিদিন একটা দুটা করে ধরা হচ্ছে। কোনো রকমের কোথাও ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

মেঘালয় পুলিশের দাবি তারা হাদি হত্যাকাণ্ডের কোনো আসামিকে গ্রেফতার করেনি। কিন্তু ডিএমপি বলছে গ্রেফতার হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ডিবি রাতে একটি স্টেটমেন্ট দিয়েছে, সেটা পড়লে জানতে পারবেন।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিচ্ছে, প্রায় ৩৫ হাজার বিজিবি সদস্য নির্বাচনে মোতায়েন থাকবে।

সম্প্রতি কেরানীগঞ্জে মাদরাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রশ্নে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, যে অপকর্ম করছে সে পলাতক, কিন্তু তার সহযোগীকে ধরা হয়েছে। পলাতককে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বোমা হামলাগুলো সুষ্ঠু নির্বাচনে কোনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ফ্যাসিস্ট যারা আছে তারা সবসময় বাধা দেওয়ার চেষ্টা করবে। কিন্তু আপনাদের সবার সহযোগিতা যদি থাকে তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর হবে।

নির্বাচনে শঙ্কার প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচনে এখন কোনো শঙ্কা নেই।

বিজিবি দিবস উপলক্ষে সোমবার সকাল ১০টায় পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরের শহীদ শাকিল আহমেদ হলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বিজিবিতে কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পদকপ্রাপ্তদের পদক পরিয়ে দেন।

এ বছর ১২ জনকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ পদক (বিজিবিএম), ২৪ জনকে রাষ্ট্রপতি বর্ডার গার্ড পদক (পিবিজিএম), ১২ জনকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ পদক-সেবা (বিজিবিএমএস) এবং ২৪ জনকে রাষ্ট্রপতি বর্ডার গার্ড পদক-সেবা (পিবিজিএমএস) সহ সর্বমোট ৭২ জনকে বিভিন্ন পদকে ভূষিত করা হয়।

পদক প্রদান শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বিজিবির খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারকে সংবর্ধনা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করেন এবং ভবিষ্যতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের পাশে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি এবং বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র নেতৃত্বে সাজ্জাদ-মোশাররফ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র নেতৃত্বে সাজ্জাদ-মোশাররফ

ঢাকা, ২ মার্চ, ২০২৪ (বাসস) : কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা (সিজেএফডি)’র দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা এবং নির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’র ডেপুটি চিফ রিপোর্টার মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক দৈনিক আমাদের অর্থনীতির বিশেষ প্রতিনিধি এম. মোশাররফ হোসাইন।

২১ সদস্যের কমিটির অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল অদুদ ও এম. এস. দোহা, যুগ্ম-সম্পাদক সালাহ উদ্দিন জসিম ও কামরুজ্জামান বাবলু, অর্থ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন দরবেশ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরীফুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মনির আহমাদ জারিফ, প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক এ এফ এম রাসেল পাটোয়ারী, ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান রতন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক জহির আলম সিকদার, তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক আহমেদ আজম, শিক্ষা-প্রশিক্ষণ সম্পাদক ফারজানা আফরিন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক বদরুল আলম মজুমদার, ইভেন্ট-আপ্যায়ন সম্পাদক কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বেলাল এবং নির্বাহী সদস্য দিদারুল আলম দিদার, সায়ীদ আবদুল মালিক, সাঈদ আহমদ খান, মোহাম্মদ মাসুদ ও কমল চৌধুরী।

দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কর্ম অধিবেশন ও ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোস্তফা হোসাইন, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব রশিদ, মোহাম্মদ আবু তাহের, মো. শরীফুল ইসলাম এবং ফারুক খান।

এর আগে সকাল ১০টায় সংগঠনের বিদায়ী সভাপতি মো. শরীফুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক এমপি, সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন এমপি, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’র সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক গাজিউল হাসান খান, প্রেস ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (পিআইবি)’র মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ, মুক্তিযুদ্ধের গবেষক মোস্তফা হোসেইন, আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাসিমা খান মন্টি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাহমুদুর রহমান খোকন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাসস'র সিনিয়র রিপোর্টার দিদারুল আলম, সংগঠনের সিনিয়র সদস্য আ. ন. ম. কুদরাত-ই-খোদা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ ইসহাক খান এবং আবু তাহের, বার্তাবেলা.কম এর সম্পাদক ও প্রকাশক মহিন উদ্দিন স্বপন।

 প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, কুমিল্লার যে ঐতিহ্য সবাইকে তা ধারণ করে এগুতে হবে। তবে কাজের ক্ষেত্রে যোগ্যতার সঙ্গে লড়াই চলে না। কুমিল্লাকে প্রত্যাশিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সবাইকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। তরুণ প্রজন্ম যাতে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উঠে সে উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি বলেন, পরিবর্তনকে ভয় পেলে চলবে না। আপনারা উন্নত কুমিল্লা চান। উন্নত বলতে বুঝায় জ্ঞানে-বিজ্ঞানে প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ এবং দারিদ্র্য, মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত। আপনারা সাংবাদিকরা এর জন্য অবদান রাখবেন, বিশ্বাস করি। আগামী দিনের ইতিবাচক অগ্রযাত্রায় শামিল হবেন। অনেকে সমস্যার কথা বলেছেন, এগুলোর সমাধানে আপনারা একটি কর্মপরিকল্পনা করেন। আমি সর্বতোভাবে সহায়তা করবো।

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিব বলেন, অনেকে বলেন রাজনীতিবিদরাই সমাজ সেবা করে। শুধু রাজনীতিবিদরা নয়, সবাই সমাজসেবা করে। আমরা স্ব-স্ব জায়গা থেকে নিজ দায়িত্বটুকু পালন করলেই সমাজসেবা হয়ে যায়। এসময় তিনি কুমিল্লাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সাংবাদিকসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। 

 বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, সাংবাদিকদের কুমিল্লার ইতিহাস ঐতিহ্য ধারণ করতে হবে। কুমিল্লার নবাব ফয়জুন্নেছা বাংলাদেশের শিক্ষার বিকাশে পথপ্রদর্শক, তার মূল্যায়নে ভূমিকা রাখতে হবে। তার বাড়ির স্মৃতি সংরক্ষণ করতে হবে। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, শচীন দেব বর্মন ও উস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ কে স্মরণ করতে হবে। শান্তি ও সুনীতিকে সামনে আনতে হবে। একটা মাত্র জেলা যেখানে মুক্তিযুদ্ধের তিনটি সেক্টর ছিল।

তিনি বলেন, আমি জেলা কোটা বিলুপ্তির পক্ষে, কুমিল্লা নামেই বিভাগের পক্ষে। আমরা চেষ্টা করলে কুমিল্লাকে আরও বিকশিত করতে পারি। ব্রান্ডিং করতে পারি।


দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা

প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা

দেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরার কলারোয়া। কেন্দ্র থেকে এর গভীরতা ১৫০ কিলোমিটার।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) এ তথ্য জানিয়েছে।

ভূমিকম্পে সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোরসহ আশপাশের এলাকা মৃদু কেঁপে ওঠে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।


ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ মার্চ, ২০২৪

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা

ঢাকার ৮০ শতাংশ রেস্তোরাঁ যেন বোমা তৈরির কারখানা। নগরীর ৫ হাজার রেস্তোরাঁর মধ্যে অগ্নিনিরাপত্তা সনদ আছে হাজারখানেকের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিটি বহুতল ভবনে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ রেস্তোরাঁ থাকার কথা থাকলেও মানছে না কেউ। 

ধানমন্ডির গাউসিয়া টুইনপিক ভবনটি পরোটাই ঠাসা রেস্তোরাঁ দিয়ে। ওঠা-নামার একমাত্র পথ লিফট। ভেতরে দুটি সিড়ি থাকলেও একটি বন্ধ গোডাউনে, অন্যটি দখলে সিলিন্ডারে। বারান্দা থাকলেও তা কাচে ঢাকা। এ যেন পুরোই বোমার কারখানা।

টুইনপিক ভবনের নকশা করেন স্থপতি মুস্তাফা খালিদ পলাশ। বেইলি রোড ট্রাজেডির পর পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে ভবনটি এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান এই স্থপতি। নিজের সৃষ্টির এমন অবস্থা দেখে বিষ্মিত তিনি। দাবি করেন, অফিসের জন্য করা ভবন রেস্তোরাঁ বানিয়ে সব কিছুই পাল্টে ফেলেছেন ভবন মালিক ও ব্যবস্যায়ীরা।

মুস্তাফা খালিদ পলাশ বলেন, এটি ডিজাইন করেছিলাম বাণিজ্যিক ভবন হিসেবে। আমি কোনোভাবেই সেটি কেমিক্যাল গুদাম হিসেবে ডিজাইন করেনি।

একই অবস্থা ধানমন্ডিসহ রাজধানীর বেশিরভাগ ভবনের। রাজধানীতে প্রকৃত অর্থে কেমন ভবন নির্মাণ হওয়া উচিত? এ প্রশ্নে এই স্থপনি জানান, সর্বোচ্চ ১০ ভাগ রেস্তোরাঁ থাকতে পারবে একটি সুউচ্চ বানিজ্যিক ভবনে।

তিনি বলেন, ভবনে রেস্টুরেন্ট দেয়ার ক্ষেতে একটি মাত্রা নিদির্ষ্ট করে দেয়া উচিত। ১০০ পার্স্টেন্ট কোনোভাবেই নয়। এই কালাচার আমি কোথাও দেখিনি। সাম্প্রতিক বাংলাদেশে শুরু হয়েছে। 

তাহলে এগুলো দেখবে কারা? সরকারের কয়েকটি সংস্থা এর তদারকির দায়িত্বে থাকলেও শুধু খাবারে ভেজালবিরোধি অভিযানেই সারা। ফায়ার সার্ভিসের সাবেক ডিজি ব্রি.জে. আবু নাঈম মো. শহীদুল্লাহ বলছেন, সরকারি সংস্থার উদাশীনতা ও আইন না মানার প্রবনতা বাড়াচ্ছে সংকট।

রাজধানীর ৫ হাজারের বেশি রেস্তোরাঁ থাকলেও ফায়ার সার্টিফিকেট আছে হাজার খানিকের। অন্যান্য সংস্থার অনুমোদনের ধারধারে না কেউ।