শেয়ার বাজার

১০ ও ৩০ কাউন্ট সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের নির্দেশ

প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

১০ ও ৩০ কাউন্ট সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের নির্দেশ

দেশীয় স্পিনিং শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষা, রপ্তানি খাতে মূল্য সংযোজন বাড়ানো এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পে ব্যবহৃত ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

পাশাপাশি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে বিল অব এন্ট্রিতে কটন ইয়ার্নের কাউন্ট স্পষ্টভাবে উল্লেখ নিশ্চিত করতে এবং এইচএস কোডের অপব্যবহাররোধে কঠোর নজরদারির নির্দেশনা দিয়েছে। মন্ত্রণালয় মনে করে, এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে দেশীয় টেক্সটাইল শিল্প সুরক্ষিত হবে এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় বাংলাদেশের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী হবে।

গত ১২ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিবউটিও সেল-২ থেকে এক চিঠিতে এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) আহ্বানের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে শিল্পের সুরক্ষা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশীয় সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কাস্টমস ট্যারিফের এইচএস হেডিং ৫২.০৫, ৫২.০৬ ও ৫২.০৭-এর আওতায় ১০ ও ৩০ কাউন্টের সুতায় বন্ড সুবিধা থাকায় গত কয়েক বছরে আমদানি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে এসব এইচএস হেডিংয়ের আওতায় সুতা আমদানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৬ হাজার মেট্রিক টন, যার মূল্য ছিল প্রায় ১ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৪১ হাজার মেট্রিক টনে এবং মূল্য ছাড়িয়ে যায় প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম দিকের প্রবণতাও ঊর্ধ্বমুখী, যেখানে আমদানির পরিমাণ ও মূল্য দুটিই উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বন্ড সুবিধা বন্ধের ব্যাখ্যায় চিঠিতে বলা হয়েছে, বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্ত বা স্বল্প শুল্কে আমদানি করা নিম্ন কাউন্টের সুতা দেশীয় বাজারে তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হচ্ছে, ফলে স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলো প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। বর্তমানে দেশীয় স্পিনিং মিলগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও বাস্তবে তারা মাত্র ৬০ শতাংশ সক্ষমতা ব্যবহার করে উৎপাদন চালাচ্ছে, যা শিল্পটির আর্থিক টেকসই অবস্থানকে দুর্বল করে দিচ্ছে।

অন্যদিকে, সুতা আমদানির এই প্রবণতার কারণে দেশীয় উৎপাদিত সুতার বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, এরই মধ্যে প্রায় ৫০টি স্পিনিং মিল বন্ধ হয়ে গেছে এবং আরও অনেক প্রতিষ্ঠান লোকসানের মুখে পড়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরও মিল বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ উভয়ের জন্যই নেতিবাচক।

এছাড়া সুতা আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের গার্মেন্টস খাতকে ধীরে ধীরে আমদানিনির্ভর করে তুলছে। এতে দেশের টেক্সটাইল ভ্যালু চেইনের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ দুর্বল হচ্ছে এবং দীর্ঘমেয়াদে শিল্প কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী বাস্তবতার কথা তুলে বলেছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণ ঘটালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মতো প্রধান রপ্তানি বাজারে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা অনেকাংশে হারাতে হবে। তখন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, সেপা ও জিএসপি প্লাস সুবিধা পেতে হলে রপ্তানি পণ্যে ৪০ থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত স্থানীয় মূল্য সংযোজন এবং ডাবল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক হবে। আমদানি করা সুতার ওপর নির্ভরতা থাকলে এসব শর্ত পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে জানানো হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রনালয়, মনে করে বন্ড সুবিধা অব্যাহত থাকলে দেশীয় শিল্পে নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হবে এবং উৎপাদন ব্যয় ও লিড টাইম বেড়ে যাওয়ার কারণে রপ্তানি খাতের সামগ্রিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হ্রাস পাবে। বিপরীতে, নিম্ন কাউন্টের সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার করা হলে দেশীয় স্পিনিং শিল্পে ভারসাম্য ফিরে আসবে, স্থানীয় উৎপাদন বাড়বে এবং কর্মসংস্থান সুরক্ষিত হবে।

জ্বালানি উপদেষ্টা
নতুন পে-স্কেল অন্তর্বর্তী সরকার বাস্তবায়ন করবে না

প্রকাশিত: ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬

নতুন পে-স্কেল অন্তর্বর্তী সরকার বাস্তবায়ন করবে না

অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না বলে স্পষ্ট করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, পে-কমিশনের প্রতিবেদন শুধু গ্রহণ করা হয়েছে, বাস্তবায়নের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার চাইলে এ সিদ্ধান্ত বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি এবং অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি একথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে পে-কমিশনের দাবি ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় একটি স্বাধীন পে-কমিশন প্রতিবেদন দিয়েছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ মাত্র সীমিত সময়ের হওয়ায় এই সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়নে যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সুপারিশগুলো পরীক্ষা–নিরীক্ষার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা আর্থিক সক্ষমতা, মূল্যস্ফীতি ও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের বিষয়গুলো বিবেচনা করে মতামত দেবে।

পরবর্তী সরকার চাইলেই কি এ সুপারিশ বাতিল করতে পারবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, পরবর্তী সরকার যে কোনো কিছু করতে পারে। এ সরকার যেমন একটি নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। পরবর্তী সরকার ঠিক একইভাবে ক্ষমতাপপ্রাপ্ত ওরা যেকোনো কিছু করতে পারে।

কমিটির যে সুপারিশ দিয়েছে তা বাস্তবায়ন করতে গেলে এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। এই ব্যয়ের অর্থের সংস্থান কোথায় থেকে হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের যে কথা আপনারা বলছেন সেটা হবে যদি পে-কমিশনের সুপারিশ হুবহু বাস্তবায়ন করা হয় এবং একই সময়ে যদি সব বাস্তবায়ন করা হয়।

তিনি বলেন, আমি সরকারি কর্মকর্তা ছিলাম, বাস্তবতা হলো এ ধরনের পে-কমিশন একসঙ্গে সব বাস্তবায়িত হয় না, পর্যায়ক্রমে হয়। সম্ভবত একটি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে। অর্থের সংস্থান কিভাবে হবে, সেটিও সংশ্লিষ্ট কমিটি খতিয়ে দেখবে।

এ ধরনের সুপারিশ দিয়ে যাওয়ার কারণে পরবর্তী সরকারের জন্য চাপ হবে কি না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা একটি সীমিত সময়ের সরকার। আমরা অনেক কাজ করছি যাতে আগামী সরকার উপকৃত হয়।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন পে-কমিশন নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে একটা ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছিল। বিক্ষোভ হয়েছিল, নানা রকম। যাতে নতুন সরকার এসে এ ধরনের একটি অচল অবস্থা সম্মুখীন না হয়, আমরা চাচ্ছি নতুন যে সরকার আসবে তাদের যাত্রাপথ স্মুথ হয়। যেই সরকারই আসুক।

সুপারিশ গ্রহণ না করে এটা তো আপনারা পরবর্তী সরকারের জন্য রেখে যেতে পারতেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা কোন সুপারিশ গ্রহণ করিনি। শুধু রিপোর্টটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং সুপারিশ পরীক্ষার জন্য শুধু একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে।


কোরবানির চামড়ার দাম বেড়েছে প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬

কোরবানির চামড়ার দাম বেড়েছে প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। এ বছর ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম গত বছরের তুলনায় ২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এ বছর ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছর ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। ঢাকার বাইরে এ দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা, যা গত বছর ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা।

বুধবার (১৩ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘কোরবানি সম্পর্কিত বিষয়াদির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ কমিটির’ সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানানো হয়। এদিকে, খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বকরির চামড়ার দাম ২২ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দাম ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সমানভাবে কার্যকর হবে। সভা শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চামড়া সংরক্ষণের জন্য এবারও সরকার ১৭ কোটি ৬০ লাখ টাকার লবণ বিনামূল্যে বিতরণ করবে। প্রতিটি এলাকায় ব্যবসায়ী এবং মসজিদ-মাদরাসার মাধ্যমে চামড়া সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আগামী কোরবানির ঈদে কোনো চামড়া যেন নষ্ট না হয়, সে জন্য আমরা কাজ করছি। প্রতিটি জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট মসজিদ-মাদরাসার প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দেবে। তারা কোরবানির পর চামড়া সংরক্ষণ করবেন।

এর আগে, বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি সভাপতিত্বে কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম অংশ নেন। বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘কোরবানি সম্পর্কিত বিষয়াদির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ কমিটির’ সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখছেন বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, এমপি। 


সোনার দাম আরও কমলো, ভরি ২৫১১৮৪ টাকা

প্রকাশিত: ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সোনার দাম আরও কমলো, ভরি ২৫১১৮৪ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম আরও কিছুটা কমানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম কমানো হয়েছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম কমানো হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গতকাল রাতে ঘোষণা দিয়ে আজ থেকে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম কমানো হয় ১ হাজার ৯২৫ টাকা। রাতের সিদ্ধান্তের পর সকাল হতেই এখন দাম আরও কমানোর সিদ্ধান্ত আসলো।

এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৬ হাজার ২৯৮ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৫ হাজার ৫২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।

এর আগে গতকাল ঘোষণা দিয়ে আজ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৮৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৫২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৬৩৩ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৩৪১ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৬৯ টাকা। আজ সকাল ১০টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।

সোনার দাম কমানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।