শেয়ার বাজার

বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের সিলেট বিভাগীয় কমিটি ঘোষণা
অধ্যাপক শফিকুর রহমান সভাপতি, আমিরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক ও কয়েছ আহমদ সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

অধ্যাপক শফিকুর রহমান সভাপতি, আমিরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক ও কয়েছ আহমদ সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত

বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা ও অধিকার রক্ষায় কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ-এর সিলেট বিভাগীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত আলোচনা সভায় ১৭ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে অধ্যাপক এম. শফিকুর রহমানকে সভাপতি, সাংবাদিক মো. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়াকে সাধারণ সম্পাদক এবং কয়েছ আহমদ সাগরকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি অধ্যাপক এম. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ ইউকে-এর আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও কমিউনিটি নেতা শাহ মুনিম। তিনি নবগঠিত ১৭ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটির নাম ঘোষণা করেন।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহ মুনিম বলেন, প্রবাসীদের বিভিন্ন হয়রানি ও সমস্যার বিষয়ে আমাদের সবাইকে আরও সোচ্চার হতে হবে। অন্যথায় আগামী প্রজন্মের মধ্যে দেশে ফেরার আগ্রহ কমে যেতে পারে।

তিনি আরও বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রবাসীদের শ্রম ও অবদানের যথাযথ মর্যাদা দিয়ে তাদের নানা সমস্যা সমাধানে সরকারকে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

ঘোষিত কমিটির অন্যান্যরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ইদ্রিস আলী, সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন খান, অ্যাডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি, মেহরাব মুনিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিন পারভেজ, কোষাধ্যক্ষ মো. বেলাল উদ্দিন, সহকারী কোষাধ্যক্ষ শফিকুর রহমান শফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক কয়ছর আহমদ সাগর, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ দেলওয়ার আহমদ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলানা মো. হাবিবুর রহমান, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক এম. রহমান ফারুক, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাওসার আহমদ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মতিউর রহমান শিমুল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রোজিনা আক্তার শিপা এবং নির্বাহী সদস্য এস. এম. শাব্বীর আমিন তাহমিদ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এস. এম. আব্দুল গফুর মান্না, হাফিজ মাওলানা আইয়ুব আলীসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


৭ দিনে প্রবাসী আয় ৯ হাজার কোটি টাকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ মে, ২০২৫

৭ দিনে প্রবাসী আয় ৯ হাজার কোটি টাকার

দেশ থেকে অর্থপাচার কমেছে। কমেছে হুন্ডির দৌরাত্মও। আর এসব কারণে বৈধপথে বাড়ছে রেমিট্যান্স। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বেড়ে গেছে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের গতিপ্রবাহ। দেশের ইতিহাসে রেমিট্যান্স আসায় একের পর এক রেকর্ড হতে থাকে। সর্বোচ্চ এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে যথাক্রমে মার্চ ও এপ্রিলে।

রেমিট্যান্স আসার সেই ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে। চলমি মাস মে’র প্রথম সাত দিনেই ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ প্রায় ৯ হাজার কোটি (৮ হাজার ৯৬৭ কোটি) টাকা। আর প্রতিদিন আসছে ১০ কোটি ৫০ লাখ ডলার বা ১২৮১ কোটি টাকা। এভাবে রেমিট্যান্স এলে চলতি মাসে আবারও রেকর্ড হতে যাচ্ছে অর্থাৎ তিন বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, মে মাসের প্রথম সাত দিনে ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা তার আগের বছরের একই সময়ে (মে, ২০২৪) সাড়ে ১৩ কোটি ডলার বেশি। ২০২৪ সালের মে মাসের প্রথম সাত দিনে এসেছিল ৬০ কোটি ১০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স।

আর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকে মে মাসের সাতদিন পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ৫২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাসের সাতদিন পর্যন্ত এসেছিল এক হাজার ৯৭২ কোটি ডলার। সে হিসাবে গত অর্থবছরের তুলনায় এখন পর্যন্ত সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার বেশি এসেছে। অর্থবছরের হিসাবে চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত রেমিট্যান্স আসার প্রবৃদ্ধি ২৮.২ শতাংশ।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, আগস্টে এসেছে ২২২ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার, সেপ্টেম্বরে এসেছে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ, অক্টোবরে এসেছে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, নভেম্বর মাসে এসেছে ২২০ কোটি ডলার, ডিসেম্বরে এসেছে ২৬৪ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি ডলার, মার্চে ৩২৯ কোটি ডলার এবং সবশেষ এপ্রিলে আসে ২৭৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স।


প্রবাসী মোহাম্মদ শিলন মিয়ার দেশে আগমন
পশ্চিম ভবানীপুরে আনন্দের আবহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ জুন, ২০২৬

পশ্চিম ভবানীপুরে আনন্দের আবহ

নিজস্ব প্রতিবেদক:  প্রবাসী সমাজসেবী মোহাম্মদ শিলন মিয়া দীর্ঘদিন পর নিজ জন্মভূমি বাংলাদেশে এসেছেন। তিনি অদ্য ৩ জুন ২০২৬ তারিখে সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার পশ্চিম ভবানীপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে পৌঁছান। মোহাম্মদ শিলন মিয়া জাতীয় দৈনিক বর্তমান বাংলা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ টিভি-এর জগন্নাথপুর উপজেলা সংবাদদাতা সাংবাদিক সুমন মিয়ার ছোট ভাই। তাঁর দেশে আগমনের খবরে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসে অবস্থান করলেও তিনি সবসময় নিজ এলাকার মানুষের খোঁজখবর রাখেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে আসছেন। দেশে অবস্থানকালীন সময়েও তিনি এলাকার মানুষের কল্যাণে ও জনসেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসী জানান, মোহাম্মদ শিলন মিয়া অত্যন্ত ভদ্র, মেধাবী ও মানবিক গুণসম্পন্ন একজন ব্যক্তি। তাঁর সুন্দর আচরণ, আন্তরিকতা এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা ইতোমধ্যে এলাকার মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। ফলে তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

পশ্চিম ভবানীপুর গ্রামের বিশিষ্টজনরা আশা প্রকাশ করেন, দেশে অবস্থানকালে মোহাম্মদ শিলন মিয়া এলাকার উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন। তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক সফলতা কামনা করেছেন


সৌদিতে ভ্রমণ ভিসায় গিয়ে হজ পালনের চেষ্টা, আটক ৪২

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ মে, ২০২৫

সৌদিতে ভ্রমণ ভিসায় গিয়ে হজ পালনের চেষ্টা, আটক ৪২

সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী হজের নিয়ম লঙ্ঘন করায় অন্তত ৪২ জনকে আটক করেছে। তারা মূলত ভ্রমণ ভিসায় সৌদি গেছেন। হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে মক্কায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজের যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই এসব ব্যক্তি মক্কা শহরে প্রবেশ করেন। কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা শুরু করেছে। তাছাড়া এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সম্প্রতি সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনুমোদনহীনভাবে হজ করার চেষ্টা বা এমন কাজে সহায়তা করলেই কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে। এই নির্দেশনা কার্যকর হবে জিলক্বদের প্রথম দিন থেকে জিলহজের ১৪ তারিখ পর্যন্ত।

নতুন বিধান অনুযায়ী, অনুমতিপত্র ছাড়া হজ পালনের চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই শাস্তি শুধু স্থানীয়দের জন্য নয়, ভিসার যে কোনো ধরনে যারা মক্কা বা পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশ করবেন বা অবস্থান করবেন, তারাও এর আওতায় পড়বেন।

অবৈধভাবে প্রবেশকারী বা মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসাধারী যারা হজ করার চেষ্টা করবেন, তাদের গ্রেফতার করে সৌদি আরব থেকে বহিষ্কার করা হবে। পাশাপাশি আগামী ১০ বছরের জন্য দেশটিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে।