শেয়ার বাজার

সাউথ লিডস কমিউনিটি সেন্টারে
যুক্তরাজ্য বাংলাদেশী বসবাসকারীদের মিলন মেলার আয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ জুলাই, ২০২৬

যুক্তরাজ্য বাংলাদেশী বসবাসকারীদের মিলন মেলার আয়োজন

যুক্তরাজ্য লিডস বিষ্ঠন- আল মদিনা জামে মসজিদের সদ্য খরিদকৃত সাউথ লিডস বাংলাদেশি কমিউনিটি সেন্টার উপলক্ষে আল মদিনা জামে মসজিদ ম্যানেজমেন্ট কমিটি কর্তৃক এক আলোচনা সভা ও মধান্য ভোজের আয়োজন করা হয়। ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বিষ্ঠন, হলব্যাক ও মিডলটনের বাংলাদেশী বসবাসকারীদের নিয়ে এক মিলন মেলায় পরিণত হয়। আলমদিনা জামে মসজিদের সেক্রেটারি মো আবু খালেদের পরিচালনায় , সর্বপ্রথমে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন অত্র এলাকার বিশিষ্ট মুরুব্বী জনাব ড. মুজাহিদ,সভায় সভাপতিত্ব করেন আল মদিনা জামে মসজিদের সাবেক চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক জনাব পীর জিলানী সাহেব, এতে স্বাগতিক বক্তব্যে রাখেন অত্র মসজিদের ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ জহরুল ইসলাম, প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন শাহজালাল জামে মসজিদের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব আবুল আবেদীন সাহেব, বিশেষ বক্তব্য রাখেন আল মদিনা জামে মসজিদের চেয়ারমান জনাব আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন সাহেব এবং সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান ট্রেসারার মোহাম্মদ বাবুল আহমেদ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এলাকার স্থানীয় কাউন্সিলর, মো আব্দুল হান্নান, মুহাম্মদ ইকবাল, জালাল উদ্দিন, মুরুব্বি ও বিশিষ্টজনদের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন শাহজালাল জামে মসজিদের চেয়ারম্যান জনাব বদর আহমেদ, হাজী আব্দুল ওয়াদুদ,হাজী আব্দুল তাহিদ,অত্র মসজিদের ট্রাস্টিবৃন্দ জনাব সৈয়দ হায়দার আলী, সৈয়দ রফিকুল হক, রফু মিয়া,ও ম্যানেজমেন্ট কমিটির সহকারী ট্রেসারার জিয়াউল হক এবং কার্যকরী সদস্য হাজী হাসন আলী, জাকির হোসেন, জামাল হুসাইন, সাবাজ আলী, হাজী নাসির উদ্দিন খান, কমর উদ্দিন, মাসুম আহমেদ ও প্রমুখ। পরে অনুষ্ঠানের সভাপতি পীর জিলানী সাহেবের এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতামুলক ও শুকুরানা বক্তব্যের পর অত্র মসজিদের খতিব জনাব হাফিজ হামিদ আলী সাহেবের বিশেষ মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শতশত মানুষের মধান্য ভোজের শেষে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয় ।


অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে মালদ্বীপে জোরালো অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৫

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে মালদ্বীপে জোরালো অভিযান

মালদ্বীপে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ১৫০৭টিরও বেশি অভিবাসন মামলা নথিভুক্ত হয়েছে।

এর মধ্যে ৯৭৬টি মামলা ইমিগ্রেশন বিভাগ দিয়েছে। তবে এখনো ২৪৪টি মামলা যাচাই করা হয়নি এবং ১১৬টি মামলা তদন্তাধীন বলে জানা গেছে। এছাড়াও, ইমিগ্রেশন সংস্থার বাইরে থেকে ১৭১টি মামলা দায়ের হয়েছে।

শুধু অবৈধ অভিবাসীদের ধরপাকড় নয় বরং শহর, আবাসিক এলাকা, শিল্প গ্রাম ও কৃষি গ্রামে অবস্থানরত বিদেশিদের তথ্য সংগ্রহ করতে মাঠপর্যায়ে অভিযান চালাচ্ছে ইমিগ্রেশন বিভাগ। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্য প্রস্তুতকারী সাইটগুলোতে নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য আলাদা অপারেশনও চালু করা হয়েছে।

বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে মালদ্বীপে সব বিদেশি নাগরিকের তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেসে সংরক্ষণ করা। আগামী তিন বছরের মধ্যে অভিবাসন সমস্যার পূর্ণ সমাধান হয়ে যাবে বলে স্থানীয় গণমাধ্যকে জানানো হয়েছে।


সৌদি আরবে কর্ম ক্ষেত্রে নারীর সংখ্যা বেড়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

সৌদি আরবে কর্ম ক্ষেত্রে নারীর সংখ্যা বেড়েছে

সৌদি আরবে নারী কর্মশক্তির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, যা ২০১৬ সালের ১৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে মোট মানবসম্পদের ৩৬ শতাংশ হয়েছে।

সৌদি আরবে কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে, ফলে উপকৃত হচ্ছে দেশটির অর্থনীতি। ইতোমধ্যে দেশটির অর্থনীতিতে সেই উদ্যোগের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বলে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের গবেষণায় দেখা গেছে, সৌদি আরবে নারী কর্মশক্তির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, যা ২০১৬ সালের ১৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে মোট মানবসম্পদের ৩৬ শতাংশ হয়েছে। এই অগ্রগতি ভিশন-২০৩০ এর ৩০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে।

সৌদির সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের ভিশন-২০৩০ উদ্যোগের লক্ষ্য নারী কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা।

এছাড়াও, সৌদি আরবে নারী শিক্ষারও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০২০ সালে ২৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রায় ৩২ শতাংশ নারী কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ২০১৭ সাল যা ছিল ২৬ শতাংশ।

এদিকে ফার্স্ট আবুধাবি ব্যাংক (এফএবি) ও ওয়েলথব্রিফিং প্রকাশিত এক গবেষণায় জানানো হয়েছে, নারীদের সম্পদ বৃদ্ধি মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনছে।

'উইনিং উইমেন ইন মেনা: হাউ ওয়েলথ ম্যানেজারস ক্যান হেল্প ফারদার ফিমেল এমপাওয়ারমেন্ট' শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ খাতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি দায়ী।

এতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ করে সৌদি আরবে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, এই অঞ্চলে প্রতি তিনটি নতুন ব্যবসার মধ্যে একটির উদ্যোক্তা নারী।

এফএবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামিরা জাকুর বলেন, 'গত ২০ বছরে আমি অনেক নারীকে এই অঞ্চলের পারিবারিক ব্যবসাকে শীর্ষে নিয়ে যেতে দেখেছি। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা মূলধন বিনিয়োগের আগে অনেকের মতামত শোনেন। তারা প্রায়ই কম ঝুঁকিপূর্ণ খাতে বিনিয়োগ করেন, ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আরও ভালো আয়ের দিকে পরিচালিত হয়।'