শেয়ার বাজার

প্রবাসী মোহাম্মদ শিলন মিয়ার দেশে আগমন
পশ্চিম ভবানীপুরে আনন্দের আবহ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

পশ্চিম ভবানীপুরে আনন্দের আবহ

নিজস্ব প্রতিবেদক:  প্রবাসী সমাজসেবী মোহাম্মদ শিলন মিয়া দীর্ঘদিন পর নিজ জন্মভূমি বাংলাদেশে এসেছেন। তিনি অদ্য ৩ জুন ২০২৬ তারিখে সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার পশ্চিম ভবানীপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে পৌঁছান। মোহাম্মদ শিলন মিয়া জাতীয় দৈনিক বর্তমান বাংলা ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল তালাশ টিভি-এর জগন্নাথপুর উপজেলা সংবাদদাতা সাংবাদিক সুমন মিয়ার ছোট ভাই। তাঁর দেশে আগমনের খবরে পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসে অবস্থান করলেও তিনি সবসময় নিজ এলাকার মানুষের খোঁজখবর রাখেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে আসছেন। দেশে অবস্থানকালীন সময়েও তিনি এলাকার মানুষের কল্যাণে ও জনসেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসী জানান, মোহাম্মদ শিলন মিয়া অত্যন্ত ভদ্র, মেধাবী ও মানবিক গুণসম্পন্ন একজন ব্যক্তি। তাঁর সুন্দর আচরণ, আন্তরিকতা এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসা ইতোমধ্যে এলাকার মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। ফলে তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

পশ্চিম ভবানীপুর গ্রামের বিশিষ্টজনরা আশা প্রকাশ করেন, দেশে অবস্থানকালে মোহাম্মদ শিলন মিয়া এলাকার উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন। তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক সফলতা কামনা করেছেন

ফ্রান্সে জরিমানা গুনলেন বাংলাদেশি অভিবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৫

ফ্রান্সে জরিমানা গুনলেন বাংলাদেশি অভিবাসী

ফ্রান্সে অনিয়মিতভাবে প্রবেশ করার দায়ে এক বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীকে অর্থদণ্ড দিয়েছে দেশটির ব্রেস্ট শহরের একটি আদালত। ৩১ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি ধর্মীয় কারণে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।

ফরাসি গণমাধ্যম ওয়েস্ট ফ্রন্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ পাড়ি দিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয়ের খোঁজে ফ্রান্সে এসেছেন বলে সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন।

যদিও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কারণে সাক্ষাৎকারে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে তার আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ওই বাংলাদেশি অভিবাসী ২০২৪ সালের ১২ জুলাই অন্য তিনজন অভিবাসীর সঙ্গে একটি ট্রাকের পেছনে লুকিয়ে ফ্রান্সে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু ফ্রান্সের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রোস্কফ শহরে সীমান্ত পুলিশের হাতে আটক হয়েছিলেন।

ট্রাকটি যুক্তরাজ্য থেকে আসছিলো। চালক ছিলেন রোমানিয়ার নাগরিক। তদন্তকারীদের চালক বলেছিলেন, এক পাচারকারীর চাপে পড়ে অভিবাসীদের ফ্রান্সে নিয়ে আসতে রাজি হয়েছিলেন তিনি। এজন্য তাকে আটশো ইউরো দেওয়া হয়েছিলো।

অনিয়মিত প্রবেশের দায়ে অভিযুক্ত বাংলাদেশি নাগরিক আদালতে বলেছেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের হওয়ার কারণে নিরাপত্তার অভাবে দেশ ছেড়েছেন।

তিনি বলেন, আমি আমার ধর্মের কারণে ঝুঁকিতে ছিলাম। আমি এখানে শান্তিতে বাঁচতে চাই। বর্তমানে ওই ব্যক্তি বৃহত্তর প্যারিসের সারসেল শহরে একটি এনজিওর সহায়তায় বসবাস করছেন। বর্তমানে তার ফ্রান্সের কাজের অনুমতি না থাকায় তিনি এখনও কোনো পেশায় যুক্ত হতে পারেননি।

ব্রেস্ট শহরের আদালত তার অনিয়মিত প্রবেশের বিষয়টি বিবেচনায় নিলেও আপাতত কঠোর শাস্তি আরোপ করেনি।

বরং মানবিক দিক বিবেচনায় রেখে শর্ত সাপেক্ষে ১৫০ ইউরো অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। অর্থাৎ, ভবিষ্যতে আর কোনো ফৌজদারি অপরাধে না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলে তাকে এই জরিমানা পরিশোধ করতে হবে না।

কিন্তু শর্ত ভঙ্গ করলে পরবর্তীতে কঠিন জরিমানার মুখোমুখি করা হতে পারে।

ইতালি, ব্রিটেন ও স্পেনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে অনিয়মিত উপায়ে ফ্রান্সে প্রবেশ করে পুলিশের হাতে ধরা পড়লে সাধারণত জরিমানা আরোপ করে থাকে ফরাসি কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রোতাইয়ো অনিয়মিতভাবে ফ্রান্সে প্রবেশ ছাড়াও বসবাসকেও অপরাধ হিসেবে সাব্যস্ত করতে চান বলে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে উল্লেখ করেছেন।

২০১২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সে অনিয়মিত উপায়ে বসবাস করা আইনিভাবে সাজার আওতাধীন ছিল।

পরবর্তীতে সোশ্যালিস্ট পার্টি থেকে নির্বাচিত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া অলান্দ এ ব্যবস্থাটি বাতিল করে নতুন অভিবাসন আইনের অনুমোদন দিয়েছিলেন। এখনও সেই সিদ্ধান্তটি বহাল রয়েছে।

ডান এবং অতি ডানপন্থিরা অনুমোদনবিহীন বসবাসকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করার কথা বলে আসছে।

ফ্রান্সের ডানপন্থি সংসদ সদস্যরা ২০২৪ সালের জানুয়ারির অভিবাসন আইনে এই ব্যবস্থাটি অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সাংবিধানিক কাউন্সিল তা বাতিল করে দিয়েছিল।

পরে ২০২৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি এ বিষয়ে একটি বিল উত্থাপন করা হয়।

এই প্রস্তাব কার্যকর হলে ফ্রান্সে অনিয়মিতভাবে বসবাসকারী অভিবাসীদের জরিমানা এবং ফরাসি ভূখণ্ড থেকে বিতাড়নের মতো শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। তবে জরিমানা আরোপ নিয়ে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি পরে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।

সূত্র: ইনফোমাইগ্রেন্টস


বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের সিলেট বিভাগীয় কমিটি ঘোষণা
অধ্যাপক শফিকুর রহমান সভাপতি, আমিরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক ও কয়েছ আহমদ সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ জুন, ২০২৬

অধ্যাপক শফিকুর রহমান সভাপতি, আমিরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক ও কয়েছ আহমদ সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত

বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা ও অধিকার রক্ষায় কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ-এর সিলেট বিভাগীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত আলোচনা সভায় ১৭ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে অধ্যাপক এম. শফিকুর রহমানকে সভাপতি, সাংবাদিক মো. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়াকে সাধারণ সম্পাদক এবং কয়েছ আহমদ সাগরকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।
‎

প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি অধ্যাপক এম. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী এহিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ ইউকে-এর আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও কমিউনিটি নেতা শাহ মুনিম। তিনি নবগঠিত ১৭ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটির নাম ঘোষণা করেন।
‎

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহ মুনিম বলেন, প্রবাসীদের বিভিন্ন হয়রানি ও সমস্যার বিষয়ে আমাদের সবাইকে আরও সোচ্চার হতে হবে। অন্যথায় আগামী প্রজন্মের মধ্যে দেশে ফেরার আগ্রহ কমে যেতে পারে।
‎

তিনি আরও বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রবাসীদের শ্রম ও অবদানের যথাযথ মর্যাদা দিয়ে তাদের নানা সমস্যা সমাধানে সরকারকে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
‎

ঘোষিত কমিটির অন্যান্যরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ইদ্রিস আলী, সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন খান, অ্যাডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি, মেহরাব মুনিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিন পারভেজ, কোষাধ্যক্ষ মো. বেলাল উদ্দিন, সহকারী কোষাধ্যক্ষ শফিকুর রহমান শফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক কয়ছর আহমদ সাগর, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ দেলওয়ার আহমদ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলানা মো. হাবিবুর রহমান, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক এম. রহমান ফারুক, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাওসার আহমদ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মতিউর রহমান শিমুল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রোজিনা আক্তার শিপা এবং নির্বাহী সদস্য এস. এম. শাব্বীর আমিন তাহমিদ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এস. এম. আব্দুল গফুর মান্না, হাফিজ মাওলানা আইয়ুব আলীসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।



সৌদিতে ভ্রমণ ভিসায় গিয়ে হজ পালনের চেষ্টা, আটক ৪২

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ মে, ২০২৫

সৌদিতে ভ্রমণ ভিসায় গিয়ে হজ পালনের চেষ্টা, আটক ৪২

সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী হজের নিয়ম লঙ্ঘন করায় অন্তত ৪২ জনকে আটক করেছে। তারা মূলত ভ্রমণ ভিসায় সৌদি গেছেন। হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে মক্কায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজের যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই এসব ব্যক্তি মক্কা শহরে প্রবেশ করেন। কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা শুরু করেছে। তাছাড়া এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সম্প্রতি সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনুমোদনহীনভাবে হজ করার চেষ্টা বা এমন কাজে সহায়তা করলেই কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হবে। এই নির্দেশনা কার্যকর হবে জিলক্বদের প্রথম দিন থেকে জিলহজের ১৪ তারিখ পর্যন্ত।

নতুন বিধান অনুযায়ী, অনুমতিপত্র ছাড়া হজ পালনের চেষ্টা করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই শাস্তি শুধু স্থানীয়দের জন্য নয়, ভিসার যে কোনো ধরনে যারা মক্কা বা পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশ করবেন বা অবস্থান করবেন, তারাও এর আওতায় পড়বেন।

অবৈধভাবে প্রবেশকারী বা মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসাধারী যারা হজ করার চেষ্টা করবেন, তাদের গ্রেফতার করে সৌদি আরব থেকে বহিষ্কার করা হবে। পাশাপাশি আগামী ১০ বছরের জন্য দেশটিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে।