শেয়ার বাজার

শাবিপ্রবির আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

শাবিপ্রবির আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীদের সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়ার আলোচিত ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রকাশিত আদেশে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট আবাসিক হলগুলোতে ঘটে যাওয়া ঘটনার কারণ, প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ খতিয়ে দেখতে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সুপারিশও প্রদান করবে কমিটি। তদন্ত শেষে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়া হবে।
কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ভৌত বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আহমদ কবির চৌধুরীকে। এছাড়া সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমান, ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, শাহপরান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমদ এবং ফাতিমা-তুজ-জাহরা হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইসমত আরা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। গত ৭ মে শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের নেতারা উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে ৪৮ কর্মঘণ্টার মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বানও জানানো হয়। স্মারকলিপিতে তারা অভিযোগ করেন, আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়ার ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. আহমদ কবির চৌধুরী বলেন, তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন এবং আনুষ্ঠানিক চিঠিও হাতে পেয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাওয়ার পর কমিটির কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২০২৪ সালের আগস্টে সৃষ্ট অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সময় আবাসিক হলগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় বিভিন্ন অভিযোগ ও চাপের মুখে অনেক শিক্ষার্থী হল ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে নতুন প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষার্থীদের জন্য পুনরায় আসন বরাদ্দের কার্যক্রম চালু করা হয়।
ঘটনার দীর্ঘ সময় পর তদন্ত কমিটি গঠন করায় বিষয়টি আবারও ক্যাম্পাসে আলোচনায় এসেছে। সংশ্লিষ্টদের অনেকে মনে করছেন, তদন্তের মাধ্যমে ওই সময়ের পরিস্থিতি ও দায়ীদের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।


শাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলামকে ওসমানী বিমানবন্দরে সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ মে, ২০২৬

শাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলামকে ওসমানী বিমানবন্দরে সংবর্ধনা


শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য পদে বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়ায় নবনিযুক্তউপাচার্যকে ওসমানী বিমানবন্দরে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে| এসময় উপস্থিত ছিলেন শাবিপ্রবির শিক্ষক, শিক্ষার্থী,কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ|

শনিবার (২৩ মে) মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়| প্রজ্ঞাপনে সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ ¯ক্ষর করেন|

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৮৭-এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে| যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর অথবা অবসরগ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন| পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করা তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক থাকবে|







এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের একটিও নেই, ঢাবির অবস্থান ১৮৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ জুন, ২০২৩

এশিয়ার সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের একটিও নেই, ঢাবির অবস্থান ১৮৬

তবে শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য প্রতিবেশী দেশ ভারতের ৪টি ও পাকিস্তানের ১টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী 'টাইমস হায়ার এডুকেশন' প্রকাশিত 'এশিয়া ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৩'- এ সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বাংলাদেশের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম আসেনি।

তবে শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য প্রতিবেশী দেশ ভারতের ৪টি ও পাকিস্তানের ১টি বিশ্ববিদ্যালয় আছে।

তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১৮৬তম। আর ১৯২তম অবস্থানে আছে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। র‍্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শীর্ষে আছে চীনের সিংহুয়া ও পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়। আর এশিয়ার সেরা দশের মধ্যে চীনের ৪টি, হংকংয়ের ৩টি, সিঙ্গাপুরের ২টি ও জাপানের ১টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

এ বছর ১৩টি বিষয়কে পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর বিবেচনায় নিয়ে এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তালিকা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠদান, মৌলিক গবেষণা, জ্ঞান বিতরণের পদ্ধতি, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গিসহ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে এবারের তালিকায়।


শাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ মে, ২০২৬

শাবিপ্রবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম


শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য পদে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম। শনিবার (২৩ মে) মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষর করেন।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৮৭-এর ১১(১) ধারা অনুযায়ী তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর অথবা অবসরগ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করা তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক থাকবে।

নিয়োগ পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম বলেন, সরকার তাঁর ওপর যে গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছে সে জন্য তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও বৃহত্তর স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে এই যাত্রায় সবার দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন নতুন উপাচার্য।

দীর্ঘ শিক্ষকজীবন ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা

অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম ২০০৩ সালে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেসে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন। পরের বছরই ২০০৪ সালে শাবিপ্রবির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে যোগ দেন। সেখান থেকে ধাপে ধাপে সহকারী অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকের পদ পেরিয়ে বর্তমানে পূর্ণ অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
প্রশাসনিক দায়িত্বেও তাঁর অভিজ্ঞতা দীর্ঘ। ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ব্যবসায় প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ওই সময়কালে অনুষদের একাডেমিক পরিকল্পনা, মান নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষক নিয়োগ ও উন্নয়ন, বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কার্যক্রমে সরাসরি নেতৃত্ব দেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত ইরাসমাস কর্মসূচির আওতায় শাবিপ্রবিতে 'ফ্যামিলি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট' বিষয়ে আন্তর্জাতিক এমবিএ প্রোগ্রাম সফলভাবে পরিচালনায় তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

শিক্ষাজীবন ও মেধার স্বীকৃতি

১৯৭৬ সালে বগুড়া জেলার শাহজাহানপুর উপজেলার কেয়াড়ী পূর্বপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ড. খায়রুল ইসলাম। রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং রাজশাহী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করার পর কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনায় বিবিএ ও এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের মার্কেটিং বিভাগ থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
শিক্ষাজীবনে কৃতিত্বের ছাপ রেখেছেন প্রতিটি ধাপে। বিবিএ ও এমবিএ উভয় পর্যায়েই অনুষদে প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বিশেষ মেধাবৃত্তি, প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কার ও চ্যান্সেলর স্বর্ণপদকে ভূষিত হয়েছেন এই শিক্ষাবিদ।

গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা

গবেষণাক্ষেত্রে ড. খায়রুল ইসলামের মূল আগ্রহ টেকসই উন্নয়ন, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, কৌশলগত ব্যবস্থাপনা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা খাত নিয়ে। দেশি-বিদেশি জার্নালে তাঁর ২০টির বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি রয়েছে। যুক্তরাজ্য, পর্তুগাল, সাইপ্রাস, মালয়েশিয়া ও কম্বোডিয়াসহ বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন তিনি। একাধিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মূল বক্তা হিসেবেও বক্তব্য রেখেছেন। সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন এবং অক্সফোর্ডের সাঈদ বিজনেস স্কুলে অনুষ্ঠিত সম্মেলনেও তাঁর অংশগ্রহণ ছিল।

পেশাজীবী সংগঠনে সম্পৃক্ততা

শিক্ষকতা ও গবেষণার বাইরে পেশাজীবী সংগঠনেও সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন ড. খায়রুল ইসলাম। বর্তমানে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে শাবিপ্রবির সাদা দলভিত্তিক শিক্ষক ফোরামের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি।