শেয়ার বাজার

সিলেট-হবিগঞ্জ সড়কে
১০ দিনের জন্য পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

১০ দিনের জন্য পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদ: সিলেট-হবিগঞ্জ সড়কে বুধবার (৩ জুন) থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকা পরিবহন ধর্মঘট সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত করেছে জেলা পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। মঙ্গলবার (২ জুন) জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব জিকে গউছের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিষদের নেতারা জানিয়েছেন, আজ বুধবার শুরু হওয়ার কথা থাকা পরিবহণ ধর্মঘট আগামী ১২ জুন পর্যন্ত সাময়িক সময়ের জন্য কর্মসূচি স্থগিত থাকবে। তবে হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার সড়কে বাস চলাচল বন্ধ থাকবে বলেও জানিয়েছেন বাস মালিকরা।

এর আগে গত রবিবার (৩১ মে) হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব আবু মঈন চৌধুরী সোহেল এই ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ২ জুনের মধ্যে হবিগঞ্জের বাসগুলোকে আগের মতো মৌলভীবাজার হয়ে সিলেট রুটে চলাচলের সুযোগ নিশ্চিত করা না হলে ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটে চলাচলকারী বাসগুলোকে মৌলভীবাজারের কিছু মালিক ও শ্রমিক সংগঠন বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। এর ফলে দুই জেলার পরিবহন খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে এবং শত শত শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।


জমি ছাড়তে সাদ্দামের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

জমি ছাড়তে সাদ্দামের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন

নিজের কেনা জমির দখল ছাড়তে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন নগরীর দপ্তরীপাড়া রায়নগর প্রত্যয়-৮১নং বাসার বাসিন্দা মো. সমছু উদ্দিন খাঁন। এমনকি আদালতের নিষেধ অমান্য করে যখন তখন বড় অঘটন ঘটিয়ে তার জমি দখল হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।বুধবার (২০ মে) দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শাহপরাণ থানার দেবপুর প্রকাশ মুকিরপাড়ার মৃত রূপা মিয়ার ছেলে মঞ্জু মিয়ার কাছ থেকে সাফ কবালা দলিলে সিলেট সদরের দেবপুর মৌজার জে এল নং ৯৬, ১৩৬২ এসএ দাগের ৭৯৫নং খতিয়ানের ০.৭৮ একর ভূমি ক্রয় করেছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যাবতীয় খাজনাও প্রদান করছিলেন। তবে ২০১৭ সালে এস.এ রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরাধিকারীরা আপত্তি জানালে সিলেট সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) নামজারী বাতিল করার পর আমি তার আদেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) আদালতে নামজারী মামলা নং- ৪৭/২০১৭ দায়ের করি। পরে ২০২১ সালে এসএ রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরসুরীরা আমমোক্তারনামার মাধ্যমে তাদের স্বত্ত্বত্যাগ করেন এবং এই ভূমি বর্তমানে আমার দখলে রয়েছে। সেখানে ঘর গাছপালা আছে এবং আমার একজন কেয়ারটেকারও বসবাস করছেন।তিনি জানান, তার ক্রয় করা এই ভূমি দখলের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন শাহপরাণ থানার মিরাপাড়ার মৃত ছটু মিয়ার ছেলে রাশেদ আহমদ সাদ্দাম (মোবাইল  নং- ০১৭১১-৪৪০০১৮) ও তার সহযোগী একদল ভূমিখেকো চক্র। সাদ্দাম এই সম্পত্তি তার মৌরসী দাবি করে দখল না ছাড়লে আমাদের জীবন দুর্বিসহ করে তোলার হুমকি দিচ্ছে। তার এমন হুমকিতে আমি অসহায় বোধ করছি। তিনি আওয়ামী লীগ আমলে আওয়ামী লীগের বড় নেতা পরিচয় দিয়ে নানান অপকর্ম করে বেড়াতেন। তবে সরকার বদলের পর এখন তিনি বিএনপির ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা ইত্যাদি পরিচয়ে তার সেই অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি শাহপরাণ থানাপুলিশের সৌর্স বা পুলিশের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্কের কথা প্রচার করে গোটা এলাকার মানুষকে তটস্থ করে রেখেছেন। তিনি ও তার বাহিনীর যন্ত্রণায় সাধারণ মানুষের জীবন আজ দুর্বিসহ। তিনি ২৩ এপ্রিল পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ দিলেও শাহপরাণ থানাপুলিশ নির্বিকার। তারা অজ্ঞাত কারণে নিরব। তিনি জানান, ১৮ মে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২্ এর বিচারক এই ভূমির উপর ১৪৫ ধারায় স্থিতাবস্থা জারি করেছেন। একই সাথে সিলেট সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও শাহপরাণ থানার ওসি ও সার্ভেয়ার, উপজেলা ভূমি অফিস বা ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তাকে দখল বিষয়ক স্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। শাহপরাণ থানার ওসিকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তিনি আদালতের নির্দেশ মেনে কঠোরভাবে স্থিতাবস্থা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিশেষ করে সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার, শাহপরাণ থানার ওসিসহ সবার কঠোর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।এ ব্যাপারে জানতে রাশেদ আহমদ সাদ্দামের মোবাইলে একাধিকবার কল এবং হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ দিলেও তিনি কোনো জবাব দেন নি।সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন খাঁনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার নাতি রুহেল আহমদ।


বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু আহত ২

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু আহত ২

স্টাফ রিপোর্টার: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা-এ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহসানুল ইসলাম (১৭) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
নিহত আহসানুল উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের আলী রহমানের ছেলে। আহতরা হলেন— একই গ্রামের তাজ ইসলামের ছেলে শিমুল মিয়া (২০) ও আমজাদ হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন। গুরুতর আহত শিমুল মিয়াকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে দেলোয়ার হোসেন বাদাঘাট বাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদে কাজ করার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামড়াবন্দ গ্রামের সাজু মিয়ার নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদে কাজ করার সময় পল্লী বিদ্যুতের মূল লাইনের ওপর একটি রড পড়ে যায়। এতে আহসানুল ইসলাম, শিমুল মিয়া ও দেলোয়ার হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাদাঘাট বাজারে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহসানুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। শিমুল মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দেলোয়ার হোসেন বাড়িতে ফিরে যান।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল মিয়া বলেন, “আহসানুল এসএসসি পরীক্ষা শেষ করেছে। এত অল্প বয়সে এভাবে তার মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কষ্টের।” বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজমুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


লন্ডন প্রবাসীকে মোবাইল ফোনে হুমকি স্থানীয়দের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ মে, ২০২৬

লন্ডন প্রবাসীকে মোবাইল ফোনে হুমকি স্থানীয়দের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর (হাড়িকোনা) গ্রামের স্বজ্জন ব্যক্তিত্ব মানবতার ফেরিওয়ালা তালাশ টিভির উপদেষ্টা লন্ডন প্রবাসী সৈয়দ রফিকুল হক' কে মোবাইল ফোনে দেশে আসলে যুদ্ধ ঘোষনা করে দেখে নেওয়া ও বাড়ীঘর ভাংচুর করার হুমকি,এবং তাহার বিরুদ্ধে  মিথ্যা অপপ্রচার,  এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছন রফিকুল হক এর আত্নীয়-স্বজনসহ স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (২১মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদ লিপিতে তাহার পক্ষে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

খোজঁ নিয়ে জানাযায়, পারিবারিক বিরোধকে  কেন্দ্র  করে লন্ডন প্রবাসী রফিকুল হককে দূর্বল করতে  সৈয়দ জহুরুল ইসলাম ও সৈয়দ ফয়জুল ইসলাম মোবাইল ফোনে এই হুমকি দেন। প্রকৃত পক্ষে রফিকুল হক কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সরাসরি  যুক্ত নয়। তিনি গত ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি কে ভালো বেসে দেশে আসেন এবং ধানেরশীষের প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ করেন।  তিনি বিগত ১৫ বছর যাবৎ লন্ডনে একটি মসজিদের মোতওয়াল্লি হিসেবে সততার সহীত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী,  তিনি অনেক অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করে থাকেন। মানব সেবী ও সামজিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তাহার আলাদা পরিচয় রয়েছে। লন্ডন কমিউনিটিতে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।  এরকম একজন সৎ মানবতার ফেরিওয়ালা ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার সিনেমাকেও হারমানিয়েছে। স্থানীয়রা বলেন সৈয়দ রফিকুল হক দেশে আসলে তাহার নিরাপত্তা দিতে পুলিশ প্রশাসনের নিকট উধাত্ত আহবান জানান। তারা বলেন অবশ্যই  প্রশাসন নিরাপত্তার বিষয়টি গুরত্বসহকারে বিবেচনা করবে। সংবাদ প্রকাশের আগে তাহার বক্তব্য না নেওয়ায় স্বার্থের বিষয়টি পরিস্কার। একটি স্বার্থন্বেসী মহল নিজেদের আখের গোছাতে অন্যের ভালো কাজ সহ্য করতে না পেরে হুমকি ও অপপ্রচারে লিপ্ত।

এর আগে গত ১২ মে (মঙ্গলবার) দৈনিক জগন্নাথপুর পত্রিকায়পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে  “জগন্নাথপুরে নির্বাচনী বিরোধে এমপি কয়ছর আহমদের সমর্থকের উপর হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় সৈয়দ রফিকুল হক ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে যে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তাদের ভাষ্য, সৈয়দ জহর নিজেই পরিস্থিতিকে নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছেন।