শেয়ার বাজার

প্রশ্নবিদ্ধ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক সুনামগঞ্জ শাখা”
“ঘুষ, দালাল ও ঋণ অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

“ঘুষ, দালাল ও ঋণ অনিয়মের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: প্রবাসী অধ্যুষিত জেলা সুনামগঞ্জে প্রবাসীদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের সুনামগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মাহবুব মান্নান চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ঋণ বিতরণে অনিয়ম, দালালচক্রের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন, অফিসে অনিয়মিত উপস্থিতি এবং ঋণ সংক্রান্ত নথি ব্যবস্থাপনায় গাফিলতির অভিযোগ এনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগকারীদের দাবি, বর্তমান ব্যবস্থাপক দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ঋণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতার অভাব দেখা দিয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, তার পছন্দের কিছু ব্যক্তির মধ্যে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে দালালের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন ঋণগ্রহীতা জানান, ঋণ পেতে নির্দিষ্ট কিছু দালালের শরণাপন্ন হতে হয়। তাদের অভিযোগ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষের বিনিময়ে ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, শাখা ব্যবস্থাপক নিয়মিত অফিস সময় পালন করেন না। সরকারি নির্ধারিত সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত হলেও তিনি প্রায়ই দেরিতে অফিসে আসেন এবং সময়ের আগেই চলে যান। ফলে সেবাগ্রহীতাদের নানা ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ধর্মপাশা উপজেলার এক ঋণগ্রহীতার (ফাইল নং-১৩৫৫০৬০০২১৯) ঋণসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। অন্যদিকে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার একটি ঋণ ফাইল (নং-০১৩৫৫০৬০০০২১৪) নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দালালের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করে ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল এবং বর্তমানে ওই ঋণের কিস্তি আদায়ের ক্ষেত্রেও অনিয়ম পরিলক্ষিত হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ঋণগ্রহীতা জানান, সরকারের ঘোষিত সহজ শর্তে ও জামানতবিহীন ঋণ পাওয়ার সুযোগ বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর হচ্ছে না। তাদের অভিযোগ, ঋণ পেতে দালাল ও বিভিন্ন মহলের সুপারিশের প্রয়োজন হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষি ঋণ, এসএমই ঋণ এবং প্রবাসী পুনর্বাসন ঋণ কার্যক্রমও প্রত্যাশিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। এদিকে, বিদেশে কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের জন্য সরকারের ঘোষিত বিভিন্ন ঋণ সুবিধা বাস্তবে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক সেবাগ্রহীতা।

কয়েকজন অভিভাবক জানান, তাদের সন্তানদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আর্থিক সহায়তা বা ব্যাংক গ্যারান্টি সংক্রান্ত তথ্য জানতে ব্যাংকের শাখায় যোগাযোগ করলেও তারা সন্তোষজনক সাড়া পাননি। তাদের মতে, সরকারের ঘোষিত সুবিধা ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মধ্যে বড় ধরনের ফারাক রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক সুনামগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মাহবুব মান্নান চৌধুরী। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সত্য নয়। আমি নিয়মিত অফিস করি এবং ব্যাংকের সকল কার্যক্রম বিধি-বিধান মেনেই পরিচালিত হচ্ছে।” বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণসংক্রান্ত ঋণ সুবিধা বিষয়ে তিনি বলেন, “বর্তমানে বিদেশে ভাষা শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের জন্য ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে। অন্যান্য ঋণ কার্যক্রমও ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হয়।”

তবে সরকারের ঘোষিত সুবিধা ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মধ্যে যে বৈপরীত্যের অভিযোগ উঠেছে, তা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। এ ঘটনায় প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সেবাগ্রহীতারা।

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে
মিতা বেগম হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ জুন, ২০২৬

মিতা বেগম হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে মিতা বেগম হত্যা মামলার পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থেকে খাদিজা বেগমকে (২৩) গ্রেফতার করা হয়। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে গ্রেফতারকৃত খাদিজাকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। গ্রেফতারকৃত খাদিজা বেগম (২৩) সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের নতুন বাগবাড়ী এলাকার টিটু মিয়ার স্ত্রী। বুধবার দুপুরে এসব তথ্য জানায় র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, নিহত মিতা বেগম সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানাধীন বাগবাড়ি (কান্দাহাটি) এলাকার বাসিন্দা। গত ২৯ মে সন্ধ্যায় ভিকটিমের ফুপাতো ভাই উজ্জল মিয়া অলি মিয়ার কাছে তার পাওনা সাড়ে ৭ টাকা চাইতে গেলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে অন্যান্য বিবাদীগণসহ উজ্জল মিয়াকে লাঠিসোটা দিয়ে মারপিট করে মারাত্নক জখম করে। তখন জখমী উজ্জল মিয়ার চিৎকার শুনে ভিকটিম ও তার মা ঘটনাস্থলে এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। একই দিন আনুমানিক সন্ধ্যায় ভিকটিমের চিৎকার শুনে তার মাতা এগিয়ে এসে দেখতে পান বিবাদীগণ ভিকটিমকে মারপিট করে চুলের মুষ্টি ধরে টেনে ঘরের ভিতরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

এক পর্যায়ে বিবাদী টিটু মিয়া তার হাতে থাকা গাছের ডাল দিয়ে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে ভিকটিমের মাথার ডানপাশে আঘাত করলে ভিকটিম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বিবাদীদের মারপিটের কারনে ভিকটিম অজ্ঞান হয়ে পড়লে বিবাদীগণ ভিকটিমকে মৃত ভেবে ঘটনাস্থল হতে চলে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ভিকটিমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ভিকটিমকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০ মে রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের মাতা বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।



‘রেপ করতে গেলে অজ্ঞান হয়ে যায়, পরে গলাটিপে হত্যা করি’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ মে, ২০২৬

‘রেপ করতে গেলে অজ্ঞান হয়ে যায়, পরে গলাটিপে হত্যা করি’

সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হয়। ধর্ষণ চেষ্টাকালে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়লে পরে তাকে হত্যা করা হয়।

- চারবছরের এই শিশু হত্যার এমন রোহমর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া জাকির হোসেন। জাকির নিহত শিশু ফাহিমার প্রতিবেশি ও সর্কে চাচা। সোমবার রাতে তাকে সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে সিলেটের জালালাবাদ থানা পুলিশ।

জাকিরকে গ্রেপ্তারের পর তার শাস্তির দাবিতে মধ্যরাত পর্যন্ত থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে স্থানীয়রা। পরে জাকিরের বাড়িঘর ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধরা।

এরপর জাকিরের স্বীকারোক্তিমূলক একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তাকে ফাহিমাকে হত্যার বর্ণনা দিতে শোনা যায়।

ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে জাকির বলেন, ‘সকাল ১০টা/সাড়ে ১০টার দিকে ফাহিমাকে দুটি সিগারেট আনাই। তখন আমার ঘর খালি ছিলো। আমি তখন নেশাগ্রস্ত ছিলাম। আমি ইয়াবা খাই। তখন আমার মধ্যে কেনে যে অতো অমানুষ জাগিয়া উঠল, মেয়েটার প্রতি আমার খারার দৃষ্টি চলে যায়।’

জাকির আরও বলেন, ‘পরে মেয়েটাকে আমি রেপ (ধর্ষণ) করতে চাইছলাম (চাই), কিন্তু তখন সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এতে আমি ভয় পেয়ে যাই। ভয় পেয়ে গলা টিপে মেরে ফেলি। পরে ঘরের সুটকেসের ভেতরে রাখি। দুদিন পর দেখি গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে পরিবারের মানুষ জেনে যাবে এই চিন্তায় রাতে লাশ নদীতে ফেলে দেই।’

এই ভিডিও কোথায় ধারণ করা হয়েছে তা ণিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতে জাকিরকে গ্রেপ্তারের পর থানরে ভেতরেই এই ভিডিও ধারণ করা হয়। এসময় জাকিরকে আরও কয়েকজন জিজ্ঞাসাবাদ করতে শোনা গেছে।

তবে এই ভিডওর উৎস সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন সিলেটের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি )মুজাহিদুল ইসলাম।

আর সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) মনজুরুল আলম জানিয়েছেন, শিশু ফাহিমাকে হতা মামলার প্রধান আসামি জাকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।

নিহত শিশু ফাহিমা সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। রাইসুল হক স্থানীয় বাজারে একটি দোকানে দিনমজুরের কাজ করেন।

গত শুক্রবার বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার দুদিন আগে সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিলো।

সোমবার রাতে জাকিরকে গ্রেপ্তারের পর ফাহিমা হত্যার বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে যৌন নির্যাতন চালিয়ে ফাহিমাকে পরে হত্যা করে। এরপর স্ত্রীর ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে ফাহিমাকে ব্যাগে রাখেন জাকির। পরে সেই ওড়নাসহ বাদাঘাট এলাকার ডোবায় ফেলে দেন জাকির।


র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯-এর অভিযানে গোলাপগঞ্জে ৬ বোতল বিদেশি মদসহ আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯-এর অভিযানে গোলাপগঞ্জে ৬ বোতল বিদেশি মদসহ আটক ২

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের গোলাপগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৬ বোতল বিদেশি মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৯। মঙ্গলবার (১৯ মে ২০২৬) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার হেতিমগঞ্জ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

র‌্যাব-৯ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, একটি সিএনজিযোগে তামাবিল স্থলবন্দর এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ে গোলাপগঞ্জের দিকে আসছে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী। তথ্যের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে হেতিমগঞ্জের শাহপরান সেতু টোল প্লাজা সংলগ্ন বাইপাস মহাসড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল।

চেকপোস্টে একটি সিএনজিকে থামানোর সংকেত দিলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়িটি দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে সিএনজিসহ দুইজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা সিএনজিতে বিদেশি মদ থাকার কথা স্বীকার করে। তাদের দেখানো মতে একটি কার্টনের ভেতর থেকে ৬ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন—শেখ মো. তোফায়েল আহমেদ (২৬), পিতা: মো. রাজু মিয়া, সাং: দুশাসন, থানা: শায়েস্তাগঞ্জ, জেলা: হবিগঞ্জ এবং মো. গোলাম রব্বানী (৩০), পিতা: মৃত হোসেন মিয়া, সাং: বেলুপাড়া, থানা: জৈন্তাপুর, জেলা: সিলেট।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বিদেশি মদ সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিল। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের গোলাপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র‌্যাব-৯ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।