শেয়ার বাজার

১৯ মে থেকে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

১৯ মে থেকে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দয়েরের প্রতিবাদে সিলেট বিভাগে অনির্দিষ্টকালের সড়ক পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়েছে। ১৮ মে’র মধ্যে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার না হলে ১৯ মে থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহন শ্রমিক নেতারা। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির জরুরী সভায় এই কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়।

এরআগে গত ২৭ এপ্রিল দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত টার্মিনাল এলাকায় দফায় দফায় শ্রমিকদের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। সংঘর্ষে আহত দুই শ্রমিক পরে মারা যান। মারা যাওয়া শ্রমিক ছাবলু মিয়ার বাবা গত ৫ মে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ, সাবেক কোষাধ্যক্ষ সামছুল হক মানিক ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুর মিয়াসহ ২৯ নামের উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৬০ জনকে। এই মামলা প্রত্যাহারের দাবিতেই কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন পরিবহন শ্রমিক নেতারা।

বৃহস্পতিবারের সভায় ফেডারেশনের বিভাগীয় নেতৃবৃন্দের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ১৯ মে মঙ্গলবার ভোর ৬ টা থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালনের জন্য সর্বস্তরের পরিবহন শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানান তারা। সভায় ফেডারেশনের বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার প্রতিনিধিত্বশীল সড়ক পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সজিব আলীর পরিচালনা অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- সুনামগঞ্জ জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক, সুনামগঞ্জ জেলা ট্রাক পিকাপ কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফয়েজুর নুর, সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন, সুনামগঞ্জ জেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কালা মিয়া, মৌলভীবাজার জেলা ট্রাক পিকাপ কার্ভাড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি অদুদ আহমদ, সিলেট জেলা ট্রাক পিকাপ কার্ভড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি কাওসার আহমদ, কোষাধ্যক্ষ বাদল আহমদ, সিলেট জেলা সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক আজাদ মিয়া, সিলেট জেলা ইমা লেগুনা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ইনসান আলী, সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত আবুল, প্রচার সম্পাদক হারিছ আলী প্রমূখ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৭ এপ্রিল সিলেট কদমতলী বাস টার্মিনালে একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবহন শ্রমিকদের শীর্ষ সংগঠনের বিভাগীয় সভাপতি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ নিরপরাধ শ্রমিক নেতৃবৃন্দকে আসামি করার ঘটনায় সর্বস্তরের শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ক্ষুব্ধ। আমরা উক্ত ঘটনা ও অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী জানাচ্ছি। কিন্তু এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবহন শ্রমিকদের ঐক্য বিনষ্টের কোন ষড়যন্ত্র শ্রমিক সমাজ মেনে নিবে না। আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি সেদিন ঘটনার সময় ফেডারেশনের বিভাগীয় সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ নাজিরবাজারে শ্রমিক সংগঠনের নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা ঘটনা শুনে সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন। সেই ঘটনায় নিরীহ শ্রমিক নেতৃবৃন্দকে আসামি করা হয়েছে, যা দুঃখজনক। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে আগামী ১৯ মে ভোর ৬টা থেকে সিলেট বিভাগে সর্বাত্মক সড়ক পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতি সফলের জন্য শ্রমিক ভাইদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।


প্রশ্নবিদ্ধ প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক সুনামগঞ্জ শাখা”
“ঘুষ, দালাল ও ঋণ অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ জুন, ২০২৬

“ঘুষ, দালাল ও ঋণ অনিয়মের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার: প্রবাসী অধ্যুষিত জেলা সুনামগঞ্জে প্রবাসীদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের সুনামগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মাহবুব মান্নান চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ঋণ বিতরণে অনিয়ম, দালালচক্রের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন, অফিসে অনিয়মিত উপস্থিতি এবং ঋণ সংক্রান্ত নথি ব্যবস্থাপনায় গাফিলতির অভিযোগ এনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগকারীদের দাবি, বর্তমান ব্যবস্থাপক দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ঋণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতার অভাব দেখা দিয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, তার পছন্দের কিছু ব্যক্তির মধ্যে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে দালালের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজন ঋণগ্রহীতা জানান, ঋণ পেতে নির্দিষ্ট কিছু দালালের শরণাপন্ন হতে হয়। তাদের অভিযোগ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষের বিনিময়ে ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, শাখা ব্যবস্থাপক নিয়মিত অফিস সময় পালন করেন না। সরকারি নির্ধারিত সময় সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত হলেও তিনি প্রায়ই দেরিতে অফিসে আসেন এবং সময়ের আগেই চলে যান। ফলে সেবাগ্রহীতাদের নানা ধরনের ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ধর্মপাশা উপজেলার এক ঋণগ্রহীতার (ফাইল নং-১৩৫৫০৬০০২১৯) ঋণসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। অন্যদিকে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার একটি ঋণ ফাইল (নং-০১৩৫৫০৬০০০২১৪) নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, দালালের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করে ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল এবং বর্তমানে ওই ঋণের কিস্তি আদায়ের ক্ষেত্রেও অনিয়ম পরিলক্ষিত হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ঋণগ্রহীতা জানান, সরকারের ঘোষিত সহজ শর্তে ও জামানতবিহীন ঋণ পাওয়ার সুযোগ বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর হচ্ছে না। তাদের অভিযোগ, ঋণ পেতে দালাল ও বিভিন্ন মহলের সুপারিশের প্রয়োজন হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষি ঋণ, এসএমই ঋণ এবং প্রবাসী পুনর্বাসন ঋণ কার্যক্রমও প্রত্যাশিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। এদিকে, বিদেশে কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের জন্য সরকারের ঘোষিত বিভিন্ন ঋণ সুবিধা বাস্তবে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে বলে অভিযোগ করেছেন অনেক সেবাগ্রহীতা।

কয়েকজন অভিভাবক জানান, তাদের সন্তানদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আর্থিক সহায়তা বা ব্যাংক গ্যারান্টি সংক্রান্ত তথ্য জানতে ব্যাংকের শাখায় যোগাযোগ করলেও তারা সন্তোষজনক সাড়া পাননি। তাদের মতে, সরকারের ঘোষিত সুবিধা ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মধ্যে বড় ধরনের ফারাক রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক সুনামগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মাহবুব মান্নান চৌধুরী। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সত্য নয়। আমি নিয়মিত অফিস করি এবং ব্যাংকের সকল কার্যক্রম বিধি-বিধান মেনেই পরিচালিত হচ্ছে।” বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণসংক্রান্ত ঋণ সুবিধা বিষয়ে তিনি বলেন, “বর্তমানে বিদেশে ভাষা শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের জন্য ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা রয়েছে। অন্যান্য ঋণ কার্যক্রমও ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হয়।”

তবে সরকারের ঘোষিত সুবিধা ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মধ্যে যে বৈপরীত্যের অভিযোগ উঠেছে, তা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। এ ঘটনায় প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সেবাগ্রহীতারা।


থানার ‘বিশ্বস্ত সোর্স’ পরিচয়ে সাদ্দামের ত্রাস, এসএমপি কমিশনারের কাছে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

থানার ‘বিশ্বস্ত সোর্স’ পরিচয়ে সাদ্দামের ত্রাস, এসএমপি কমিশনারের কাছে অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ সিলেট নগরীর টিলাগড় ও শাহপরান (রহ.) থানা এলাকায় নিজেকে “শাহপরান থানার বিশ্বস্ত লোক” পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার, ভূমি দখলের চেষ্টা এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে রাশেদ আহমদ ওরফে সাদ্দামের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ এনে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন শামসুদ্দীন নামের এক ব্যক্তি।

অভিযোগে বলা হয়, শামসুদ্দীনের নামে রেকর্ডভুক্ত ও নামজারিকৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন সাদ্দাম ও তার সহযোগীরা। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ওই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চললেও আদালতের রায়, সরকারি কাগজপত্র এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আদালতের সিদ্ধান্ত শামসুদ্দীনের পক্ষেই রয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।ভুক্তভোগীর দাবি, সম্প্রতি সংঘবদ্ধভাবে জমিতে প্রবেশ করে সীমানা পিলার অপসারণের চেষ্টা চালানো হয় এবং জোরপূর্বক দখলের পাঁয়তারা করা হয়। এতে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, সাদ্দাম প্রায়ই নিজেকে শাহপরান থানা পুলিশের ঘনিষ্ঠ ও “বিশ্বস্ত সোর্স” হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে আসছেন। বিশেষ করে টিলাগড় এলাকায় তার একটি বলয় তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, শাহপরান থানা এলাকার কিছু পুলিশ সদস্যের সঙ্গে ওঠাবসাকে পুঁজি করে তিনি সাধারণ মানুষের মাঝে ভয়ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করছেন।স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, টিলাগড় এলাকার বিভিন্ন স্পটে প্রায়ই পুলিশ সদস্যদের আড্ডা ও আনাগোনা দেখা যায়। আর সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সাদ্দাম নিজের প্রভাব ও ক্ষমতার প্রচার করে থাকেন। ফলে তার বিরুদ্ধে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না বলেও অভিযোগ রয়েছে।লিখিত আবেদনে শামসুদ্দীন উল্লেখ করেন, প্রতিপক্ষের অব্যাহত হুমকি, দখলচেষ্টা ও প্রভাব বিস্তারের কারণে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে আশঙ্কা করে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 জানা গেছে, গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার বরাবর অভিযোগটি দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল।


সিলেট-হবিগঞ্জ সড়কে
১০ দিনের জন্য পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ জুন, ২০২৬

১০ দিনের জন্য পরিবহন ধর্মঘট স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদ: সিলেট-হবিগঞ্জ সড়কে বুধবার (৩ জুন) থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকা পরিবহন ধর্মঘট সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত করেছে জেলা পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। মঙ্গলবার (২ জুন) জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব জিকে গউছের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরিষদের নেতারা জানিয়েছেন, আজ বুধবার শুরু হওয়ার কথা থাকা পরিবহণ ধর্মঘট আগামী ১২ জুন পর্যন্ত সাময়িক সময়ের জন্য কর্মসূচি স্থগিত থাকবে। তবে হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার সড়কে বাস চলাচল বন্ধ থাকবে বলেও জানিয়েছেন বাস মালিকরা।

এর আগে গত রবিবার (৩১ মে) হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের সদস্য সচিব আবু মঈন চৌধুরী সোহেল এই ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ২ জুনের মধ্যে হবিগঞ্জের বাসগুলোকে আগের মতো মৌলভীবাজার হয়ে সিলেট রুটে চলাচলের সুযোগ নিশ্চিত করা না হলে ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটে চলাচলকারী বাসগুলোকে মৌলভীবাজারের কিছু মালিক ও শ্রমিক সংগঠন বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত করছে। এর ফলে দুই জেলার পরিবহন খাতে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে এবং শত শত শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।