শেয়ার বাজার

বিছনাকান্দিতে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

বিছনাকান্দিতে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র বিছনাকান্দিতে ঘুরতে গিয়ে পানিতে ডুবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। কয়েক ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানের পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শিক্ষার্থীর নাম শান্ত চন্দ্র বণিক (২২)। তিনি শাবিপ্রবির পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে শান্ত তার কয়েকজন সহপাঠীকে নিয়ে বিছনাকান্দিতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলের দিকে তারা জিরো পয়েন্ট এলাকায় পানিতে নামেন। এ সময় হঠাৎ উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও তীব্র স্রোতের কারণে শান্তসহ কয়েকজন পানিতে তলিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন দ্রুত নৌকা নিয়ে উদ্ধার কাজে নামলে শান্তর দুই সহপাঠীকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে শান্ত নিখোঁজ থাকায় পরে ফায়ার সার্ভিস, টুরিস্ট পুলিশ ও গোয়াইনঘাট থানা-পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার তল্লাশির পর রাতের দিকে উদ্ধারকারী দল তার মরদেহ পানির নিচ থেকে উদ্ধার করে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, শান্ত ছিলেন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তার অকাল মৃত্যুতে সহপাঠীদের মধ্যে শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, বর্ষাকালে বিছনাকান্দিতে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল নামা স্বাভাবিক ঘটনা। এ সময় পর্যটকদের অতিরিক্ত সতর্কতা ছাড়া পানিতে নামা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।



সিলেটে এবার দক্ষিণ সুরমায়
শিশু ধর্ষণ, যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

শিশু ধর্ষণ, যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটে শিশু ফা‌হিমা ধর্ষণ ও হত‌্যার ঘটনার রেশ কাটার আগেই আবারও রেল স্টেশন এলাকার একটি পরিত্যক্ত বিল্ডিংয়ে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় রেল পুলিশ ওই শিশুকে উদ্ধার করে এবং পরবর্তীতে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত যুবককে সকাল ৬টার দিকে কদমতলী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর রাত ৪টার দিকে রেল স্টেশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আটককৃত ব্যক্তির নাম লোদন (৩৫)। তিনি রেল স্টেশন এলাকার বসবাস করতেন এবং মাদকসেবী বলে জানায় পুলিশ।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, লোদন প্রায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রেল স্টেশনে পড়ে থাকে। মঙ্গলবার (২ জুন) কালকে রাত্রে আনুমানিক তিনটা থেকে সাড়ে তিনটার দিকে সে এই মেয়েটিকে ভুলভাল বুঝিয়ে তার সাথে নিয়ে যায়। এবং প্রথমে মেয়েটিকে নেশাগ্রস্ত করে তারপর ধর্ষণ করে। সে সময় স্থানীয়রা তাকে বাঁধা দিতে চাইলে তার হাতে অস্ত্র থাকায় তারা ভয়ে কিছু বলতে পারেনি। পরে স্থানীয়রা রেল পুলিশকে খবর দিলে রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং লোদনকে আটক করে। পরবর্তীতে রেল পুলিশ দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং সকাল ৬টার দিকে থানা পুলিশ কদমতলী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান দিয়ে লোদনকে গ্রেফতার করে। 

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান সিলেটভিউকে বলেন, ‘উদ্ধারকৃত ওই ১২ বছরের শিশুটি ভবঘুরে। এবং এই ঘটনায় যারা অভিযুক্ত তারা মাদকসেবক। তারা সকলেই রেল স্টেশন এলাকায় রাতযাপন করেন। শিশুর অভিযোগের ভিত্তিতে রেল পুলিশের সহায়তায় আমরা একজনকে আটক করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বাকিদের আটক করতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


নিরাপত্তা সরঞ্জাম বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ মে, ২০২৬

নিরাপত্তা সরঞ্জাম বিতরণ অনুষ্ঠানে সিসিক প্রশাসক

দায়িত্ব পালনের সময় প্রত্যেক কর্মীকে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করতে হবে, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কাজই জীবনের চেয়ে বড় নয়। তাই দায়িত্ব পালনের সময় প্রত্যেক কর্মীকে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করে নিরাপদে কাজ করতে হবে। সোমবার (১১ মে) দুপুরে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সভাকক্ষে কর্পোরেশনের বিদ্যুৎ শাখার কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তা সরঞ্জাম বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক প্রশাসক আরও বলেন, “বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন-রাত কাজ করে নগরবাসীকে সেবা দিচ্ছেন। ঝড়-বৃষ্টি কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তারা নগরের আলোকায়ন ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা সচল রাখতে দায়িত্ব পালন করেন। তাদের এই পরিশ্রম ও ত্যাগের কারণেই নগরবাসী স্বাভাবিক সেবা পাচ্ছেন। তাই কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”
তিনি বলেন, “নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন সবসময় আন্তরিক। ভবিষ্যতেও কর্মীদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সরঞ্জাম ও সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশিক নূর বলেন, “নগরবাসীকে সেবা দেওয়া যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি কর্মীদের নিরাপত্তাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ কাজের সময় প্রত্যেক কর্মীকে অবশ্যই সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করতে হবে।”

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ শাখার কর্মীদের মধ্যে নিরাপত্তা বেল্ট, হেলমেট, গগলস, গ্লাভস, সুরক্ষা জুতা, ক্যাপসহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়।


হবিগঞ্জে
এসিডে গৃহবধূর মুখ ঝলসেদিল স্বামী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ জুন, ২০২৬

এসিডে গৃহবধূর মুখ ঝলসেদিল স্বামী

নিজস্ব প্রতিবেদক: হবিগঞ্জে একটি কোম্পানীর শ্রমিক রুবিনা আক্তার (২৫) মুখ মন্ডল এসিডে ঝলসে দিয়েছে সাবেক স্বামী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা জাতীয় বার্ণ ইনস্টিটিউটে প্রেরণ করা হয়েছে।  বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।

হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল হক মুনশী জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উজ্জলকে গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান চলছে।
পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার আনন্দপুর গ্রামের উজ্জল মিয়ার (২৮) সঙ্গে গত দুই বছর আগে বিয়ে হয় রুবিনার। এক পর্যায়ে তাদের মাঝে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হলে ৬ মাস আগে উজ্জলকে তালাক দেন রুবিনা। তাদের দুই সন্তান বর্তমানে উজ্জল মিয়ার কাছে রয়েছে। এরপরও উজ্জল তার পিছু ছাড়েনি। বিভিন্ন সময়ে রাস্তাঘাটে আসা যাওয়ার পথে এবং তার কর্মস্থলে গিয়েও রুবিনাকে উত্যক্ত করতো উজ্জল।

আরও জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে রুবিনা কোম্পানি থেকে কাজ শেষে বাড়ি আসার পথে বহুলায় বাড়ির পাশে পৌছলে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা উজ্জল তার মুখে এসিড নিক্ষেপ করেন। তখন রুবিনা চিৎকার শুরু করলে লোকজন এগিয়ে এলে উজ্জল পালিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা বার্ণ ইনস্টিটিউটে প্রেরণ করা হয়।