শেয়ার বাজার

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু আহত ২

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু আহত ২

স্টাফ রিপোর্টার: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা-এ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহসানুল ইসলাম (১৭) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
নিহত আহসানুল উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের আলী রহমানের ছেলে। আহতরা হলেন— একই গ্রামের তাজ ইসলামের ছেলে শিমুল মিয়া (২০) ও আমজাদ হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন। গুরুতর আহত শিমুল মিয়াকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে দেলোয়ার হোসেন বাদাঘাট বাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদে কাজ করার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামড়াবন্দ গ্রামের সাজু মিয়ার নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদে কাজ করার সময় পল্লী বিদ্যুতের মূল লাইনের ওপর একটি রড পড়ে যায়। এতে আহসানুল ইসলাম, শিমুল মিয়া ও দেলোয়ার হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাদাঘাট বাজারে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহসানুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। শিমুল মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দেলোয়ার হোসেন বাড়িতে ফিরে যান।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল মিয়া বলেন, “আহসানুল এসএসসি পরীক্ষা শেষ করেছে। এত অল্প বয়সে এভাবে তার মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কষ্টের।” বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজমুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আশরাফুলের ঘুষের সাম্রাজ্য :কোটি টাকা বাণিজ্যে -বদলি -হয়রানি-ওয়াস ব্লকসহ ২৫ অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

আশরাফুলের ঘুষের সাম্রাজ্য :কোটি টাকা বাণিজ্যে -বদলি -হয়রানি-ওয়াস ব্লকসহ ২৫ অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি : সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা দুর্নীতি, ঘুষ-বাণিজ্য, শিক্ষক হয়রানি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের এক ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন গোয়াইনঘাট উপজেলার সাবেক সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল আলম। তার বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অনিয়ম, বদলি বাণিজ্য, উন্নয়ন প্রকল্পে কমিশন আদায়, নারী শিক্ষকদের যৌন হয়রানি এবং সাংবাদিক ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শেষ করেছে। জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে ভুক্তভোগী শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর ২৫ দফা লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। পরে ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে অধিদপ্তরের শিক্ষা অফিসার (সাধারণ প্রশাসন) জিয়া উদ্দিন আহম্মদ গোয়াইনঘাট উপজেলা শিক্ষা অফিসে এসে তদন্ত পরিচালনা করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সাল থেকে টানা সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে গোয়াইনঘাটে দায়িত্ব পালনকালে আশরাফুল আলম একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একই কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি দায়িত্ব পালনের বিধান থাকলেও নানা কৌশলে তিনি একই উপজেলায় বহাল থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় শিক্ষক বদলি, মাতৃত্বকালীন ছুটি, অবৈধ সংযুক্তি, পদোন্নতি, এসিআর, প্রশিক্ষণ, উন্নয়ন প্রকল্প ও স্কুল পরিদর্শন—সবকিছুকেই ঘুষ আদায়ের হাতিয়ারে পরিণত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন করে আলোচনায় এসেছে পিডিপি-৪ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১৩৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মিত ওয়াস ব্লক প্রকল্প। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি প্রকল্পে ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও অধিকাংশ কাজ নিম্নমানের করা হয়। অথচ প্রধান শিক্ষকদের বিল-ভাউচারে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করা হতো। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এই প্রকল্প থেকেই প্রায় অর্ধকোটি টাকার ঘুষ ও কমিশন বাণিজ্য হয়েছে। শুধু ওয়াস ব্লক নয়, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ও ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনসহ অন্যান্য উন্নয়ন কাজ থেকেও বড় অঙ্কের কমিশন আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, আন্তঃউপজেলা ও অন্তঃউপজেলা বদলিকে তিনি ঘুষ আদায়ের অন্যতম বড় খাতে পরিণত করেন। বিভিন্ন শিক্ষকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এক নারী শিক্ষিকার বদলির বিনিময়ে গরু ও মালয়েশিয়া ভ্রমণের রিটার্ন টিকিট দাবি করার অভিযোগও উঠেছে। দাবি পূরণ না করায় তাকে বদলি সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয় বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রতিটি স্কুল পরিদর্শনের পর প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে মোটরসাইকেলের তেলের খরচের কথা বলে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হতো। উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনের নামেও ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নারী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, পদোন্নতি ও চাকরির নিরাপত্তার প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করতেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা। এতে রাজি না হলে মানসিক নির্যাতন ও প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হতে হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।এমনকি যৌন হয়রানির কারণে এক নারী শিক্ষক চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুললেই কিছু সাংবাদিককে ব্যবহার করে লাইভ প্রচার, অপপ্রচার ও সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হতো। ফলে দীর্ঘদিন অনেক শিক্ষক আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন।

২৫ টি লিখিত অভিযোগের  বিষয়ে জানতে বর্তমানে ওসমানী নগরে কর্মরত  শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম এর  ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে  তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, বেনামে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে আমাকে হয়রানি করতে। অন্যান্য প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি কৌশলে নীরবতা পালন করেন।  নীরবতা অভিযোগের সত্যতায় সম্মতির লক্ষণ।

অন্যদিকে অভিযোগের  বিষয়ে জানতে  প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তদন্ত কর্মকর্তা  শিক্ষা অফিসার (সাধারণ শাখা) জিয়া উদ্দিন আহম্মদ  এর  ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে  তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, “লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সঠিকভাবে তদন্ত করা হয়েছে। চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন  করবে।”

অভিযোগের  বিষয়ে জানতে  প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক( তদন্ত  ও শৃঙ্খলা শাখা)  মো: আব্দুস সালাম এর  ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে  তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আমি অফিসের বাহিরে অভিযোগ দেখে বিস্তারিত বলতে হবে।


রামিসার মতো ফাহিমার বিচারেও এই ধরনের ঘোষণা চাই:শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

রামিসার মতো ফাহিমার বিচারেও এই ধরনের ঘোষণা চাই:শফিকুর রহমান

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, ‘সিলেটের ছোট্ট শিশু ফাহিমার প্রতি নৃশংস হত্যাকান্ডের ২৮দিনেও বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি, চার্জশীট দাখিল হয়নি। দেশব্যাপী আলোচিত এই ঘটনার বিচার দীর্ঘসুত্রিতার দিকে গেলে আমরা ধরে নেবো বিচার হবেনা। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে রামিসার কথা বলেছেন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিচার হবে, আমরা ফাহিমার বিচারেও এইধরনের ঘোষণা চাই। এর বাস্তবায়ন চাই। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফাহিমা হত্যা মামলার চার্জশীট প্রদানের জন্য পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। এইধরনের ঘটনার বিচার নিশ্চিতে আমরা নিম্ন ও উচ্চ আদালতে তাদের পাশে থাকবো।’

 তিনি মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১১ টায় সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলায় পাশবিক নির্যাতন ও নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার চার বছরের শিশু ফাহিমার বাড়ীতে গিয়ে পরিবারের পাশে সাক্ষাত শেষে উপস্থিত সাংবাদিক ও জনগণের উদ্দেশ্যে উপরোক্ত কথা বলেন। তিনি তাদেরকে সহমর্মিতা জানানোর পাশাপাশি পরিবারের সার্বিক বিষয়ের খোঁজখবর নেন এবং সবসময় তাদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসময় আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমি গ্রামবাসীদের কাছে অনুরোধ করছি আপনারা ফাহিমার বিপন্ন পরিবারটি পাশে থাকবেন। আমি কথা দিচ্ছি- আমার এবং আমাদের সংগঠন নিজের জায়গা থেকে সবসময় পরিবারের পাশে থাকবে। তাদের কপাল বদলানোর দায়িত্ব আল্লাহর। আমরা বিপদে পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব পালন করতে পারি। আমরা লোক দেখানো কোন কিছু করতে চাইনা। বাংলাদেশের যেখানে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে আমরা সীমিত সামর্থের ভেতরে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বলছি- আমি আপনার বিপদ দুর করতে পারবোনা, কিন্তু কষ্টের ভাগ নিতে এসেছি।

তিনি বলেন, যেখানেই মানুষ মজলুম হবে সেখানেই আমরা হাজির হবো। মজলুম কোন দল, মত ও ধর্মের সেটা বিবেচ্য নয়, আমরা তাকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেই পাশে দাঁড়াবো। সিলেটের দুজন মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ থাকবে আপনারাও দায়িত্ব পালন করবেন। এই আসনের মন্ত্রীকে কথা দিয়েছি ফাহিমার বিচারে আমি পাশে থাকবো। আমরা দেখতে চাই এই জনপদের জন্য আপনী ভুমিকা পালন করেন।
 
বিরোধী দলীয় নেতা আরও বলেন, সমাজের লম্পটদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় তাদের দৌরাত্ম বেড়ে যাবে। ফাহিমা ও রামিসাদের আর্তচিৎকার, জীবন আলো নিভে যাওয়া ও তাদের আপনজনের চোখের পানিতে নদী তৈরী হয়ে যাওয়া বর্তমানে এটি হচ্ছে বাংলাদেশের চিত্র। জাতি হিসেবে আমরা লজ্জিত, নিজেকে ধিক্কার জানাই। আমরা মাসুম বাচ্চাদেরও ইজ্জত আমরা রক্ষা করতে পারছিনা। আমরা আবার বড় বড় কথা বলি, ধমকের সুরে কথা বলি। আমাদের কারও কারও আচরণে মনে হয়- আমরা শুধু দুনিয়া না, আসমানকেও শাসন করতে পারি-নাউযুবিল্লাহ। দুনিয়া ও আসমানের শাসন করার এখতিয়ার একমাত্র সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আল-আমীনের। ক্ষমতায় কেউ গেলে তাকে বিনয়ী হওয়া উচিত। কারণ সরকার হচ্ছে জনগণের পাহারাদার। অথচ তারা দেশবাসীকে তাদের ভাড়াটিয়া মনে করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব কালপ্রিটদের খুজে বের করা ও আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব বিচার নিশ্চিত করা। ফাহিমার সাথে অপকর্ম জাকির একা করে নাই। এর সাথে তার পরিবারের লোকজনও জড়িত বলে সবাই বলেছে। তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

 এসময় উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, মহানগর নায়েবে আমীর ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, মহানগর সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজু, সদর উপজেলা আমীর নাজির উদ্দিন, নায়েবে আমীর আব্দুল লতিফ লালা ও সেক্রেটারী আল ইমরান প্রমূখ।

 


সিলেট
কিশোরীকে ধর্ষণ গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ মে, ২০২৬

কিশোরীকে ধর্ষণ গ্রেপ্তার ২

সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানাধীন জালালাবাদ ইউনিয়নের ১৫ বছরের এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় থানা পুলিশ ২ জনকে আটক করেছে। শুক্রবার (২২ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে তাদের আটক করা হয়।

আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেন জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিব । তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ’