শেয়ার বাজার

এক সপ্তাহে ছিনতাইয়ের শিকার ৩ শিক্ষিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

এক সপ্তাহে ছিনতাইয়ের শিকার ৩ শিক্ষিকা

সিলেটের ওসমানীনগরে ছিনতাই চক্রের সদস্যরা বেপরোয়া। গত এক সপ্তাহে ৩ শিক্ষিকা ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন। এক সপ্তাহে ৩জন ছিনতাইয়ের শিকারের ঘটনায় ওসমানীনগরের শিক্ষক মহল সহ সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টায় উপজেলার খাশিকাপন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সীমা রাণী দেব সকাল পৌনে ১০টায় বিদ্যালয়ে যাবার পথে বিদ্যালয়ের কাছাকাছি খাশিকাপন গ্রামের ভেতর কবরস্থান ও মাজারে কাছে গেলে মুখোশপরিহিত ৩জন ছিনতাইকারী তার গতিরোধ করে। এ সময় ছিনতাইকারীরা ধারালো অস্ত্রে মুখে তাকে জিম্মি করে কানের একজোড়া স্বর্ণের দোল এক স্বর্ণে আংটি লুট করে নিয়ে যায়।

এক সপ্তাহ আগে তাজপুর-সুরতপুর সড়কে সকাল ৯টায় একই স্কুলে আরেক সহকারী শিক্ষিকা ৩ ছিনতাইকারী কবলে পরেন তবে পিছন দিক থেকে যাত্রীবাহী একটি টমটম আসলে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। এদিকে গত সোমবার(১১ এপ্রিল) বিকেল সোয়া চারটায় স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে ব্রাহ্মণশাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সাকেরা পারভীর ১০ মাইল স্থানে ছিনতাইয়ের শিকার হন। এ সময় অস্ত্রধারী তিন ছিনতাইকীরা তার গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে গানের দোল ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায় পরে কানের দোল ইমিটেশনের বুঝায় তা ফেলে দিয়ে ছিনতাইকারীরা মোটরসাইকেল যোগে চলে যায়।

গত ৭ এপ্রিল সকালে ইলাশপুর গ্রামে ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরশেদুল আলম ভূঁইয়ার বাসভবন ‘আর কে টাওয়ার’-এর সামনে মিতা দেব নামে এক গৃহবধূ ছিনতাইয়ের শিকার হন। ভুক্তভোগী মিতা দেব তার সন্তানকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক সংলগ্ন লালকৈলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। আর কে টাওয়ারের সামনে আসা মাত্রই হঠাৎ মোটরসাইকেলে আসা ৩ জন ছিনতাইকারী মিতা দেবের গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে একটি স্বর্ণের চেইন ও একজোড়া স্বর্ণের কানের দুল লুটে নেয়।

থানার একদম কাছে এবং ওসির বাসার সামনে এমন দুঃসাহসিক ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর আগে গত ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার বানিজ্যকি প্রাণকেন্দ্র জনবহুল গোয়ালাবাজার সাব-পোস্ট অফিসে এক দুঃসাহসিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ডিগ্রি ফাইনাল পরীক্ষার খাতা গ্রহণ শেষে অফিস বন্ধ করার মুহূর্তে একদল সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ধারালো অস্ত্রের মুখে তিন কর্মচারীকে জিম্মি করে তাদের কাছে বেশি কিছু না পেয়ে তাদের হাত খরচের হাজার খনিক টাকা-পয়সা লুট করে নিয়ে যায়। একের পর এক সিরিজ ছিনতাইয়ের ঘটনায় উপজেলার বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এছাড়া কত কয়েক দিনে গোয়ালাবাজার দয়ামীর তাজপুর এলাকায় একাধিক মোটরসাইকেল চুরি হয়ে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু গরু চুরি সহ একাধিক চুরির ঘটনাও ঘটে। এদিকে উপজেলার গোয়ালাবাজারের দাশপাড়া গ্রামে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গ্রামের বিভিন্ন স্পটে বসে ভাসমাট ইয়াবার হাট। মাদকের ছড়াছড়ি বন্ধে সম্প্রতি গ্রামবাসীরা আন্দোলনে নামেন। গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে পুলিশের নিকট লিখিত অভিযোগ প্রদান করলে পুলিশ এলাকাবাসীদের নিয়ে বিট পুলিশিং সভা করেন ওই গ্রামে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের আলোতে এবং জনবহুল স্থানে এসব ঘটনা ঘটলেও অপরাধীদের গ্রেফতারে পুলিশের দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে এলাকাবাসী প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দ্রুত টহল জোরদার করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

ছিনতাইয়ের শিকার সীমা রাণী দেব বলেন, আমি খাশিকাপন বাজারে নেমে সকাল পৌনে ১০টার স্কুলে যাবার পথে খাশিকাপন গ্রামের ভেতর মাজারের পাশে ৩ ছিনতাইকারী আমাকে গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে কানের স্বর্ণের ১জোড়া দুল ও হাতে স্বর্ণে আংটি নিয়ে পালিঢে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানার ওসি সহ ২ গড়ি পুলিশ স্কুলে এসেছিলেন। ব্রাহ্মণশাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ের সহকারী শিক্ষিকা সাকেরা পারভীনের স্বামী আব্দুল মতিন জায়গীরদার বলেন, দিনে বেলায় প্রকাশ্যে আমাদের বাড়ির পাশে এসে ছিনতাইকারীরা আমার স্ত্রীকে ধারালো লম্বা বটি(দা)গলায় ধরে ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। এব্যাপারে প্রশাসনিক ভাবে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করা জরুরী। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওসমানীনগর(সার্কেল) মনছুরা আক্তার বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ছিনতাইকারীদের আইনের আওতায় আনতে।


আর কতো রামিসা মরলে আমাদের সবার টনক নড়বে?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ মে, ২০২৬

আর কতো রামিসা মরলে আমাদের সবার টনক নড়বে?

সুনির্মল সেন: রামিসার জন্য আজ আর শোক নয়! রামিসা হত্যার দৃশ্যমান বিচার চাই! কঠিন থেকে কঠিনতর বিচার চাই। আর কতো শিশুর রক্ত ঝরলে এ দেশের টনক নড়বে? রামিসার বয়স কতোই বা ছিলো? এমন একটি বয়স, যখন শিশুর হাতে থাকার কথা বই, খাতা, পেন্সিল আর স্কুলব্যাগ। এমন একটি বয়স,  যখন পৃথিবীকে চেনার কথা মায়ের হাত ধরে, স্কুলের পথে, বন্ধুর হাসিতে, ছোট ছোট স্বপ্নে। অথচ সেই শিশুটিই আজ আমাদের সামনে রেখে গেছে এক ভয়াবহ প্রশ্ন! এই দেশে শিশুদের জন্য নিরাপদ জায়গা কোথায়?

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পল্লবীতে সংঘটিত শিশু রামিসা হত্যাকান্ড নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তবে আমাদের প্রশ্ন, এ নির্মম নৃশংস হত্যার শিকার শিশু রামিসা আক্তারের বাবার বুকফাটা আর্তনাদ ও ক্ষোভের যে বিবরণ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, তা কি সমাজের বিবেককে নাড়া দেবে? একটি সাত বছরের শিশুকে যে নির্মমভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে, তা আমাদের সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার দূর্বল দিকটি উন্মোচিত করেছে। 

এই নির্মম হত্যাকান্ড আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে দেশে সামাজিক মূল্যবোধের কতোটা অধঃপতন ঘটেছে। একই সাথে শিশু রামিসার বাবার ক্ষোভ অপরাধীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি না হওয়ার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এক তীব্র প্রতিবাদ। বস্তুত এ দায়মুক্তির সংস্কৃতি নতুন নতুন অপরাধের জন্ম দিচ্ছে।

আমাদের সমাজে শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা দিনের পর দিন উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। পারিবারিক শত্রুতা, জমিজমা নিয়ে বিরোধ কিংবা তুচ্ছ কোনো ঘটনার প্রতিশোধ নিতে এখন কোমলমতি শিশুদের টার্গেট করা হচ্ছে, যা চরম বিকৃত মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। বস্তুত শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যাকান্ড বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, এগুলো বহু বছর ধরে চলে আসা নৈতিক অবক্ষয়, সামাজিক দায়িত্বহীনতা এবং মূল্যবোধের অবক্ষয়ের প্রতিফলন। মাদকের বিস্তারও এ ধরনের অপরাধ বৃদ্ধির একটি বড় কারণ।

রাজধানী পল্লবীর এ হত্যাকান্ড আমাদের মনে করিয়ে দেয়, শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ সমাজ গঠনে আমরা কতোটা ব্যর্থ হয়েছি। রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে এর কারণ যথাযথভাবে খুঁজে বের করে প্রতিকারের ব্যবস্থা নিতে হবে।সাম্প্রতিক রামিসা হত্যাকান্ড সহ ইতোপূর্বের সকল হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে অপরাধীর দ্রুত সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তবে এ ধরণের অপরাধ রোধে শুধু আইন বা সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এর জন্য শক্তিশালী সামাজিক আন্দালন গড়ে তোলা এখন জরুরী হয়ে পড়েছে। যে সব কারণে মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে, সেসব বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া জরুরি। আর কোনো মা -বাবা ও বোনের বুক যেনো এভাবে খালি না হয়, আর কোনো পরিবারকে যেনো এমন নির্মম, নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে রাষ্ট্র ও সমাজকে। সর্বশেষে বলতে হয়, "আর কতো রামিসা মরলে আমাদের সবার টনক নড়বে?" (লেখক: কবি ও গণমাধ্যমকর্মী)


বিছনাকান্দিতে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

বিছনাকান্দিতে পানিতে ডুবে প্রাণ গেল শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র বিছনাকান্দিতে ঘুরতে গিয়ে পানিতে ডুবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। কয়েক ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানের পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শিক্ষার্থীর নাম শান্ত চন্দ্র বণিক (২২)। তিনি শাবিপ্রবির পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে শান্ত তার কয়েকজন সহপাঠীকে নিয়ে বিছনাকান্দিতে বেড়াতে যান। পরে বিকেলের দিকে তারা জিরো পয়েন্ট এলাকায় পানিতে নামেন। এ সময় হঠাৎ উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও তীব্র স্রোতের কারণে শান্তসহ কয়েকজন পানিতে তলিয়ে যান। স্থানীয় লোকজন দ্রুত নৌকা নিয়ে উদ্ধার কাজে নামলে শান্তর দুই সহপাঠীকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়। তবে শান্ত নিখোঁজ থাকায় পরে ফায়ার সার্ভিস, টুরিস্ট পুলিশ ও গোয়াইনঘাট থানা-পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার তল্লাশির পর রাতের দিকে উদ্ধারকারী দল তার মরদেহ পানির নিচ থেকে উদ্ধার করে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, শান্ত ছিলেন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তার অকাল মৃত্যুতে সহপাঠীদের মধ্যে শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, বর্ষাকালে বিছনাকান্দিতে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল নামা স্বাভাবিক ঘটনা। এ সময় পর্যটকদের অতিরিক্ত সতর্কতা ছাড়া পানিতে নামা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।




জমি ছাড়তে সাদ্দামের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

জমি ছাড়তে সাদ্দামের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন

নিজের কেনা জমির দখল ছাড়তে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন নগরীর দপ্তরীপাড়া রায়নগর প্রত্যয়-৮১নং বাসার বাসিন্দা মো. সমছু উদ্দিন খাঁন। এমনকি আদালতের নিষেধ অমান্য করে যখন তখন বড় অঘটন ঘটিয়ে তার জমি দখল হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।বুধবার (২০ মে) দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শাহপরাণ থানার দেবপুর প্রকাশ মুকিরপাড়ার মৃত রূপা মিয়ার ছেলে মঞ্জু মিয়ার কাছ থেকে সাফ কবালা দলিলে সিলেট সদরের দেবপুর মৌজার জে এল নং ৯৬, ১৩৬২ এসএ দাগের ৭৯৫নং খতিয়ানের ০.৭৮ একর ভূমি ক্রয় করেছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যাবতীয় খাজনাও প্রদান করছিলেন। তবে ২০১৭ সালে এস.এ রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরাধিকারীরা আপত্তি জানালে সিলেট সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) নামজারী বাতিল করার পর আমি তার আদেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) আদালতে নামজারী মামলা নং- ৪৭/২০১৭ দায়ের করি। পরে ২০২১ সালে এসএ রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরসুরীরা আমমোক্তারনামার মাধ্যমে তাদের স্বত্ত্বত্যাগ করেন এবং এই ভূমি বর্তমানে আমার দখলে রয়েছে। সেখানে ঘর গাছপালা আছে এবং আমার একজন কেয়ারটেকারও বসবাস করছেন।তিনি জানান, তার ক্রয় করা এই ভূমি দখলের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন শাহপরাণ থানার মিরাপাড়ার মৃত ছটু মিয়ার ছেলে রাশেদ আহমদ সাদ্দাম (মোবাইল  নং- ০১৭১১-৪৪০০১৮) ও তার সহযোগী একদল ভূমিখেকো চক্র। সাদ্দাম এই সম্পত্তি তার মৌরসী দাবি করে দখল না ছাড়লে আমাদের জীবন দুর্বিসহ করে তোলার হুমকি দিচ্ছে। তার এমন হুমকিতে আমি অসহায় বোধ করছি। তিনি আওয়ামী লীগ আমলে আওয়ামী লীগের বড় নেতা পরিচয় দিয়ে নানান অপকর্ম করে বেড়াতেন। তবে সরকার বদলের পর এখন তিনি বিএনপির ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা ইত্যাদি পরিচয়ে তার সেই অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি শাহপরাণ থানাপুলিশের সৌর্স বা পুলিশের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্কের কথা প্রচার করে গোটা এলাকার মানুষকে তটস্থ করে রেখেছেন। তিনি ও তার বাহিনীর যন্ত্রণায় সাধারণ মানুষের জীবন আজ দুর্বিসহ। তিনি ২৩ এপ্রিল পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ দিলেও শাহপরাণ থানাপুলিশ নির্বিকার। তারা অজ্ঞাত কারণে নিরব। তিনি জানান, ১৮ মে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২্ এর বিচারক এই ভূমির উপর ১৪৫ ধারায় স্থিতাবস্থা জারি করেছেন। একই সাথে সিলেট সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও শাহপরাণ থানার ওসি ও সার্ভেয়ার, উপজেলা ভূমি অফিস বা ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তাকে দখল বিষয়ক স্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। শাহপরাণ থানার ওসিকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তিনি আদালতের নির্দেশ মেনে কঠোরভাবে স্থিতাবস্থা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিশেষ করে সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার, শাহপরাণ থানার ওসিসহ সবার কঠোর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।এ ব্যাপারে জানতে রাশেদ আহমদ সাদ্দামের মোবাইলে একাধিকবার কল এবং হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ দিলেও তিনি কোনো জবাব দেন নি।সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন খাঁনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার নাতি রুহেল আহমদ।