শেয়ার বাজার

হবিগঞ্জে একদিনে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

হবিগঞ্জে একদিনে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক : হবিগঞ্জে একদিনে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে শায়েস্তাগঞ্জ ও মাধবপুর উপজেলায় পৃথক ঘটনায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহগুলো ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। জানা যায়- সকালে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুরাবই গ্রামের ইকবাল মিয়ার পুত্র মুরাদ মিয়া (৪০) বুধবার রাত ১০টা থেকে নিখোঁজ ছিল। সকালে গ্রামের একটি বাশ ঝাড়ের নিচে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহ উদ্ধার করে।

শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোঃ আবুল কালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন- ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ যানা যাবে। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।  এদিকে, মাধবপুর উপজেলার নেয়াপাড়ায় সায়হাম কোম্পানির নিকটস্থ একটি কবর স্থানের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তি পুরুষ (৫২) এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। 
 বিষয়টি নিশ্চিত করে মাধবপুর থানার ওসি মাহবুব মোর্শেদ খান জানান- মরদেহের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ, মৃতুর কারণ নিয়ে চলছে তদন্ত। 

সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জ-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে সিলেট ও সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। বুধবার (২০মে) দুপুরে শান্তিগঞ্জ উপজেলার আহসানমারা সেতু এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জমুখী একটি দূরপাল্লার বাসের সঙ্গে সিলেটগামী একটি লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। পরে আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর যান চলাচল স্বাভাবিক করতে শান্তিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধারকাজ ও সড়ক পরিষ্কারের কাজ করেন।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে একই মহাসড়কের পাগলা মাদ্রাসাপাড়া এলাকায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় আরও একজন প্রাণ হারিয়েছেন। শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ অলিউল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আহসানমারা সেতু এলাকায় বাস ও লেগুনার সংঘর্ষে পৃথক স্থানে দুইজন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও তিনজন।


শাল্লায় গরু
জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ জুন, ২০২৬

জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪ নম্বর শাল্লা ইউনিয়নের মনুয়া গ্রামে তিনটি গরু জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামের মুশাহিদ মিয়াসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কাছম আলী বাদী হয়ে শাল্লা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুর প্রায় ১২টার দিকে মনুয়া গ্রামের পশ্চিম পাশের দেওয়ালের কান্দা এলাকায় চরে থাকা তিনটি গরু নৌকাযোগে তুলে নিয়ে যান অভিযুক্তরা। এ সময় তাদের সঙ্গে দেশীয় অস্ত্র ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয়রা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে বলা হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মনুয়া গ্রামের মো. শামছু মিয়া, আব্দুল করিম, মো. রাশেল মিয়া, মো. বিলশ মিয়া ও মো. মোহন মিয়া জানান, তাদের সামনেই ৪ থেকে ৫ জন ব্যক্তি মাঠ থেকে গরুগুলো তুলে নৌকায় নিয়ে যায়। বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্তরা হুমকি দেয়। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে তারা আর কোনো বাধা দেননি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মুশাহিদ মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ভাই মুজাহিদ মিয়া ফোন রিসিভ করেন। তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি তাদের গ্রামে সংঘটিত দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্তদের গরু তাদের এক আত্মীয়ের বাড়িতে রাখা ছিল। সে কারণেই তারা গরুগুলো নিয়ে এসেছেন।

শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে থাকা এসআই শওকত আলী ইতোমধ্যে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।



গোয়াইনঘাটে
১১ মামলার আসামি ‘ডাকাত কামরুলের আতঙ্কের রাজত্ব!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ জুলাই, ২০২৬

১১ মামলার আসামি ‘ডাকাত কামরুলের আতঙ্কের রাজত্ব!

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার লেঙ্গুরা ইউনিয়নে একাধিক মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত এক ব্যক্তির দাপটে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সতী গ্রামের বাসিন্দা কামরুল দীর্ঘদিন ধরে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কামরুলের বিরুদ্ধে গোয়াইনঘাট থানায় ডাকাতির ৬টি, ছিনতাইয়ের ১টি এবং চুরির ৪টি মামলা রয়েছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে। এসব মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি প্রায় দেড় বছর কারাগারে ছিলেন। প্রায় তিন মাস আগে জামিনে কারাগার থেকে বের হওয়ার পর ফের এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, জামিনে বের হওয়ার পর থেকেই কামরুলের কথিত দাপট আরও বেড়েছে। চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মাধ্যমে তিনি এলাকায় ভয়ভীতি ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না বলেও দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয়দের অভিযোগ, কামরুলের কর্মকাণ্ডে লেঙ্গুরা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার মানুষ, বিশেষ করে রাতের পথচারী ও ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এলাকায় আরও বড় ধরনের অপরাধের আশঙ্কা করছেন তারা।

এদিকে এলাকাবাসী বলছেন, একাধিক মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত কোনো ব্যক্তি জামিনে বের হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়লে তা কঠোরভাবে নজরদারি করা জরুরি। তারা কামরুলের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো দ্রুত তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কামরুলের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা ও বর্তমানে তার বিরুদ্ধে কোনো নতুন মামলা বা আইনগত ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্যের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।