শেয়ার বাজার

জাল নোটের জালিয়াত চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

জাল নোটের জালিয়াত চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব

সিলেটে জাল নোটের জালিয়াত চক্রের চার সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ জাল নোট উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জালিয়াত চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে জাল নোট দিয়ে প্রতারণার অভিনব কৌশলও জানতে পেরেছে র‌্যাব।  বুধবার র‌্যাব-৯ এর সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  আটককৃতরা হলো- গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়া থানার পীরেরবাড়ির মৃত ঠাকুর চাঁদ বালার ছেলে গুরুচাঁদ বালা (৩৮), শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি লগারপাড়া গ্রামের মো. হাবুল মিয়ার ছেলে শফিকুল ইসলাম (৩৫), একই উপজেলার নগরপাড়া গ্রামের মো. কুদ্দুস আলীর ছেলে মো. রাশেদ মিয়া (৩০) ও বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ থানার হাদি বাঁশকাঠি গ্রামের আবদুল বারেক সরদারের ছেলে মো. সোহাগ সরদার (৩৩)। 

র‌্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, মঙ্গলবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার গেইট এলাকা থেকে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।  জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি জানায়, সে জাল নোটের কারবারি। সে এবং তার তিন সহযোগী বিগত কয়েকদিন থেকে সিলেট শহরে অবস্থান করে জাল নোট দিয়ে প্রতারণা করে আসছে।  তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে সিলেট নগরীর বন্দরবাজারস্থ লালবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে চক্রের আরও তিন সদস্যকে আটক করা হয়। জালিয়াত চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৫ লাখ ২ হাজার ৭০০ টাকার জাল নোট। 

জিজ্ঞাসাবাদে ওই চক্রের সদস্যরা জানায়, তারা সাধারণত জনবহুল বাজার এবং ছোট ছোট দোকানকে টার্গেট করে কম মূল্যের কোন পণ্য ক্রয় করে বড় অংকের জাল নোট প্রদান করে। এরপর দোকানদারের কাছ থেকে তারা ফেরত হিসেবে অবশিষ্ট টাকার আসল নোট গ্রহণ করে।  এভাবেই তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিল। বিশেষ করে উৎসবের সময় বা ভিড়ের সুযোগ নিয়ে তারা এই জাল নোট বাজারে ছড়িয়ে দিত। 

কোয়ার্টার থেকে চাকরিজীবী তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ মে, ২০২৬

কোয়ার্টার থেকে চাকরিজীবী তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মৌলভীবাজার জেলা শহরের মুসলিম কোয়ার্টার এলাকার একটি বাসা থেকে শুক্লা সেন (২৪) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি মৌলভীবাজার আধুনিক চক্ষু হাসপাতালে চাকরি করতেন। বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বাসিন্দারা ওই তরুণীকে তাঁর নিজ কক্ষে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে মৌলভীবাজার মডেল থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনা থেকে শুক্লা সেনের মরদেহ উদ্ধার করে।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার তিলকপুর গ্রামের অঞ্জন সেন ও লক্ষ্মী রানী সিনহার মেয়ে শুক্লা সেন চাকরির সুবাদে শহরের মুসলিম কোয়ার্টার এলাকার একটি বাসার একাই বসবাস করতেন। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ সময় ধরে কক্ষের দরজা বন্ধ থাকায় আশপাশের লোকজনের সন্দেহ হয়। ডাকাডাকি করেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় তরুণীর মরদেহ দেখতে পেয়ে তাঁরা পুলিশকে জানান।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চলছে।



সিলেটের
মহাজনপট্টি থেকে আটক বিসু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৭ জুন, ২০২৬

মহাজনপট্টি থেকে আটক বিসু

সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী থানার মহাজনপট্টি থেকে বিসু বাঁশফোড় নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তিনি একজন মাদক ব্যবসায়ী। রবিবার (৭ জুন) সন্ধ্যায় বিষয়টি জানিয়েছে সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেল। তারা জানায়, শনিবার (৬ জুন) রাত ১১টার দিকে বন্দরবাজার ফাঁড়ির একদল পুলিশ সদস্য তাকে আটক করে। বিসু বাঁশফোড় কোতোয়ালী থানার কাষ্টঘর সুইপার কলোনির ফকির চাঁন ও রেনু মালার ছেলে। আটকের সময় তার হেফাজত থেকে ১৫৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে।

 তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা (নং ৬/৭/৬/২৬) দায়ের করে বিসু বাঁশফোড়কে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো.  মনজুরুল আলম।সংবাদ সাবস্ক্রিপশন

 



বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু আহত ২

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু আহত ২

স্টাফ রিপোর্টার: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা-এ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহসানুল ইসলাম (১৭) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
নিহত আহসানুল উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামের আলী রহমানের ছেলে। আহতরা হলেন— একই গ্রামের তাজ ইসলামের ছেলে শিমুল মিয়া (২০) ও আমজাদ হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন। গুরুতর আহত শিমুল মিয়াকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে দেলোয়ার হোসেন বাদাঘাট বাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামে একটি নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদে কাজ করার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কামড়াবন্দ গ্রামের সাজু মিয়ার নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদে কাজ করার সময় পল্লী বিদ্যুতের মূল লাইনের ওপর একটি রড পড়ে যায়। এতে আহসানুল ইসলাম, শিমুল মিয়া ও দেলোয়ার হোসেন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাদাঘাট বাজারে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আহসানুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। শিমুল মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দেলোয়ার হোসেন বাড়িতে ফিরে যান।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল মিয়া বলেন, “আহসানুল এসএসসি পরীক্ষা শেষ করেছে। এত অল্প বয়সে এভাবে তার মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কষ্টের।” বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজমুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।