শেয়ার বাজার

জমি ছাড়তে সাদ্দামের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে ২০২৬

জমি ছাড়তে সাদ্দামের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন

নিজের কেনা জমির দখল ছাড়তে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন নগরীর দপ্তরীপাড়া রায়নগর প্রত্যয়-৮১নং বাসার বাসিন্দা মো. সমছু উদ্দিন খাঁন। এমনকি আদালতের নিষেধ অমান্য করে যখন তখন বড় অঘটন ঘটিয়ে তার জমি দখল হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।বুধবার (২০ মে) দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শাহপরাণ থানার দেবপুর প্রকাশ মুকিরপাড়ার মৃত রূপা মিয়ার ছেলে মঞ্জু মিয়ার কাছ থেকে সাফ কবালা দলিলে সিলেট সদরের দেবপুর মৌজার জে এল নং ৯৬, ১৩৬২ এসএ দাগের ৭৯৫নং খতিয়ানের ০.৭৮ একর ভূমি ক্রয় করেছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যাবতীয় খাজনাও প্রদান করছিলেন। তবে ২০১৭ সালে এস.এ রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরাধিকারীরা আপত্তি জানালে সিলেট সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) নামজারী বাতিল করার পর আমি তার আদেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) আদালতে নামজারী মামলা নং- ৪৭/২০১৭ দায়ের করি। পরে ২০২১ সালে এসএ রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরসুরীরা আমমোক্তারনামার মাধ্যমে তাদের স্বত্ত্বত্যাগ করেন এবং এই ভূমি বর্তমানে আমার দখলে রয়েছে। সেখানে ঘর গাছপালা আছে এবং আমার একজন কেয়ারটেকারও বসবাস করছেন।তিনি জানান, তার ক্রয় করা এই ভূমি দখলের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন শাহপরাণ থানার মিরাপাড়ার মৃত ছটু মিয়ার ছেলে রাশেদ আহমদ সাদ্দাম (মোবাইল  নং- ০১৭১১-৪৪০০১৮) ও তার সহযোগী একদল ভূমিখেকো চক্র। সাদ্দাম এই সম্পত্তি তার মৌরসী দাবি করে দখল না ছাড়লে আমাদের জীবন দুর্বিসহ করে তোলার হুমকি দিচ্ছে। তার এমন হুমকিতে আমি অসহায় বোধ করছি। তিনি আওয়ামী লীগ আমলে আওয়ামী লীগের বড় নেতা পরিচয় দিয়ে নানান অপকর্ম করে বেড়াতেন। তবে সরকার বদলের পর এখন তিনি বিএনপির ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা ইত্যাদি পরিচয়ে তার সেই অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি শাহপরাণ থানাপুলিশের সৌর্স বা পুলিশের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্কের কথা প্রচার করে গোটা এলাকার মানুষকে তটস্থ করে রেখেছেন। তিনি ও তার বাহিনীর যন্ত্রণায় সাধারণ মানুষের জীবন আজ দুর্বিসহ। তিনি ২৩ এপ্রিল পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ দিলেও শাহপরাণ থানাপুলিশ নির্বিকার। তারা অজ্ঞাত কারণে নিরব। তিনি জানান, ১৮ মে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২্ এর বিচারক এই ভূমির উপর ১৪৫ ধারায় স্থিতাবস্থা জারি করেছেন। একই সাথে সিলেট সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও শাহপরাণ থানার ওসি ও সার্ভেয়ার, উপজেলা ভূমি অফিস বা ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তাকে দখল বিষয়ক স্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। শাহপরাণ থানার ওসিকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তিনি আদালতের নির্দেশ মেনে কঠোরভাবে স্থিতাবস্থা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিশেষ করে সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার, শাহপরাণ থানার ওসিসহ সবার কঠোর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।এ ব্যাপারে জানতে রাশেদ আহমদ সাদ্দামের মোবাইলে একাধিকবার কল এবং হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ দিলেও তিনি কোনো জবাব দেন নি।সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন খাঁনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার নাতি রুহেল আহমদ।

এক সপ্তাহে ছিনতাইয়ের শিকার ৩ শিক্ষিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬

এক সপ্তাহে ছিনতাইয়ের শিকার ৩ শিক্ষিকা

সিলেটের ওসমানীনগরে ছিনতাই চক্রের সদস্যরা বেপরোয়া। গত এক সপ্তাহে ৩ শিক্ষিকা ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন। এক সপ্তাহে ৩জন ছিনতাইয়ের শিকারের ঘটনায় ওসমানীনগরের শিক্ষক মহল সহ সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টায় উপজেলার খাশিকাপন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সীমা রাণী দেব সকাল পৌনে ১০টায় বিদ্যালয়ে যাবার পথে বিদ্যালয়ের কাছাকাছি খাশিকাপন গ্রামের ভেতর কবরস্থান ও মাজারে কাছে গেলে মুখোশপরিহিত ৩জন ছিনতাইকারী তার গতিরোধ করে। এ সময় ছিনতাইকারীরা ধারালো অস্ত্রে মুখে তাকে জিম্মি করে কানের একজোড়া স্বর্ণের দোল এক স্বর্ণে আংটি লুট করে নিয়ে যায়।

এক সপ্তাহ আগে তাজপুর-সুরতপুর সড়কে সকাল ৯টায় একই স্কুলে আরেক সহকারী শিক্ষিকা ৩ ছিনতাইকারী কবলে পরেন তবে পিছন দিক থেকে যাত্রীবাহী একটি টমটম আসলে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। এদিকে গত সোমবার(১১ এপ্রিল) বিকেল সোয়া চারটায় স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে ব্রাহ্মণশাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সাকেরা পারভীর ১০ মাইল স্থানে ছিনতাইয়ের শিকার হন। এ সময় অস্ত্রধারী তিন ছিনতাইকীরা তার গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে গানের দোল ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায় পরে কানের দোল ইমিটেশনের বুঝায় তা ফেলে দিয়ে ছিনতাইকারীরা মোটরসাইকেল যোগে চলে যায়।

গত ৭ এপ্রিল সকালে ইলাশপুর গ্রামে ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরশেদুল আলম ভূঁইয়ার বাসভবন ‘আর কে টাওয়ার’-এর সামনে মিতা দেব নামে এক গৃহবধূ ছিনতাইয়ের শিকার হন। ভুক্তভোগী মিতা দেব তার সন্তানকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক সংলগ্ন লালকৈলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। আর কে টাওয়ারের সামনে আসা মাত্রই হঠাৎ মোটরসাইকেলে আসা ৩ জন ছিনতাইকারী মিতা দেবের গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে একটি স্বর্ণের চেইন ও একজোড়া স্বর্ণের কানের দুল লুটে নেয়।

থানার একদম কাছে এবং ওসির বাসার সামনে এমন দুঃসাহসিক ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর আগে গত ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার বানিজ্যকি প্রাণকেন্দ্র জনবহুল গোয়ালাবাজার সাব-পোস্ট অফিসে এক দুঃসাহসিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ডিগ্রি ফাইনাল পরীক্ষার খাতা গ্রহণ শেষে অফিস বন্ধ করার মুহূর্তে একদল সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ধারালো অস্ত্রের মুখে তিন কর্মচারীকে জিম্মি করে তাদের কাছে বেশি কিছু না পেয়ে তাদের হাত খরচের হাজার খনিক টাকা-পয়সা লুট করে নিয়ে যায়। একের পর এক সিরিজ ছিনতাইয়ের ঘটনায় উপজেলার বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এছাড়া কত কয়েক দিনে গোয়ালাবাজার দয়ামীর তাজপুর এলাকায় একাধিক মোটরসাইকেল চুরি হয়ে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু গরু চুরি সহ একাধিক চুরির ঘটনাও ঘটে। এদিকে উপজেলার গোয়ালাবাজারের দাশপাড়া গ্রামে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গ্রামের বিভিন্ন স্পটে বসে ভাসমাট ইয়াবার হাট। মাদকের ছড়াছড়ি বন্ধে সম্প্রতি গ্রামবাসীরা আন্দোলনে নামেন। গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে পুলিশের নিকট লিখিত অভিযোগ প্রদান করলে পুলিশ এলাকাবাসীদের নিয়ে বিট পুলিশিং সভা করেন ওই গ্রামে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের আলোতে এবং জনবহুল স্থানে এসব ঘটনা ঘটলেও অপরাধীদের গ্রেফতারে পুলিশের দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে এলাকাবাসী প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দ্রুত টহল জোরদার করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

ছিনতাইয়ের শিকার সীমা রাণী দেব বলেন, আমি খাশিকাপন বাজারে নেমে সকাল পৌনে ১০টার স্কুলে যাবার পথে খাশিকাপন গ্রামের ভেতর মাজারের পাশে ৩ ছিনতাইকারী আমাকে গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে কানের স্বর্ণের ১জোড়া দুল ও হাতে স্বর্ণে আংটি নিয়ে পালিঢে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানার ওসি সহ ২ গড়ি পুলিশ স্কুলে এসেছিলেন। ব্রাহ্মণশাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ের সহকারী শিক্ষিকা সাকেরা পারভীনের স্বামী আব্দুল মতিন জায়গীরদার বলেন, দিনে বেলায় প্রকাশ্যে আমাদের বাড়ির পাশে এসে ছিনতাইকারীরা আমার স্ত্রীকে ধারালো লম্বা বটি(দা)গলায় ধরে ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। এব্যাপারে প্রশাসনিক ভাবে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করা জরুরী। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওসমানীনগর(সার্কেল) মনছুরা আক্তার বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ছিনতাইকারীদের আইনের আওতায় আনতে।



সিলেট মহানগরের বালুচর এলাকায়
সৎ বাবার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬

সৎ বাবার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার

সিলেট মহানগরের বালুচর এলাকায় এবার নিজের সৎ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. আব্দুর রহীম নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দিল স্থানীয় জনতা।
মঙ্গলবার (২৫ মে) দুপুরের দিকে ঘটনাটি ঘটে। এর আগে বুধবার (২০ মে) সিলেটের জৈন্তাপুরে নিজের ১১ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে ওই শিশুর বাবাকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।

আটককৃত মো. আব্দুর রহীম (৫৪) বর্তমানে তিনি মহানগরীর বালুচর মেইন রোড এলাকায় একটি বাসায় ভাড়ায় থাকেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন থেকে ওই ব্যক্তি তার নিজের সৎ মেয়েকে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছেন। এই বিষয়ে এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মিলে বৈঠক করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জানালে তিনি অস্বিকার করেন। মঙ্গলবার মেয়েকে ফের নির্যাতন ও ধর্ষণের চেষ্টা করলে তখন এলাকার লোকজন মিলে ওই ব্যক্তিকে আটক করেন। তখন স্থানীয়রা মিলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মারধর করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন।

আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি মিডিয়া মো. মনজুরুল আলম। তিনি বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা। তাকে শাহপরাণ (রহ.) থানায় রাখা হয়েছে। ভিকটিম মেয়ে ও তার অভিযুক্ত সৎ পিতা দুজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনা সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


হবিগঞ্জে একদিনে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ মে, ২০২৬

হবিগঞ্জে একদিনে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক : হবিগঞ্জে একদিনে দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে শায়েস্তাগঞ্জ ও মাধবপুর উপজেলায় পৃথক ঘটনায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহগুলো ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। জানা যায়- সকালে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুরাবই গ্রামের ইকবাল মিয়ার পুত্র মুরাদ মিয়া (৪০) বুধবার রাত ১০টা থেকে নিখোঁজ ছিল। সকালে গ্রামের একটি বাশ ঝাড়ের নিচে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মরদেহ উদ্ধার করে।

শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোঃ আবুল কালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন- ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ যানা যাবে। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে।  এদিকে, মাধবপুর উপজেলার নেয়াপাড়ায় সায়হাম কোম্পানির নিকটস্থ একটি কবর স্থানের পাশ থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তি পুরুষ (৫২) এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। 
 বিষয়টি নিশ্চিত করে মাধবপুর থানার ওসি মাহবুব মোর্শেদ খান জানান- মরদেহের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ, মৃতুর কারণ নিয়ে চলছে তদন্ত।