শেয়ার বাজার

সিলেটের
মহাজনপট্টি থেকে আটক বিসু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

মহাজনপট্টি থেকে আটক বিসু

সিলেট মহানগরীর কোতোয়ালী থানার মহাজনপট্টি থেকে বিসু বাঁশফোড় নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তিনি একজন মাদক ব্যবসায়ী। রবিবার (৭ জুন) সন্ধ্যায় বিষয়টি জানিয়েছে সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেল। তারা জানায়, শনিবার (৬ জুন) রাত ১১টার দিকে বন্দরবাজার ফাঁড়ির একদল পুলিশ সদস্য তাকে আটক করে। বিসু বাঁশফোড় কোতোয়ালী থানার কাষ্টঘর সুইপার কলোনির ফকির চাঁন ও রেনু মালার ছেলে। আটকের সময় তার হেফাজত থেকে ১৫৫ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে।

 তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা (নং ৬/৭/৬/২৬) দায়ের করে বিসু বাঁশফোড়কে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো.  মনজুরুল আলম।সংবাদ সাবস্ক্রিপশন

 


প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ
ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ জুন, ২০২৬

ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানাধীন একটি হাই স্কুলের ৯ম শ্রেণী এক ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব। গৃহশিক্ষক তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ করার অভিযোগ উঠেছে। এসময় অপহরণের অভিযোগে গৃহ শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানাধীন চর ইসলামপুর এলাকায় এ অভিযান চালায় র‌্যাব। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে মোগলাবাজার থানা পুলিশ গ্রেফতারকৃত অন্তর খাঁনকে (২৫) নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। গ্রেফতারকৃত অন্তর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানার এড়ালিয়া পাড়ার আজাদ খাঁনের ছেলে। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে এসব তথ্য জানায় র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, অপহৃত স্কুল ছাত্রী মোগলাবাজার থানাধীন একটি হাই স্কুলের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী। গত ২১ মে সকালে স্কুলে গিয়ে বাড়িতে ফিরে না আসলে তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে কোথাও খুঁজে পাননি। পরে মোগলাবাজার থানায় একটি জিডি করেন। পরে স্কুলছাত্রীর পরিবার জানতে পারেন ভিকটিমের গৃহ শিক্ষক অন্তর খাঁন তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্থানীয় কলাবাগান বাজার থেকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটক করে রেখেছে। এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মোগলাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।



রামিসার মতো ফাহিমার বিচারেও এই ধরনের ঘোষণা চাই:শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

রামিসার মতো ফাহিমার বিচারেও এই ধরনের ঘোষণা চাই:শফিকুর রহমান

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, ‘সিলেটের ছোট্ট শিশু ফাহিমার প্রতি নৃশংস হত্যাকান্ডের ২৮দিনেও বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি, চার্জশীট দাখিল হয়নি। দেশব্যাপী আলোচিত এই ঘটনার বিচার দীর্ঘসুত্রিতার দিকে গেলে আমরা ধরে নেবো বিচার হবেনা। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে রামিসার কথা বলেছেন আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিচার হবে, আমরা ফাহিমার বিচারেও এইধরনের ঘোষণা চাই। এর বাস্তবায়ন চাই। দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফাহিমা হত্যা মামলার চার্জশীট প্রদানের জন্য পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। এইধরনের ঘটনার বিচার নিশ্চিতে আমরা নিম্ন ও উচ্চ আদালতে তাদের পাশে থাকবো।’

 তিনি মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১১ টায় সিলেট সদর উপজেলার সোনাতলায় পাশবিক নির্যাতন ও নৃশংস হত্যাকান্ডের শিকার চার বছরের শিশু ফাহিমার বাড়ীতে গিয়ে পরিবারের পাশে সাক্ষাত শেষে উপস্থিত সাংবাদিক ও জনগণের উদ্দেশ্যে উপরোক্ত কথা বলেন। তিনি তাদেরকে সহমর্মিতা জানানোর পাশাপাশি পরিবারের সার্বিক বিষয়ের খোঁজখবর নেন এবং সবসময় তাদের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসময় আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমি গ্রামবাসীদের কাছে অনুরোধ করছি আপনারা ফাহিমার বিপন্ন পরিবারটি পাশে থাকবেন। আমি কথা দিচ্ছি- আমার এবং আমাদের সংগঠন নিজের জায়গা থেকে সবসময় পরিবারের পাশে থাকবে। তাদের কপাল বদলানোর দায়িত্ব আল্লাহর। আমরা বিপদে পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব পালন করতে পারি। আমরা লোক দেখানো কোন কিছু করতে চাইনা। বাংলাদেশের যেখানে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে আমরা সীমিত সামর্থের ভেতরে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বলছি- আমি আপনার বিপদ দুর করতে পারবোনা, কিন্তু কষ্টের ভাগ নিতে এসেছি।

তিনি বলেন, যেখানেই মানুষ মজলুম হবে সেখানেই আমরা হাজির হবো। মজলুম কোন দল, মত ও ধর্মের সেটা বিবেচ্য নয়, আমরা তাকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করেই পাশে দাঁড়াবো। সিলেটের দুজন মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ থাকবে আপনারাও দায়িত্ব পালন করবেন। এই আসনের মন্ত্রীকে কথা দিয়েছি ফাহিমার বিচারে আমি পাশে থাকবো। আমরা দেখতে চাই এই জনপদের জন্য আপনী ভুমিকা পালন করেন।
 
বিরোধী দলীয় নেতা আরও বলেন, সমাজের লম্পটদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় তাদের দৌরাত্ম বেড়ে যাবে। ফাহিমা ও রামিসাদের আর্তচিৎকার, জীবন আলো নিভে যাওয়া ও তাদের আপনজনের চোখের পানিতে নদী তৈরী হয়ে যাওয়া বর্তমানে এটি হচ্ছে বাংলাদেশের চিত্র। জাতি হিসেবে আমরা লজ্জিত, নিজেকে ধিক্কার জানাই। আমরা মাসুম বাচ্চাদেরও ইজ্জত আমরা রক্ষা করতে পারছিনা। আমরা আবার বড় বড় কথা বলি, ধমকের সুরে কথা বলি। আমাদের কারও কারও আচরণে মনে হয়- আমরা শুধু দুনিয়া না, আসমানকেও শাসন করতে পারি-নাউযুবিল্লাহ। দুনিয়া ও আসমানের শাসন করার এখতিয়ার একমাত্র সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আল-আমীনের। ক্ষমতায় কেউ গেলে তাকে বিনয়ী হওয়া উচিত। কারণ সরকার হচ্ছে জনগণের পাহারাদার। অথচ তারা দেশবাসীকে তাদের ভাড়াটিয়া মনে করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব কালপ্রিটদের খুজে বের করা ও আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব বিচার নিশ্চিত করা। ফাহিমার সাথে অপকর্ম জাকির একা করে নাই। এর সাথে তার পরিবারের লোকজনও জড়িত বলে সবাই বলেছে। তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

 এসময় উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, মহানগর নায়েবে আমীর ড. নুরুল ইসলাম বাবুল, জেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, মহানগর সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা ইসলাম উদ্দিন, মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এডভোকেট জামিল আহমদ রাজু, সদর উপজেলা আমীর নাজির উদ্দিন, নায়েবে আমীর আব্দুল লতিফ লালা ও সেক্রেটারী আল ইমরান প্রমূখ।

 


জমি ছাড়তে সাদ্দামের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

জমি ছাড়তে সাদ্দামের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন

নিজের কেনা জমির দখল ছাড়তে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন নগরীর দপ্তরীপাড়া রায়নগর প্রত্যয়-৮১নং বাসার বাসিন্দা মো. সমছু উদ্দিন খাঁন। এমনকি আদালতের নিষেধ অমান্য করে যখন তখন বড় অঘটন ঘটিয়ে তার জমি দখল হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।বুধবার (২০ মে) দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শাহপরাণ থানার দেবপুর প্রকাশ মুকিরপাড়ার মৃত রূপা মিয়ার ছেলে মঞ্জু মিয়ার কাছ থেকে সাফ কবালা দলিলে সিলেট সদরের দেবপুর মৌজার জে এল নং ৯৬, ১৩৬২ এসএ দাগের ৭৯৫নং খতিয়ানের ০.৭৮ একর ভূমি ক্রয় করেছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যাবতীয় খাজনাও প্রদান করছিলেন। তবে ২০১৭ সালে এস.এ রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরাধিকারীরা আপত্তি জানালে সিলেট সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) নামজারী বাতিল করার পর আমি তার আদেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) আদালতে নামজারী মামলা নং- ৪৭/২০১৭ দায়ের করি। পরে ২০২১ সালে এসএ রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরসুরীরা আমমোক্তারনামার মাধ্যমে তাদের স্বত্ত্বত্যাগ করেন এবং এই ভূমি বর্তমানে আমার দখলে রয়েছে। সেখানে ঘর গাছপালা আছে এবং আমার একজন কেয়ারটেকারও বসবাস করছেন।তিনি জানান, তার ক্রয় করা এই ভূমি দখলের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন শাহপরাণ থানার মিরাপাড়ার মৃত ছটু মিয়ার ছেলে রাশেদ আহমদ সাদ্দাম (মোবাইল  নং- ০১৭১১-৪৪০০১৮) ও তার সহযোগী একদল ভূমিখেকো চক্র। সাদ্দাম এই সম্পত্তি তার মৌরসী দাবি করে দখল না ছাড়লে আমাদের জীবন দুর্বিসহ করে তোলার হুমকি দিচ্ছে। তার এমন হুমকিতে আমি অসহায় বোধ করছি। তিনি আওয়ামী লীগ আমলে আওয়ামী লীগের বড় নেতা পরিচয় দিয়ে নানান অপকর্ম করে বেড়াতেন। তবে সরকার বদলের পর এখন তিনি বিএনপির ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা ইত্যাদি পরিচয়ে তার সেই অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি শাহপরাণ থানাপুলিশের সৌর্স বা পুলিশের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্কের কথা প্রচার করে গোটা এলাকার মানুষকে তটস্থ করে রেখেছেন। তিনি ও তার বাহিনীর যন্ত্রণায় সাধারণ মানুষের জীবন আজ দুর্বিসহ। তিনি ২৩ এপ্রিল পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ দিলেও শাহপরাণ থানাপুলিশ নির্বিকার। তারা অজ্ঞাত কারণে নিরব। তিনি জানান, ১৮ মে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২্ এর বিচারক এই ভূমির উপর ১৪৫ ধারায় স্থিতাবস্থা জারি করেছেন। একই সাথে সিলেট সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও শাহপরাণ থানার ওসি ও সার্ভেয়ার, উপজেলা ভূমি অফিস বা ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তাকে দখল বিষয়ক স্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। শাহপরাণ থানার ওসিকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তিনি আদালতের নির্দেশ মেনে কঠোরভাবে স্থিতাবস্থা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিশেষ করে সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার, শাহপরাণ থানার ওসিসহ সবার কঠোর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।এ ব্যাপারে জানতে রাশেদ আহমদ সাদ্দামের মোবাইলে একাধিকবার কল এবং হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ দিলেও তিনি কোনো জবাব দেন নি।সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন খাঁনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার নাতি রুহেল আহমদ।