শেয়ার বাজার

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে
মিতা বেগম হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

মিতা বেগম হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে মিতা বেগম হত্যা মামলার পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থেকে খাদিজা বেগমকে (২৩) গ্রেফতার করা হয়। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে গ্রেফতারকৃত খাদিজাকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। গ্রেফতারকৃত খাদিজা বেগম (২৩) সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের নতুন বাগবাড়ী এলাকার টিটু মিয়ার স্ত্রী। বুধবার দুপুরে এসব তথ্য জানায় র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, নিহত মিতা বেগম সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানাধীন বাগবাড়ি (কান্দাহাটি) এলাকার বাসিন্দা। গত ২৯ মে সন্ধ্যায় ভিকটিমের ফুপাতো ভাই উজ্জল মিয়া অলি মিয়ার কাছে তার পাওনা সাড়ে ৭ টাকা চাইতে গেলে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে অন্যান্য বিবাদীগণসহ উজ্জল মিয়াকে লাঠিসোটা দিয়ে মারপিট করে মারাত্নক জখম করে। তখন জখমী উজ্জল মিয়ার চিৎকার শুনে ভিকটিম ও তার মা ঘটনাস্থলে এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। একই দিন আনুমানিক সন্ধ্যায় ভিকটিমের চিৎকার শুনে তার মাতা এগিয়ে এসে দেখতে পান বিবাদীগণ ভিকটিমকে মারপিট করে চুলের মুষ্টি ধরে টেনে ঘরের ভিতরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

এক পর্যায়ে বিবাদী টিটু মিয়া তার হাতে থাকা গাছের ডাল দিয়ে প্রাণে হত্যার উদ্দেশ্যে ভিকটিমের মাথার ডানপাশে আঘাত করলে ভিকটিম মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। বিবাদীদের মারপিটের কারনে ভিকটিম অজ্ঞান হয়ে পড়লে বিবাদীগণ ভিকটিমকে মৃত ভেবে ঘটনাস্থল হতে চলে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ভিকটিমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ভিকটিমকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০ মে রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের মাতা বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।


আশরাফুলের ঘুষের সাম্রাজ্য :কোটি টাকা বাণিজ্যে -বদলি -হয়রানি-ওয়াস ব্লকসহ ২৫ অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

আশরাফুলের ঘুষের সাম্রাজ্য :কোটি টাকা বাণিজ্যে -বদলি -হয়রানি-ওয়াস ব্লকসহ ২৫ অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি : সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা দুর্নীতি, ঘুষ-বাণিজ্য, শিক্ষক হয়রানি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের এক ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন গোয়াইনঘাট উপজেলার সাবেক সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল আলম। তার বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার অনিয়ম, বদলি বাণিজ্য, উন্নয়ন প্রকল্পে কমিশন আদায়, নারী শিক্ষকদের যৌন হয়রানি এবং সাংবাদিক ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শেষ করেছে। জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে ভুক্তভোগী শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর ২৫ দফা লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। পরে ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে অধিদপ্তরের শিক্ষা অফিসার (সাধারণ প্রশাসন) জিয়া উদ্দিন আহম্মদ গোয়াইনঘাট উপজেলা শিক্ষা অফিসে এসে তদন্ত পরিচালনা করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সাল থেকে টানা সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে গোয়াইনঘাটে দায়িত্ব পালনকালে আশরাফুল আলম একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একই কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি দায়িত্ব পালনের বিধান থাকলেও নানা কৌশলে তিনি একই উপজেলায় বহাল থাকেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় শিক্ষক বদলি, মাতৃত্বকালীন ছুটি, অবৈধ সংযুক্তি, পদোন্নতি, এসিআর, প্রশিক্ষণ, উন্নয়ন প্রকল্প ও স্কুল পরিদর্শন—সবকিছুকেই ঘুষ আদায়ের হাতিয়ারে পরিণত করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন করে আলোচনায় এসেছে পিডিপি-৪ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১৩৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মিত ওয়াস ব্লক প্রকল্প। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি প্রকল্পে ১৫ থেকে ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও অধিকাংশ কাজ নিম্নমানের করা হয়। অথচ প্রধান শিক্ষকদের বিল-ভাউচারে স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করা হতো। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এই প্রকল্প থেকেই প্রায় অর্ধকোটি টাকার ঘুষ ও কমিশন বাণিজ্য হয়েছে। শুধু ওয়াস ব্লক নয়, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ও ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবনসহ অন্যান্য উন্নয়ন কাজ থেকেও বড় অঙ্কের কমিশন আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, আন্তঃউপজেলা ও অন্তঃউপজেলা বদলিকে তিনি ঘুষ আদায়ের অন্যতম বড় খাতে পরিণত করেন। বিভিন্ন শিক্ষকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এক নারী শিক্ষিকার বদলির বিনিময়ে গরু ও মালয়েশিয়া ভ্রমণের রিটার্ন টিকিট দাবি করার অভিযোগও উঠেছে। দাবি পূরণ না করায় তাকে বদলি সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয় বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রতিটি স্কুল পরিদর্শনের পর প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে মোটরসাইকেলের তেলের খরচের কথা বলে ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হতো। উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনের নামেও ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নারী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, পদোন্নতি ও চাকরির নিরাপত্তার প্রলোভন দেখিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করতেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা। এতে রাজি না হলে মানসিক নির্যাতন ও প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হতে হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।এমনকি যৌন হয়রানির কারণে এক নারী শিক্ষক চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুললেই কিছু সাংবাদিককে ব্যবহার করে লাইভ প্রচার, অপপ্রচার ও সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হতো। ফলে দীর্ঘদিন অনেক শিক্ষক আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন।

২৫ টি লিখিত অভিযোগের  বিষয়ে জানতে বর্তমানে ওসমানী নগরে কর্মরত  শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম এর  ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে  তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, বেনামে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে আমাকে হয়রানি করতে। অন্যান্য প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি কৌশলে নীরবতা পালন করেন।  নীরবতা অভিযোগের সত্যতায় সম্মতির লক্ষণ।

অন্যদিকে অভিযোগের  বিষয়ে জানতে  প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তদন্ত কর্মকর্তা  শিক্ষা অফিসার (সাধারণ শাখা) জিয়া উদ্দিন আহম্মদ  এর  ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে  তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, “লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সঠিকভাবে তদন্ত করা হয়েছে। চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন  করবে।”

অভিযোগের  বিষয়ে জানতে  প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক( তদন্ত  ও শৃঙ্খলা শাখা)  মো: আব্দুস সালাম এর  ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে  তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আমি অফিসের বাহিরে অভিযোগ দেখে বিস্তারিত বলতে হবে।


শাল্লায় গরু
জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ জুন, ২০২৬

জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪ নম্বর শাল্লা ইউনিয়নের মনুয়া গ্রামে তিনটি গরু জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামের মুশাহিদ মিয়াসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কাছম আলী বাদী হয়ে শাল্লা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুর প্রায় ১২টার দিকে মনুয়া গ্রামের পশ্চিম পাশের দেওয়ালের কান্দা এলাকায় চরে থাকা তিনটি গরু নৌকাযোগে তুলে নিয়ে যান অভিযুক্তরা। এ সময় তাদের সঙ্গে দেশীয় অস্ত্র ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয়রা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে বলা হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মনুয়া গ্রামের মো. শামছু মিয়া, আব্দুল করিম, মো. রাশেল মিয়া, মো. বিলশ মিয়া ও মো. মোহন মিয়া জানান, তাদের সামনেই ৪ থেকে ৫ জন ব্যক্তি মাঠ থেকে গরুগুলো তুলে নৌকায় নিয়ে যায়। বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্তরা হুমকি দেয়। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে তারা আর কোনো বাধা দেননি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মুশাহিদ মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ভাই মুজাহিদ মিয়া ফোন রিসিভ করেন। তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি তাদের গ্রামে সংঘটিত দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্তদের গরু তাদের এক আত্মীয়ের বাড়িতে রাখা ছিল। সে কারণেই তারা গরুগুলো নিয়ে এসেছেন।

শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে থাকা এসআই শওকত আলী ইতোমধ্যে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।



সিলেট বক্ষব্যাধি ক্লিনিকে আয়া স্বপ্নার অবৈধ ঘর ও গরুর ফার্ম: প্রশাসন নির্বিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ মে, ২০২৬

সিলেট বক্ষব্যাধি ক্লিনিকে আয়া স্বপ্নার অবৈধ ঘর ও গরুর ফার্ম: প্রশাসন নির্বিকার

সুনির্মল সেন: সিলেট বক্ষব্যাধি ক্লিনিকের সরকারি ভূমির ওপর দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ঘর নির্মাণ ও গবাদিপশুর ফার্ম গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে ক্লিনিকের আয়া পদে কর্মরত স্বপ্না বেগমের বিরুদ্ধে| প্রায় ১৬ বছর যাবত তিনি ক্লিনিকের প্রায় ১৫ শতক জমি দখলে রেখে বসবাস করছেন এবং গত ১১ বছর ধরে সেখানে অস্ট্রেলিয়ান গরুর ফার্ম পরিচালনা করছেন বলে সরেজমিন অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এসেছে এমন তথ্য|

সম্প্রতি সরেজমিন অনুসন্ধানকালে দেখা যায়—উক্ত জমিতে বসবাসের জন্য দু’টি বড় ঘর এবং আরও দু’টি ঘর গরুর ফার্ম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে| এই দুগ্ধ ফার্মে ছোট-বড় মিলে প্রায় ১২টি গরু রয়েছে|  এ সব দুধেল গাভীর বাজারমূল্য আনুমানিক ২৫ লাখ টাকা হবে বলে জানা গেছে |

স্থানীয়রা জানান, অবৈধ ফার্মের কারণে গোবরের দুর্গন্ধে পথচারী, বিশেষ করে স্কুলুকলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে| সিলেট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী আবেদ ও মিজান বলেন, “স্কুলে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় তীব্র দুর্গন্ধে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়| এটি পরিবেশের জন্য বড় হুমকি|” এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি ভূমিতে আয়ার এমন দখলদারিত্ব বহু বছর ধরে সকলের চোখের সামনে হলেও কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না| অভিযুক্ত স্বপ্না বেগম দাবি করেন, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও সিলেট জেলা সিভিল সার্জনের মৌখিক অনুমতি নিয়েই তিনি ঘর নির্মাণ ও গরুর ফার্ম করেছেন|

তিনি বলেন, “গরু পালন করি নিজের দুধের প্রয়োজনেই; ব্যবসার উদ্দেশ্যে নয়|” তবে স্থানীয়দের কয়েকজন জানান, তিনি নিয়মিতই দুধ বিক্রি করেন| এদিকে ক্লিনিকের একজন রোগী জানান, তারা স্বপ্না বেগমের ফার্ম থেকেই দুধ কিনে থাকেন| অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট জেলা সিভিল সার্জন ডা. নাছির উদ্দিন গত নভেম্বরে জানান, “অবৈধভাবে ঘর বা গরুর ফার্ম নির্মাণের বিষয়ে আমি অবগত নই, খোজঁ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে|” ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও দীর্ঘ ৭/৮ মাসেও তিনি সিলেট বক্ষব্যাধি ক্লিনিকের ভূমিতে অবৈধ ঘর নির্মাণ ও গরুর ফার্ম তরির ব্যপারে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেননি রহস্যজনক কারণে| কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে|

সচেতন মহল বিশেষের কাছে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, কার খুঁটির জুড়ে একজন ক্লিনিকের আায়া স্বপ্না বেগম সরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান সিলেট বক্ষব্যাধি ক্লিনিক এর ভূমির উপর দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে বাসস্থান ও দুগ্ধ গাভীর ফার্ম তৈরি করে ব্যবসা করে আসছেন, বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা|