শেয়ার বাজার

নগরীর আম্বরখানা থেকে কাভার্ড ভ্যান ভর্তি ভারতীয় পণ্যসহ এক ব্যক্তি আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

নগরীর আম্বরখানা থেকে কাভার্ড ভ্যান ভর্তি ভারতীয় পণ্যসহ এক ব্যক্তি আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট নগরীর আম্বরখানা দর্শনদেউড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাভার্ড ভ্যান ভর্তি ভারতীয় পণ্য (বুঙ্গার মাল) আটক করেছে পুলিশ। এসময় এক ব্যক্তিকে আটকও করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই মো. আবদুল আজিজের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে আনা ভারতীয় পণ্যবাহী কাভার্ড ভ্যানটি আটক করা হয়।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অফিসার, অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. মনজুরুল আলম জানান, কাভার্ড ভ্যানটির ভেতর ৬০ বস্তায় ১৮০০ কেজি জিরা ও ১৫ বস্তায় ৭৫০ কেজি চাপাতা ছিল। জব্দকৃত পণ্যের বাজার মূল্য প্রায় সোয়া ১১ লাখ টাকা। এসময় আবদুস শুকুর (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার উপর সামপুর গ্রামের মৃত আইয়ূব আলীর ছেলে। এ ঘটনায় কোতোয়ালী মডেল থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।


সিলেটে এবার দক্ষিণ সুরমায়
শিশু ধর্ষণ, যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

শিশু ধর্ষণ, যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটে শিশু ফা‌হিমা ধর্ষণ ও হত‌্যার ঘটনার রেশ কাটার আগেই আবারও রেল স্টেশন এলাকার একটি পরিত্যক্ত বিল্ডিংয়ে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় রেল পুলিশ ওই শিশুকে উদ্ধার করে এবং পরবর্তীতে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত যুবককে সকাল ৬টার দিকে কদমতলী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর রাত ৪টার দিকে রেল স্টেশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আটককৃত ব্যক্তির নাম লোদন (৩৫)। তিনি রেল স্টেশন এলাকার বসবাস করতেন এবং মাদকসেবী বলে জানায় পুলিশ।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, লোদন প্রায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রেল স্টেশনে পড়ে থাকে। মঙ্গলবার (২ জুন) কালকে রাত্রে আনুমানিক তিনটা থেকে সাড়ে তিনটার দিকে সে এই মেয়েটিকে ভুলভাল বুঝিয়ে তার সাথে নিয়ে যায়। এবং প্রথমে মেয়েটিকে নেশাগ্রস্ত করে তারপর ধর্ষণ করে। সে সময় স্থানীয়রা তাকে বাঁধা দিতে চাইলে তার হাতে অস্ত্র থাকায় তারা ভয়ে কিছু বলতে পারেনি। পরে স্থানীয়রা রেল পুলিশকে খবর দিলে রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং লোদনকে আটক করে। পরবর্তীতে রেল পুলিশ দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং সকাল ৬টার দিকে থানা পুলিশ কদমতলী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান দিয়ে লোদনকে গ্রেফতার করে। 

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান সিলেটভিউকে বলেন, ‘উদ্ধারকৃত ওই ১২ বছরের শিশুটি ভবঘুরে। এবং এই ঘটনায় যারা অভিযুক্ত তারা মাদকসেবক। তারা সকলেই রেল স্টেশন এলাকায় রাতযাপন করেন। শিশুর অভিযোগের ভিত্তিতে রেল পুলিশের সহায়তায় আমরা একজনকে আটক করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বাকিদের আটক করতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকায় স্বজন প্রীতির অভিযোগ
প্রকৃত কৃষক বঞ্চিত শাল্লায় প্রতিবাদ মিছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ জুন, ২০২৬

প্রকৃত কৃষক বঞ্চিত শাল্লায় প্রতিবাদ মিছিল

শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও বন্যার পানিতে ফসলহানির শিকার কৃষকদের জন্য সরকারি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে প্রস্তুত করা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা নিয়ে শাল্লা উপজেলায় তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তালিকা প্রণয়নে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ এনে বিক্ষোভে নেমেছেন স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসী।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে উপজেলার ২ নম্বর হাবিবপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য সুব্রত দাসের নেতৃত্বে ক্ষুব্ধ কৃষকরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে বাধার মুখে তারা মিছিল নিয়ে হাবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি ও অকৃষকদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে প্রকৃত ভুক্তভোগীরা সরকারি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগের তীর ২ নম্বর হাবিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বাবলু মেম্বারের দিকে। তাদের দাবি, তালিকা প্রস্তুতের সময় যোগ্য কৃষকদের উপেক্ষা করে নিজের পছন্দের ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, উপজেলার ৪ নম্বর শাল্লা ইউনিয়নের সদস্য আব্দুল হাই মেম্বারের বিরুদ্ধেও অর্থের বিনিময়ে নাম অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” এ বিষয়ে অভিযুক্ত বাবলু মেম্বার বলেন, “সবার চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।”

ঘটনার বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস জানান, “যদি কোনো প্রকৃত কৃষকের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ে থাকে কিংবা অযোগ্য কেউ তালিকাভুক্ত হয়ে থাকেন, তাহলে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে। এখনও তালিকা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।”

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দাবি, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের চিহ্নিত করে তালিকা চূড়ান্ত করা এবং সরকারি সহায়তা সুষ্ঠুভাবে বিতরণ নিশ্চিত করা হোক।


“রাতের আঁধারে ইজারা বাণিজ্য: ৬১ লাখ টাকার কাজ গেল আ.লীগ নেতার ঘনিষ্ঠের হাতে!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ মে, ২০২৬

“রাতের আঁধারে ইজারা বাণিজ্য: ৬১ লাখ টাকার কাজ গেল আ.লীগ নেতার ঘনিষ্ঠের হাতে!

স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেটের গোয়াইনঘাটের পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের ৬১ লাখ টাকার ইজারা রাতের আঁধারে মোটা অংকের টাকায় আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলীকে দেওয়ার অভিযোগ চেয়ারম্যান মামুন পারভেজের উপর| গোয়াইনঘাটে উপজেলার প্রভাবশালী মহল, প্রশাসনের সাথে রয়েছে সখ্যতা আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলীর| কামাল উদ্দিনের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ০২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন পারভেজ, রমজান আলী, কবির আহমদ, ফারুক আহমদ, কাওছার আহমদ, নাহিদ আহমদ, মাহিন আহমদ উশৃঙ্খল ও দাঙ্গাবাজ প্রকৃতির লোক| বিভিন্ন লোকজনদেরকে ফাঁদে ফেলে টাকা আত্মসাৎ করাই তাদের একমাত্র পেশা| তারা ˆ¯^রাচার আওয়ামীলীগের গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার বিভিন্ন অংঙ্গ সংগঠনের সক্রিয় কর্মী ও প্রভাবশালী নেতা ছিলেন|

গত ২৬ এপ্রিল জাফলং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় কর্তৃক স্মারক নং- প/জা/ইউপি ২০২৬/৪২ মূলে সর্ব সাধারণের জ্ঞাতার্থে ২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন বালি পরিবহনকারী গাড়িও পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের সীমানার মধ্যে বালি পরিবহনকারী ইঞ্জিন নৌকার উপর ইউনিয়ন উন্নয়ন কর হিসাবে ইজারা প্রদান করার লক্ষ্যে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি জারি করেন| দরপত্র জারির পর প্রায় ৪০ জনের মত ব্যক্তি বিভিন্ন প্রতিষ্টানের নামে অফেরতযোগ্য ১ হাজার টাকা ফি প্রদানের মাধ্যমে দরপত্র দাখিল করেন| দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২৯ এপ্রিল বুধবার দরপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ও সময়/ দরপত্র খোলার সময় দেওয়া হয়| আবার একই দিন দুপুর সাড়ে ১২ ঘটিকার সময় সর্বোচ্চ দরদাতা / ইজারাদারের নাম ঘোষণা করার কথা জানানো হয়| গত ২৯ এপ্রিল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান মামুন পারভেজের অফিস কক্ষ আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলী, এনাম আহমদ সহ অন্যান্য দরপত্র আহবানকারীদের উপস্থিতিতে জনসম্মুখে বর্ণিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত ইজারা সর্বোচ্চ ইজারাদার হিসাবে শাহরিয়ার তামিম উজ্জ্বলকে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে নাম ঘোষণা করা হয়| শাহরিয়ার তামিম উজ্জ্বল ৬১ লাখ টাকার বিনিময়ে ইজারা প্রাপ্ত হন বলে জানানো হয়|

কিন্তু অদৃশ্য ক্ষমতার বলে পরবর্তীতে তা বাতিল করে এনামকে দেওয়া হয়| প্রকৃতপক্ষে এই ইজারা নেওয়ার মুলে রয়েছে আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলী| রমজান আলীর সাথে চেয়ারম্যান মামুন পারভেজের রয়েছে সুসম্পর্ক| আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলীর উপর ˆবষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র জনতার উপর হামলার দােেয় গোয়াইনঘাট থানায় একাধিক মামলা চলমান রয়েছে| তাই কৌশলে রমজান ও চেয়ারম্যান মামুন পারভেজ গত ১৪/০৫/২৬ ইং ০২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ডাকঘর: মাতুরতল বাজার-৩১৫০, উপজেলা: গোয়াইনঘাট, জেলা: সিলেটের ¯^ারক নং-: প: জাফ, ইউ. পি/২০২৬-৪৯ তারিখ: ১৪/০৫/২০২৬ মুলে একটি দরখাস্ত কাউকে না জানিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রমজানের পছন্দের মানুষ এনাম কে ইজারা প্রদান করেন| এসময় শাহরিয়ার তামিম উজ্জ্বল ইজারা না দিয়ে রমজানের ঘনিষ্ঠ সহচর তার অনুপস্থিতিতে ইজারা মেসার্স ফারহান এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী এনাম উদ্দিন, পিতার নাম: আছদ্দর আলী, গ্রাম: তারুখাল, ডাক: মাতুরতল বাজার-৩১৫০, উপজেলা: গোয়াইনঘাট জেলা: সিলেটকে ইজারা প্রদান করা হয়| এতে ০২ নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের লাখ লাখ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়|

ইজারাদার এনাম কে ইজারা দেওয়ার পেছনে রমজানের সম্পৃক্ততা রয়েছে| এনামের নামও প্রতিষ্টানের নাম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ নেতা রমজান ইজারা নেয়| কারন রমজান বিগত ফ্যাসিস্ট ˆ¯^রাচার আওয়ামী লীগ সরকারের উপজেলার প্রভাবশালী নেতা ছিল| তার বিরুদ্ধে তখন কথা বলার সাহস কেউ পেত না| জুলাই আগষ্টের আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে রমজান খোলস পাল্টিয়ে বিভিন্ন মানুষের নামে ও প্রতিষ্টানের নাম ব্যবহার করে আজ পর্যন্ত ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে| একাধিক সুত্রে রমজান সীমান্তে ওপার থেকে ভারতীয় পন্য, বিদেশি মদ, চিনি, কসমেটিক সহ নানান জিনিস সরকারের রাজ¯^ ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে| চোরাচালানের জগতে রমজানের প্রভাব ও আধিপত্য এখনো বহাল আছে বলে জানিয়েছেন উপজেলাবাসী|

বর্তমানে ইজারাদার মেসার্স ফারহান এন্টারপ্রাইজ কতৃক মালামাল বহনকারী নৌকা ও ট্রাক গুলোতে যে পরিবহন কর রশিদ দিচ্ছেন তাতে রয়েছে পরিবহন শ্রমিক ও চালকদের নানান প্রশ্ন| চালকরা জানান, কর রশিদের মধ্যে রয়েছে ইজারাদার প্রতিষ্টানের নাম, ইউনিয়ন পরিষদের স্মারক| নেই কোন শীল মোহর, নেই কোন যোগাযোগ না¤^ার| ইজারাকৃত জায়গা থেকে মালমাল নেওয়ার সময় যদি কোন জায়গায় জবাবদিহিতা বা আইনগত কোন ঝামেলার সৃষ্টি হলে এই পরিবহন কর রশিদ কতটুকু যৌক্তিক বা আইনসিদ্ধ হবে তা আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না|