শেয়ার বাজার

“রাতের আঁধারে ইজারা বাণিজ্য: ৬১ লাখ টাকার কাজ গেল আ.লীগ নেতার ঘনিষ্ঠের হাতে!

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

“রাতের আঁধারে ইজারা বাণিজ্য: ৬১ লাখ টাকার কাজ গেল আ.লীগ নেতার ঘনিষ্ঠের হাতে!

স্টাফ রিপোর্টার :: সিলেটের গোয়াইনঘাটের পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের ৬১ লাখ টাকার ইজারা রাতের আঁধারে মোটা অংকের টাকায় আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলীকে দেওয়ার অভিযোগ চেয়ারম্যান মামুন পারভেজের উপর| গোয়াইনঘাটে উপজেলার প্রভাবশালী মহল, প্রশাসনের সাথে রয়েছে সখ্যতা আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলীর| কামাল উদ্দিনের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ০২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন পারভেজ, রমজান আলী, কবির আহমদ, ফারুক আহমদ, কাওছার আহমদ, নাহিদ আহমদ, মাহিন আহমদ উশৃঙ্খল ও দাঙ্গাবাজ প্রকৃতির লোক| বিভিন্ন লোকজনদেরকে ফাঁদে ফেলে টাকা আত্মসাৎ করাই তাদের একমাত্র পেশা| তারা ˆ¯^রাচার আওয়ামীলীগের গোয়াইনঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার বিভিন্ন অংঙ্গ সংগঠনের সক্রিয় কর্মী ও প্রভাবশালী নেতা ছিলেন|

গত ২৬ এপ্রিল জাফলং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় কর্তৃক স্মারক নং- প/জা/ইউপি ২০২৬/৪২ মূলে সর্ব সাধারণের জ্ঞাতার্থে ২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের আওতাধীন বালি পরিবহনকারী গাড়িও পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের সীমানার মধ্যে বালি পরিবহনকারী ইঞ্জিন নৌকার উপর ইউনিয়ন উন্নয়ন কর হিসাবে ইজারা প্রদান করার লক্ষ্যে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি জারি করেন| দরপত্র জারির পর প্রায় ৪০ জনের মত ব্যক্তি বিভিন্ন প্রতিষ্টানের নামে অফেরতযোগ্য ১ হাজার টাকা ফি প্রদানের মাধ্যমে দরপত্র দাখিল করেন| দরপত্রের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২৯ এপ্রিল বুধবার দরপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ও সময়/ দরপত্র খোলার সময় দেওয়া হয়| আবার একই দিন দুপুর সাড়ে ১২ ঘটিকার সময় সর্বোচ্চ দরদাতা / ইজারাদারের নাম ঘোষণা করার কথা জানানো হয়| গত ২৯ এপ্রিল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান মামুন পারভেজের অফিস কক্ষ আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলী, এনাম আহমদ সহ অন্যান্য দরপত্র আহবানকারীদের উপস্থিতিতে জনসম্মুখে বর্ণিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত ইজারা সর্বোচ্চ ইজারাদার হিসাবে শাহরিয়ার তামিম উজ্জ্বলকে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে নাম ঘোষণা করা হয়| শাহরিয়ার তামিম উজ্জ্বল ৬১ লাখ টাকার বিনিময়ে ইজারা প্রাপ্ত হন বলে জানানো হয়|

কিন্তু অদৃশ্য ক্ষমতার বলে পরবর্তীতে তা বাতিল করে এনামকে দেওয়া হয়| প্রকৃতপক্ষে এই ইজারা নেওয়ার মুলে রয়েছে আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলী| রমজান আলীর সাথে চেয়ারম্যান মামুন পারভেজের রয়েছে সুসম্পর্ক| আওয়ামী লীগ নেতা রমজান আলীর উপর ˆবষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র জনতার উপর হামলার দােেয় গোয়াইনঘাট থানায় একাধিক মামলা চলমান রয়েছে| তাই কৌশলে রমজান ও চেয়ারম্যান মামুন পারভেজ গত ১৪/০৫/২৬ ইং ০২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ডাকঘর: মাতুরতল বাজার-৩১৫০, উপজেলা: গোয়াইনঘাট, জেলা: সিলেটের ¯^ারক নং-: প: জাফ, ইউ. পি/২০২৬-৪৯ তারিখ: ১৪/০৫/২০২৬ মুলে একটি দরখাস্ত কাউকে না জানিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রমজানের পছন্দের মানুষ এনাম কে ইজারা প্রদান করেন| এসময় শাহরিয়ার তামিম উজ্জ্বল ইজারা না দিয়ে রমজানের ঘনিষ্ঠ সহচর তার অনুপস্থিতিতে ইজারা মেসার্স ফারহান এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী এনাম উদ্দিন, পিতার নাম: আছদ্দর আলী, গ্রাম: তারুখাল, ডাক: মাতুরতল বাজার-৩১৫০, উপজেলা: গোয়াইনঘাট জেলা: সিলেটকে ইজারা প্রদান করা হয়| এতে ০২ নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের লাখ লাখ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়|

ইজারাদার এনাম কে ইজারা দেওয়ার পেছনে রমজানের সম্পৃক্ততা রয়েছে| এনামের নামও প্রতিষ্টানের নাম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ নেতা রমজান ইজারা নেয়| কারন রমজান বিগত ফ্যাসিস্ট ˆ¯^রাচার আওয়ামী লীগ সরকারের উপজেলার প্রভাবশালী নেতা ছিল| তার বিরুদ্ধে তখন কথা বলার সাহস কেউ পেত না| জুলাই আগষ্টের আন্দোলনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে রমজান খোলস পাল্টিয়ে বিভিন্ন মানুষের নামে ও প্রতিষ্টানের নাম ব্যবহার করে আজ পর্যন্ত ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে| একাধিক সুত্রে রমজান সীমান্তে ওপার থেকে ভারতীয় পন্য, বিদেশি মদ, চিনি, কসমেটিক সহ নানান জিনিস সরকারের রাজ¯^ ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে| চোরাচালানের জগতে রমজানের প্রভাব ও আধিপত্য এখনো বহাল আছে বলে জানিয়েছেন উপজেলাবাসী|

বর্তমানে ইজারাদার মেসার্স ফারহান এন্টারপ্রাইজ কতৃক মালামাল বহনকারী নৌকা ও ট্রাক গুলোতে যে পরিবহন কর রশিদ দিচ্ছেন তাতে রয়েছে পরিবহন শ্রমিক ও চালকদের নানান প্রশ্ন| চালকরা জানান, কর রশিদের মধ্যে রয়েছে ইজারাদার প্রতিষ্টানের নাম, ইউনিয়ন পরিষদের স্মারক| নেই কোন শীল মোহর, নেই কোন যোগাযোগ না¤^ার| ইজারাকৃত জায়গা থেকে মালমাল নেওয়ার সময় যদি কোন জায়গায় জবাবদিহিতা বা আইনগত কোন ঝামেলার সৃষ্টি হলে এই পরিবহন কর রশিদ কতটুকু যৌক্তিক বা আইনসিদ্ধ হবে তা আমাদের বোধগম্য হচ্ছে না|


র‌্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেটে ৬৫ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, আটক ১

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ মে, ২০২৬

র‌্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেটে ৬৫ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, আটক ১

স্টাফ রিপোর্টারঃ সিলেটে র‌্যাব-৯ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাচালানি পণ্যসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে| জব্দকৃত পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব| রোববার (১৭ মে) র‌্যাব-৯, সিপিসি-২ সিলেটের গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়| র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৬ মে রাত আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানাধীন শাহপরান সেতু টোল প্লাজা সংলগ্ন বাইপাস এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে অভিযান পরিচালনা করা হয়| এসময় একটি নীল রঙের পিকআপে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার করা হয়| অভিযানকালে পিকআপ থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ৩ জনের মধ্যে একজনকে আটক করা সম্ভব হয়|

আটক ব্যক্তি হলেন সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার গোরাকপুর গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (২৫)| অপর দুইজন কৌশলে পালিয়ে যায়| র‌্যাব আরও জানায়, আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পিকআপ থেকে ভারতীয় ১ হাজার ২০৫ পিস শাড়ি, ৪ লাখ পিস ঈুঢ়ৎড়যবঢ়ঃধফরহব ঞধনষবঃং ৪সম, ২ হাজার ৩৮ পিস ঔটঝঞ উ৩ উৎড়ঢ়ং ৩০সষ এবং ৩ হাজার ৬০০ পিস ইধপরষষঁং ঈষধঁংরর ঝঢ়ড়ৎবং ঝঁংঢ়বহংরড়হ ৫সষ উদ্ধার করা হয়| প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি ¯^ীকার করেছেন, তারা ভারত থেকে অবৈধভাবে এসব পণ্য বাংলাদেশে এনে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন| এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে| আটক ব্যক্তি ও জব্দকৃত আলামত থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব| র‌্যাব-৯ জানিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ¯^াভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে|



জমি ছাড়তে সাদ্দামের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

জমি ছাড়তে সাদ্দামের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন

নিজের কেনা জমির দখল ছাড়তে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন নগরীর দপ্তরীপাড়া রায়নগর প্রত্যয়-৮১নং বাসার বাসিন্দা মো. সমছু উদ্দিন খাঁন। এমনকি আদালতের নিষেধ অমান্য করে যখন তখন বড় অঘটন ঘটিয়ে তার জমি দখল হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।বুধবার (২০ মে) দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শাহপরাণ থানার দেবপুর প্রকাশ মুকিরপাড়ার মৃত রূপা মিয়ার ছেলে মঞ্জু মিয়ার কাছ থেকে সাফ কবালা দলিলে সিলেট সদরের দেবপুর মৌজার জে এল নং ৯৬, ১৩৬২ এসএ দাগের ৭৯৫নং খতিয়ানের ০.৭৮ একর ভূমি ক্রয় করেছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যাবতীয় খাজনাও প্রদান করছিলেন। তবে ২০১৭ সালে এস.এ রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরাধিকারীরা আপত্তি জানালে সিলেট সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) নামজারী বাতিল করার পর আমি তার আদেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) আদালতে নামজারী মামলা নং- ৪৭/২০১৭ দায়ের করি। পরে ২০২১ সালে এসএ রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরসুরীরা আমমোক্তারনামার মাধ্যমে তাদের স্বত্ত্বত্যাগ করেন এবং এই ভূমি বর্তমানে আমার দখলে রয়েছে। সেখানে ঘর গাছপালা আছে এবং আমার একজন কেয়ারটেকারও বসবাস করছেন।তিনি জানান, তার ক্রয় করা এই ভূমি দখলের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন শাহপরাণ থানার মিরাপাড়ার মৃত ছটু মিয়ার ছেলে রাশেদ আহমদ সাদ্দাম (মোবাইল  নং- ০১৭১১-৪৪০০১৮) ও তার সহযোগী একদল ভূমিখেকো চক্র। সাদ্দাম এই সম্পত্তি তার মৌরসী দাবি করে দখল না ছাড়লে আমাদের জীবন দুর্বিসহ করে তোলার হুমকি দিচ্ছে। তার এমন হুমকিতে আমি অসহায় বোধ করছি। তিনি আওয়ামী লীগ আমলে আওয়ামী লীগের বড় নেতা পরিচয় দিয়ে নানান অপকর্ম করে বেড়াতেন। তবে সরকার বদলের পর এখন তিনি বিএনপির ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা ইত্যাদি পরিচয়ে তার সেই অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি শাহপরাণ থানাপুলিশের সৌর্স বা পুলিশের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্কের কথা প্রচার করে গোটা এলাকার মানুষকে তটস্থ করে রেখেছেন। তিনি ও তার বাহিনীর যন্ত্রণায় সাধারণ মানুষের জীবন আজ দুর্বিসহ। তিনি ২৩ এপ্রিল পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ দিলেও শাহপরাণ থানাপুলিশ নির্বিকার। তারা অজ্ঞাত কারণে নিরব। তিনি জানান, ১৮ মে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২্ এর বিচারক এই ভূমির উপর ১৪৫ ধারায় স্থিতাবস্থা জারি করেছেন। একই সাথে সিলেট সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও শাহপরাণ থানার ওসি ও সার্ভেয়ার, উপজেলা ভূমি অফিস বা ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তাকে দখল বিষয়ক স্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। শাহপরাণ থানার ওসিকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তিনি আদালতের নির্দেশ মেনে কঠোরভাবে স্থিতাবস্থা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিশেষ করে সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার, শাহপরাণ থানার ওসিসহ সবার কঠোর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।এ ব্যাপারে জানতে রাশেদ আহমদ সাদ্দামের মোবাইলে একাধিকবার কল এবং হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ দিলেও তিনি কোনো জবাব দেন নি।সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন খাঁনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার নাতি রুহেল আহমদ।


শাল্লায় গরু
জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৫ জুন, ২০২৬

জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ, তদন্তে পুলিশ

শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৪ নম্বর শাল্লা ইউনিয়নের মনুয়া গ্রামে তিনটি গরু জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামের মুশাহিদ মিয়াসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কাছম আলী বাদী হয়ে শাল্লা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুর প্রায় ১২টার দিকে মনুয়া গ্রামের পশ্চিম পাশের দেওয়ালের কান্দা এলাকায় চরে থাকা তিনটি গরু নৌকাযোগে তুলে নিয়ে যান অভিযুক্তরা। এ সময় তাদের সঙ্গে দেশীয় অস্ত্র ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয়রা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দেয় বলেও অভিযোগে বলা হয়।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মনুয়া গ্রামের মো. শামছু মিয়া, আব্দুল করিম, মো. রাশেল মিয়া, মো. বিলশ মিয়া ও মো. মোহন মিয়া জানান, তাদের সামনেই ৪ থেকে ৫ জন ব্যক্তি মাঠ থেকে গরুগুলো তুলে নৌকায় নিয়ে যায়। বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্তরা হুমকি দেয়। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে তারা আর কোনো বাধা দেননি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মুশাহিদ মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ভাই মুজাহিদ মিয়া ফোন রিসিভ করেন। তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি তাদের গ্রামে সংঘটিত দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্তদের গরু তাদের এক আত্মীয়ের বাড়িতে রাখা ছিল। সে কারণেই তারা গরুগুলো নিয়ে এসেছেন।

শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, ঘটনার তদন্তের দায়িত্বে থাকা এসআই শওকত আলী ইতোমধ্যে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।