শেয়ার বাজার

র‌্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেটে ৬৫ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, আটক ১

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

র‌্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেটে ৬৫ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ, আটক ১

স্টাফ রিপোর্টারঃ সিলেটে র‌্যাব-৯ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাচালানি পণ্যসহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে| জব্দকৃত পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব| রোববার (১৭ মে) র‌্যাব-৯, সিপিসি-২ সিলেটের গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়| র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১৬ মে রাত আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানাধীন শাহপরান সেতু টোল প্লাজা সংলগ্ন বাইপাস এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে অভিযান পরিচালনা করা হয়| এসময় একটি নীল রঙের পিকআপে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার করা হয়| অভিযানকালে পিকআপ থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ৩ জনের মধ্যে একজনকে আটক করা সম্ভব হয়|

আটক ব্যক্তি হলেন সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার গোরাকপুর গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (২৫)| অপর দুইজন কৌশলে পালিয়ে যায়| র‌্যাব আরও জানায়, আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পিকআপ থেকে ভারতীয় ১ হাজার ২০৫ পিস শাড়ি, ৪ লাখ পিস ঈুঢ়ৎড়যবঢ়ঃধফরহব ঞধনষবঃং ৪সম, ২ হাজার ৩৮ পিস ঔটঝঞ উ৩ উৎড়ঢ়ং ৩০সষ এবং ৩ হাজার ৬০০ পিস ইধপরষষঁং ঈষধঁংরর ঝঢ়ড়ৎবং ঝঁংঢ়বহংরড়হ ৫সষ উদ্ধার করা হয়| প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি ¯^ীকার করেছেন, তারা ভারত থেকে অবৈধভাবে এসব পণ্য বাংলাদেশে এনে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন| এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় গোলাপগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে| আটক ব্যক্তি ও জব্দকৃত আলামত থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব| র‌্যাব-৯ জানিয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ¯^াভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে|


প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি স্থানীয়দের
কোম্পানীগঞ্জে অবৈধ বালু বাণিজ্যে তছনছ বরমছড়া নদী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ জুন, ২০২৬

কোম্পানীগঞ্জে অবৈধ বালু বাণিজ্যে তছনছ বরমছড়া নদী

স্টাফ রিপোর্টার:: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বরমছড়া নদীতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও মজুদের অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, প্রকাশ্য দিবালোকে নদী থেকে বালু উত্তোলন করা হলেও রহস্যজনক কারণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

সম্প্রতি সরেজমিন পরিদর্শন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার গাছঘর, ধুপড়ীরপাড়, বতুমারা ও আশপাশের এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি সংঘবদ্ধভাবে বরমছড়া নদী থেকে বালু উত্তোলন করছেন। অভিযোগে যাদের নাম উঠে এসেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন গাছঘর গ্রামের ইউপি সদস্য আবুল বাশার, যুবদল নেতা আবুল কাশেম, মাসুক মিয়া, আব্দুল মুতলিব, জামিল মিয়া, ইউসুফ আলী, জুয়েল মিয়া, আনসার আলী, ইসমাইল আলী, দুলাল মিয়া, সাহেল মিয়া, আব্দুল হান্নান, শহীদ মিয়া, নুরুল আমিন মেম্বার, আজাদ মিয়া, জালাল মিয়া ও তৈয়্যব মিয়াসহ আরও অনেকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর বিভিন্ন অংশ থেকে প্রতিদিন বালু উত্তোলন করে নদীতীরবর্তী এলাকায় বিশাল আকারে মজুদ করা হচ্ছে। বিশেষ করে বতুমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে এবং ধুপড়ীরপাড় বাজারসংলগ্ন এলাকায় বড় বড় বালুর স্তূপ দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টরা ব্যক্তিগত বাড়িঘর নির্মাণ ও বসতভিটার উন্নয়নের কথা বললেও অধিকাংশ বালু বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর মতে, বরমছড়া নদী একটি ছোট নদী হওয়ায় অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে নদীতীর ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে এবং আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীপাড়ের বসতবাড়ি, কৃষিজমি, মসজিদ, বাজার ও সড়ক অবকাঠামো ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

নদীপাড়ের কয়েকজন কৃষক জানান, নদীর দুই তীরের বিস্তীর্ণ এলাকায় আমন ও বোরো ধানের আবাদ হয়। অব্যাহত বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তলদেশে ভারসাম্য নষ্ট হলে কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপরও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা বলেন, “দিনের বেলায় প্রকাশ্যে বালু তোলা হচ্ছে। প্রশাসন চাইলে সহজেই বিষয়টি দেখতে পারে। কিন্তু অদৃশ্য কারণে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ হচ্ছে না।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ তালুকদার বলেন, “অবৈধভাবে বালু উত্তোলন পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। খুব শিগগিরই অভিযান পরিচালনা করা হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা অবিলম্বে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ এবং নদী রক্ষায় নিয়মিত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বরমছড়া নদী ও এর আশপাশের জনপদ বড় ধরনের পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বে।



প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ
ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ জুন, ২০২৬

ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার থানাধীন একটি হাই স্কুলের ৯ম শ্রেণী এক ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব। গৃহশিক্ষক তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অপহরণ করার অভিযোগ উঠেছে। এসময় অপহরণের অভিযোগে গৃহ শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানাধীন চর ইসলামপুর এলাকায় এ অভিযান চালায় র‌্যাব। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে মোগলাবাজার থানা পুলিশ গ্রেফতারকৃত অন্তর খাঁনকে (২৫) নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। গ্রেফতারকৃত অন্তর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানার এড়ালিয়া পাড়ার আজাদ খাঁনের ছেলে। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে এসব তথ্য জানায় র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, অপহৃত স্কুল ছাত্রী মোগলাবাজার থানাধীন একটি হাই স্কুলের ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী। গত ২১ মে সকালে স্কুলে গিয়ে বাড়িতে ফিরে না আসলে তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে কোথাও খুঁজে পাননি। পরে মোগলাবাজার থানায় একটি জিডি করেন। পরে স্কুলছাত্রীর পরিবার জানতে পারেন ভিকটিমের গৃহ শিক্ষক অন্তর খাঁন তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্থানীয় কলাবাগান বাজার থেকে জোরপূর্বক অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটক করে রেখেছে। এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মোগলাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।



১৯ মে থেকে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ মে, ২০২৬

১৯ মে থেকে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা দয়েরের প্রতিবাদে সিলেট বিভাগে অনির্দিষ্টকালের সড়ক পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়েছে। ১৮ মে’র মধ্যে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার না হলে ১৯ মে থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পরিবহন শ্রমিক নেতারা। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির জরুরী সভায় এই কর্মবিরতির ডাক দেয়া হয়।

এরআগে গত ২৭ এপ্রিল দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত টার্মিনাল এলাকায় দফায় দফায় শ্রমিকদের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। সংঘর্ষে আহত দুই শ্রমিক পরে মারা যান। মারা যাওয়া শ্রমিক ছাবলু মিয়ার বাবা গত ৫ মে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদ, সাবেক কোষাধ্যক্ষ সামছুল হক মানিক ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নুর মিয়াসহ ২৯ নামের উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ৬০ জনকে। এই মামলা প্রত্যাহারের দাবিতেই কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন পরিবহন শ্রমিক নেতারা।

বৃহস্পতিবারের সভায় ফেডারেশনের বিভাগীয় নেতৃবৃন্দের মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ১৯ মে মঙ্গলবার ভোর ৬ টা থেকে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালনের জন্য সর্বস্তরের পরিবহন শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানান তারা। সভায় ফেডারেশনের বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার প্রতিনিধিত্বশীল সড়ক পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সজিব আলীর পরিচালনা অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- সুনামগঞ্জ জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক, সুনামগঞ্জ জেলা ট্রাক পিকাপ কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফয়েজুর নুর, সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন, সুনামগঞ্জ জেলা সিএনজি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কালা মিয়া, মৌলভীবাজার জেলা ট্রাক পিকাপ কার্ভাড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি অদুদ আহমদ, সিলেট জেলা ট্রাক পিকাপ কার্ভড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি কাওসার আহমদ, কোষাধ্যক্ষ বাদল আহমদ, সিলেট জেলা সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক আজাদ মিয়া, সিলেট জেলা ইমা লেগুনা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ইনসান আলী, সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত আবুল, প্রচার সম্পাদক হারিছ আলী প্রমূখ।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৭ এপ্রিল সিলেট কদমতলী বাস টার্মিনালে একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবহন শ্রমিকদের শীর্ষ সংগঠনের বিভাগীয় সভাপতি ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ নিরপরাধ শ্রমিক নেতৃবৃন্দকে আসামি করার ঘটনায় সর্বস্তরের শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ক্ষুব্ধ। আমরা উক্ত ঘটনা ও অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী জানাচ্ছি। কিন্তু এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিবহন শ্রমিকদের ঐক্য বিনষ্টের কোন ষড়যন্ত্র শ্রমিক সমাজ মেনে নিবে না। আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি সেদিন ঘটনার সময় ফেডারেশনের বিভাগীয় সভাপতি হাজী ময়নুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর রাজন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুস শহিদসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ নাজিরবাজারে শ্রমিক সংগঠনের নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা ঘটনা শুনে সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেন। সেই ঘটনায় নিরীহ শ্রমিক নেতৃবৃন্দকে আসামি করা হয়েছে, যা দুঃখজনক। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে আগামী ১৯ মে ভোর ৬টা থেকে সিলেট বিভাগে সর্বাত্মক সড়ক পরিবহন শ্রমিক কর্মবিরতি সফলের জন্য শ্রমিক ভাইদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।