শেয়ার বাজার

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯-এর অভিযানে গোলাপগঞ্জে ৬ বোতল বিদেশি মদসহ আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে ২০২৬

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯-এর অভিযানে গোলাপগঞ্জে ৬ বোতল বিদেশি মদসহ আটক ২

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটের গোলাপগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ৬ বোতল বিদেশি মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৯। মঙ্গলবার (১৯ মে ২০২৬) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার হেতিমগঞ্জ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

র‌্যাব-৯ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, একটি সিএনজিযোগে তামাবিল স্থলবন্দর এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ে গোলাপগঞ্জের দিকে আসছে কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী। তথ্যের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক ৯টা ৪৫ মিনিটে হেতিমগঞ্জের শাহপরান সেতু টোল প্লাজা সংলগ্ন বাইপাস মহাসড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল।

চেকপোস্টে একটি সিএনজিকে থামানোর সংকেত দিলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়িটি দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া করে সিএনজিসহ দুইজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা সিএনজিতে বিদেশি মদ থাকার কথা স্বীকার করে। তাদের দেখানো মতে একটি কার্টনের ভেতর থেকে ৬ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন—শেখ মো. তোফায়েল আহমেদ (২৬), পিতা: মো. রাজু মিয়া, সাং: দুশাসন, থানা: শায়েস্তাগঞ্জ, জেলা: হবিগঞ্জ এবং মো. গোলাম রব্বানী (৩০), পিতা: মৃত হোসেন মিয়া, সাং: বেলুপাড়া, থানা: জৈন্তাপুর, জেলা: সিলেট।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে বিদেশি মদ সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিল। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিয়ে গ্রেপ্তারকৃতদের গোলাপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র‌্যাব-৯ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় র‌্যাব-৯ এর অভিযানে ১০.৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ মে, ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় র‌্যাব-৯ এর অভিযানে ১০.৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অভিযান চালিয়ে ১০ দশমিক ৫ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাও জব্দ করা হয়। র‌্যাব জানায়, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই মাদক উদ্ধার, সন্ত্রাস দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, ছিনতাইকারী ও চাঁদাবাজ গ্রেফতারসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পাশাপাশি জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও সহিংসতা প্রতিরোধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

র‌্যাব-৯, সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি আভিযানিক দল গত ২১ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, একটি সবুজ রঙের সিএনজিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে নবীনগরের দিকে যাওয়া হচ্ছে। পরে র‌্যাবের দলটি সদর থানার সাদিকপুর ইউনিয়নের চিলোকুট এলাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-নবীনগর সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে।

দুপুর ১২টা ৫ মিনিটের দিকে সন্দেহভাজন সিএনজিটিকে থামানোর সংকেত দিলে চালক পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় র‌্যাব সদস্যরা তাকে আটক করেন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি তার কাছে গাঁজা থাকার কথা স্বীকার করে। তার দেখানো মতে সিএনজির সিটের নিচে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বার থেকে নীল পলিথিন ও খাকি স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় ১০.৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন- মোঃ সোহেল (৪০), পিতা মৃত আব্দুল মান্নান, গ্রামের বাড়ি রামধননগর, থানা আখাউড়া, জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে তা বহন করছিলেন। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি শেষে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি ও জব্দকৃত আলামত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র‌্যাব-৯ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।



সিলেটে প্রবাসী শাহজাহানের বিরুদ্ধে
খাস জমি দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬

খাস জমি দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট মহানগরীর শাহপরান থানাধীন খাদিম এলাকায় সরকারি খাস জমি দখল করে অবৈধভাবে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে এক প্রবাসী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শাহজাহান নামে ওই ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে সরকারি ভূমির ওপর বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিলেট সদর উপজেলার বহর মৌজা, জে এল নং-৭০ এর আওতাধীন সরকারি খাস জমির ১৪২ ও ২০০১ নম্বর দাগভুক্ত প্রায় ১২ শতক ভূমি দীর্ঘদিন ধরে দখলে রেখে সেখানে ফাঁকা ওয়ালের স্থায়ী পাকা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, কোনো বৈধ কাগজপত্র কিংবা অনুমোদন ছাড়াই এই নির্মাণকাজ পরিচালিত হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় দায়িত্বশীল সংস্থাগুলোর কার্যকর নজরদারির অভাবে একের পর এক খাস জমি দখলের ঘটনা ঘটছে। খাদিম এলাকার এই ঘটনাও তারই আরেকটি উদাহরণ বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা জানান, “সরকারি খাস জমি সাধারণ মানুষের সম্পদ। অথচ প্রভাবশালী মহল নানা কৌশলে এসব জমি দখল করে ব্যক্তিগত স্থাপনা গড়ে তুলছে। প্রশাসনের নীরবতায় ভূমিখেকোরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।”

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণাধীন ভবনটি ঘিরে এলাকায় চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত শাহজাহানের ব্যবহৃত বিদেশি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগ প্রসঙ্গে সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। সরকারি খাস জমি দখলের সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সিলেটজুড়ে সরকারি খাস জমি দখলের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক অভিযান ও নিয়মিত নজরদারি না থাকলে সরকারি সম্পদ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।


জমি ছাড়তে সাদ্দামের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

জমি ছাড়তে সাদ্দামের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন

নিজের কেনা জমির দখল ছাড়তে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন নগরীর দপ্তরীপাড়া রায়নগর প্রত্যয়-৮১নং বাসার বাসিন্দা মো. সমছু উদ্দিন খাঁন। এমনকি আদালতের নিষেধ অমান্য করে যখন তখন বড় অঘটন ঘটিয়ে তার জমি দখল হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।বুধবার (২০ মে) দুপুরে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শাহপরাণ থানার দেবপুর প্রকাশ মুকিরপাড়ার মৃত রূপা মিয়ার ছেলে মঞ্জু মিয়ার কাছ থেকে সাফ কবালা দলিলে সিলেট সদরের দেবপুর মৌজার জে এল নং ৯৬, ১৩৬২ এসএ দাগের ৭৯৫নং খতিয়ানের ০.৭৮ একর ভূমি ক্রয় করেছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যাবতীয় খাজনাও প্রদান করছিলেন। তবে ২০১৭ সালে এস.এ রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরাধিকারীরা আপত্তি জানালে সিলেট সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) নামজারী বাতিল করার পর আমি তার আদেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্ব) আদালতে নামজারী মামলা নং- ৪৭/২০১৭ দায়ের করি। পরে ২০২১ সালে এসএ রেকর্ডীয় মালিকদের উত্তরসুরীরা আমমোক্তারনামার মাধ্যমে তাদের স্বত্ত্বত্যাগ করেন এবং এই ভূমি বর্তমানে আমার দখলে রয়েছে। সেখানে ঘর গাছপালা আছে এবং আমার একজন কেয়ারটেকারও বসবাস করছেন।তিনি জানান, তার ক্রয় করা এই ভূমি দখলের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন শাহপরাণ থানার মিরাপাড়ার মৃত ছটু মিয়ার ছেলে রাশেদ আহমদ সাদ্দাম (মোবাইল  নং- ০১৭১১-৪৪০০১৮) ও তার সহযোগী একদল ভূমিখেকো চক্র। সাদ্দাম এই সম্পত্তি তার মৌরসী দাবি করে দখল না ছাড়লে আমাদের জীবন দুর্বিসহ করে তোলার হুমকি দিচ্ছে। তার এমন হুমকিতে আমি অসহায় বোধ করছি। তিনি আওয়ামী লীগ আমলে আওয়ামী লীগের বড় নেতা পরিচয় দিয়ে নানান অপকর্ম করে বেড়াতেন। তবে সরকার বদলের পর এখন তিনি বিএনপির ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা ইত্যাদি পরিচয়ে তার সেই অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমনকি শাহপরাণ থানাপুলিশের সৌর্স বা পুলিশের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্কের কথা প্রচার করে গোটা এলাকার মানুষকে তটস্থ করে রেখেছেন। তিনি ও তার বাহিনীর যন্ত্রণায় সাধারণ মানুষের জীবন আজ দুর্বিসহ। তিনি ২৩ এপ্রিল পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ দিলেও শাহপরাণ থানাপুলিশ নির্বিকার। তারা অজ্ঞাত কারণে নিরব। তিনি জানান, ১৮ মে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২্ এর বিচারক এই ভূমির উপর ১৪৫ ধারায় স্থিতাবস্থা জারি করেছেন। একই সাথে সিলেট সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ও শাহপরাণ থানার ওসি ও সার্ভেয়ার, উপজেলা ভূমি অফিস বা ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারি কর্মকর্তাকে দখল বিষয়ক স্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। শাহপরাণ থানার ওসিকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তিনি আদালতের নির্দেশ মেনে কঠোরভাবে স্থিতাবস্থা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিশেষ করে সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার, শাহপরাণ থানার ওসিসহ সবার কঠোর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।এ ব্যাপারে জানতে রাশেদ আহমদ সাদ্দামের মোবাইলে একাধিকবার কল এবং হোয়াটস অ্যাপে মেসেজ দিলেও তিনি কোনো জবাব দেন নি।সংবাদ সম্মেলনে সমছু উদ্দিন খাঁনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার নাতি রুহেল আহমদ।