শেয়ার বাজার

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন মারা গেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন মারা গেছেন

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান।

জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ২০০৭ সালে গঠিত ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে তথ্য, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত এবং ভূমি মন্ত্রণালয় এর দায়িত্ব পালন করেন।

বিখ্যাত সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া তার পিতা। তিনি ১৯৬১ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয় নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। ১৯৬৫ সালে ব্যারিস্টার-ইন-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।

রিমান্ড শেষে কারাগারে জবির সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ মার্চ, ২০২৪

রিমান্ড শেষে কারাগারে জবির সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকাকে আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলায় রিমান্ড শেষে সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) দুপুরে এক দিনের রিমান্ড শেষে কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়। এ সময় আদালতের বিচারক মো. আবু বকর সিদ্দিক তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত সোমবার জবির শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় তার মায়ের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার সহপাঠী রায়হান সিদ্দিকী আম্মানের দুইদিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। 

এর আগে ১৭ মার্চ বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছ থেকে তাদেরকে গ্রহণ করে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি দল। গত ১৫ মার্চ রাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সহকারী প্রক্টর ও আম্মান সিদ্দিকী নামের সহপাঠীকে দায়ী করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে জবির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী অবন্তিকা। নিহত অবন্তিকার মা তাহমিনা শবনম বাদী হয়ে থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।


সিলেটে ‘চাঁদা না পেয়ে’
বৃদ্ধ ব্যবসায়ীকে মব করে মারধর ১৩ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

বৃদ্ধ ব্যবসায়ীকে মব করে মারধর  ১৩ জনের নামে মামলা, গ্রেপ্তার ৫

সিলেট নগরের শিবগঞ্জ সেনপাড়া এলাকায় মুদি দোকানি খগেন্দ্র চন্দ্র দাসকে মব করে মারধরের ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এক শিশুর সাথে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগ এনে ওই ব্যবসায়ীকে মারধর করে কিছু লোক। তবে পুলিশ আপত্তিকর আচরণের অভিযোগের প্রমাণ পায়নি। আর খগেন্দ্র চন্দ্র দাসের মারধরকারীদের একজন কয়েকদিন আগে তার কাছে টাকা দাবি করেছিল। মারধরকারীরা তার দোকানের মালামাল ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ তার।

এদিকে, এ ঘটনায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন খগেন্দ্র দাসের ছেলে রুবেল দাস। পুলিশ ইতোমধ্যে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া মারধরে গুরুতর আহত খগেন্দ্র চন্দ্র দাস বর্তমানে ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

জানা যায়, গত শুক্রবার রাত প্রায় ৮টার দিকে শিবগঞ্জ সেনপাড়া এলাকার মুদি দোকান ‘রাণী স্টোর’ থেকে কোমল পানীয় কিনতে আসে আট বছর বয়সী এক শিশু। সে সময় দোকানে ক্রেতাদের ভিড় থাকায় শিশুটিকে কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে হয়। পরে পণ্য কিনে শিশুটি চলে যায়।

কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা ও বোন দোকানে এসে কেন দেরি হয়েছে তা জানতে চান। কথোপকথনের এক পর্যায়ে তিনি অভিযোগ তোলেন, দোকানদার শিশুটির শরীরে স্পর্শ করেছেন। এর কিছুক্ষণ পরই সংঘবদ্ধ কয়েকজন লোক দোকানে জড়ো হয়। একপর্যায়ে তারা দোকান মালিক খগেন্দ্র চন্দ্র দাসের ওপর হামলা চালায়। লাথি-ঘুষিসহ এলোপাতাড়ি মারধর করতে থাকে তাকে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। শনিবার এই মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা দেখা দেয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করে। ফুটেজ পর্যালোচনা এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ যাচাই করে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খগেন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, সন্ধ্যার পর এক শিশু টাইগার (কোমল পানীয়) কিনতে আমার দোকানে আসে। এসময় দোকানে ভিড় থাকায় আমি তাকে সরে যেতে বলি। পরে শিশুটি টাইগার নিয়ে চলে যায়। এর কিছুক্ষণ পর শিশুটির মা বোন এসে বিভিন্ন অভিযোগ করতে থাকেন। তখন তাদের আমি দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য বলি। এরমধ্যেই আচমকা কয়েকজন যুবক এসে আমাকে মারধর শুরু করে।

খগেন্দ্র দাস বলেন, মারধরকারীদের সবাইকে আমি চিনি না। তবে তাদের মধ্যে একজন কয়েকদিন আগে আমার কাছে টাকা দাবি করেছিল। তিনি বলেন, মারধরকারীরা আমার মোবাইল ফোন, শার্ট ও প্যান্টের প্যাকেট এবং ক্যাশবাক্স থেকে টাকা ও সিগারেটের কার্টুন নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ মনজুরুল আলম বলেন, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আমরা নিশ্চিত হয়েছি, অভিযোগে উল্লিখিত শ্লীলতাহানির কোনো ঘটনা ঘটেনি। যাচাই-বাছাই ছাড়াই গুজব ও সন্দেহের ভিত্তিতে এক বৃদ্ধ ব্যবসায়ীকে মারধর করা হয়েছে। এটি মব জাস্টিসের একটি স্পষ্ট ঘটনা। তিনি বলেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামিরা হলেন সেনপাড়ার বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম মিন্টুর স্ত্রী মোছাম্মৎ শিল্পী বেগম (৪২), ওহিদুল আলমের ছেলে আহম্মদ হোসেন আরিফ (২৪), মো. রফিকুল ইসলাম মিন্টুর ছেলে আকাশ আহমেদ (২০), মেয়ে মোছাম্মৎ রোজী আক্তার (২০), মেয়ে রোকেয়া আক্তার (২২), মো. রফিকুল ইসলাম মিন্টু (৫০), বিল্লাল মিয়ার ছেলে শোয়েব (৩০), শিবগঞ্জ খড়াদিপাড়ার মখর মোল্লা লাক্কুর ছেলে নাদিম আহমদ (২৭), ইমন (২৬), সেনপাড়ার কামাল (২৬), সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দ আবু বক্কর (২৭), দেলোয়ার (৩৫), অন্তর (২৬)সহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন।

এদিকে, ব্যবসায়ীর ওপর মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে সংঘটিত এ হামলার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এঘটনায় মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ হিন্দু বৌদ্ধ কল্যাণ ঐক্য ফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ আহত ব্যবসায়ীর পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়ে তাদের পরিবারের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।


সিলেটে র‌্যাব-৯ এর অভিযানে মাদক মামলার দুই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মে, ২০২৬

সিলেটে র‌্যাব-৯ এর অভিযানে মাদক মামলার দুই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টারঃ সিলেটে পৃথক অভিযানে মাদক মামলার দুই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯। শুক্রবার (১৫ মে) সিলেটের শাহপরাণ ও দক্ষিণ সুরমা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-৯ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিএসসি, সিলেটের একটি আভিযানিক দল শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটে শাহপরাণ থানাধীন টিলাগড় পয়েন্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় কোম্পানীগঞ্জ থানার জিআর নং-২৩১/১৩, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মো. আবু বক্কর (২০)-কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গৌখালের পাড় এলাকার মো. দ্বীন ইসলামের ছেলে।

এছাড়া একইদিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৩০ মিনিটে দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্বর এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব। এসময় জকিগঞ্জ থানার মামলা নং-৪৫/২০২০ এর মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মো. আব্দুর রহিম (৩৬)-কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি জকিগঞ্জ উপজেলার ভরন সুলতানপুর এলাকার মৃত মনজির আলীর ছেলে। র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।