শেয়ার বাজার

শাল্লায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় প্রধান আসামি রাকিব গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

শাল্লায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় প্রধান আসামি রাকিব গ্রেফতার

 বিশেষ প্রতিনিধি:  সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় স্কুল থেকে ফেরার পথে এক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান আসামি রাকিব মিয়া (২২)-কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
 বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার সাতপাড়া বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত রাকিব উপজেলার কার্তিপুর গ্রামের সায়েদ মিয়ার ছেলে। মামলায় একই গ্রামের আরও দুজনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন— রহমান মিয়ার ছেলে আজিজুর মিয়া (২২) এবং বাক্কার মিয়ার ছেলে মারুফ মিয়া (২১)। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৭ এপ্রিল স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাকিব মিয়া তার দুই সহযোগীকে নিয়ে শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে। পরে রাকিব মিয়া ওই শিক্ষার্থীকে রাতভর ধর্ষণ করে পরদিন রাস্তায় ফেলে যায় । শিক্ষার্থীর বাবা মেয়েকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে তিনি বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি রজু করার জন্য শাল্লা থানাকে নির্দেশ দিলে থানায় মামলা রেকর্ড হয়।
মামলা রজুর পরপরই শাল্লা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরেফিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে রাকিব মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকিবুজ্জামান বলেন, “আদালতের নির্দেশনা অনুসারে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনের নামে মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রধান আসামি রাকিবকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।” এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষার্থীর বাবা.

২৮৫ প্রতিবন্ধীকে প্রাথমিকে নিয়োগ দিতে নির্দেশ হাইকোর্টের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

২৮৫ প্রতিবন্ধীকে প্রাথমিকে নিয়োগ দিতে নির্দেশ হাইকোর্টের

বার্তাবেলা: ২৮৫ শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে রোববার বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।

রায়ের পর রিটকারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, প্রতিবন্ধীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় হাইকোর্টের আজকের রায় যুগান্তকারী। আশা করছি, কর্তৃপক্ষ অবিলম্বে হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়ন করবেন।

অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বিনা পয়সায় প্রতিবন্ধীদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন।

এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর ২৮৫ শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোটার ভিত্তিতে নিয়োগে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়। একই সঙ্গে এ বিষয়ে রায়ের জন্য ১৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করা হয়।

সোমবার (১১ ডিসেম্বর) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন।

গত সপ্তাহে ২৮৫ শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোটার ভিত্তিতে নিয়োগে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানির জন্য বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেন প্রধান বিচারপতি। গত ১৭ জানুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী কোটায় বিভিন্ন উপজেলায় ১১৪ সহকারী শিক্ষক পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে প্রতিবন্ধী কোটায় কেন তাদের নিয়োগ দেওয়া হবে না- তা জানতে রুল জারি করেন আদালত।

এর আগে ১১৪ শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোটার ভিত্তিতে নিয়োগের নির্দেশনা চেয়ে রিটটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া।  একই বিষয়ে পরে ১৭১ জন পৃথক আরও তিনটি রিট দায়ের করেন।

রিটে সম্প্রতি ৩৭ হাজার ৫৭৪ জনকে নিয়োগে প্রতিবন্ধী কোটা থেকে নিয়োগ না দেওয়ার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। সেখানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়। মো. মাহাবুব শেখ, মো. আবু জাহিদ, ফাহিম মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, পার্থ প্রতীম, শাজাহান শেখ, মো. মনোয়ার হোসেন, মো. আজিজুল ইসলাম, বৃষ্টি রানি রায়, মো. সাজ্জাদ হোসেন সাজু ও মো. নূর আলমসহ বিভিন্ন জেলার মোট ২৪৫ প্রতিবন্ধী প্রার্থী হাইকোর্টে রিট করেন।


কুমিল্লায় ৭ খুন ৩৩ নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ৪১৬ টি মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

কুমিল্লায় ৭ খুন ৩৩ নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ৪১৬ টি মামলা

বার্তাবেলা ডেস্ক: কুমিল্লায় ডিসেম্বর মাসে ৭ টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষণের ঘটনা ১০ টি এবং নারী- শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ২৩ টি। সিঁধেল চুরি, পশু চুরিসহ মোট ২৬ টি চুরি এবং মাদক আইনে ২১০টি মামলা সহ বিভিন্ন অপরাধে জেলায় মোট ৪১৬ টি মামলা হয়েছে।

কুমিল্লা জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

রোববার ১৪ জানুয়ারী সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক খন্দকার মুঃ মুশফিকুর রহমান।

সভা সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বর মাসে ৪৬ টি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে, ৩০ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ৬৮ জন। জেলায় ১১ টি বাল্য বিবাহ রোধ করা হয়েছে, একই সাথে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনে ৫ টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৬৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং একজনকে কারাদ- প্রদান করা হয়। ডিসেম্বর মাসে ১৯৩টি গ্রাম আদালতে ৭৪৫ টি মামলা দায়ের ও ৮২৭ মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। মাদক ও চোরাচালান সংক্রান্ত মোট ১৭৯ টি মামলা দায়ের ও ৪৮ টি মামলা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন কর্তৃক ওই মাসে ২৪১ টি মোবাইল কোর্ট ৪৭২টি মামলায় ৩৪ লাখ ৭১ হাজার ২৫০ টাকা জরিমানা আদায় সহ ২৮ জনকে কারাদ- প্রদান করা হয়েছে। নদী হতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও নিচু জমিতে বালু দ্বারা ভরাটকারীদের বিরুদ্ধে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে ১৫ টি অভিযানে ১০ টি মামলায় ৮ লাখ ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে সভার শুরুতেই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠ ও সফল করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহ সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান সভার সভাপতি জেলা প্রশাসক খন্দকার মু. মুশফিকুর রহমান।

সভায় বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা -৬ সদরের সংসদ সদস্য আকম বাহাউদ্দিন বাহার, কুমিল্লা -১ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সবুর, জেলা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান বিপিএম (বার),

সিভিল সার্জন ডা.নাসিমা আক্তার, সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুকসহ বিভিন্ন উপজেলার চেয়ারম্যানগন ও আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর প্রতিনিধি- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরের প্রধান, উপা নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা ।

সভায় গোমতী নদীর পাড়ের মাটি কাটা,অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন , জিবির নামে চাঁদা উঠানো, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, বাল্য বিবাহ, দ্রব্য সামগ্রীর মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার মনিটরিংসহ জেলার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।


আজমিরীগঞ্জে
গ্রাম আদালত বিষয়ে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ জুন, ২০২৬

গ্রাম আদালত বিষয়ে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

আজমিরীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি. এম. সরফরাজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. রেজাউল করিম, সহকারী কমিশনার (ভূমি), আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), শিবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ।

উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি ড. জি. এম. সরফরাজ গ্রাম আদালতের কার্যক্রম ও সেবাসমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তিন লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের ক্ষুদ্র দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গ্রাম আদালত একটি কার্যকর ও সহজলভ্য ব্যবস্থা। এ ধরনের বিরোধ দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে সমাধানের জন্য তিনি জনগণকে গ্রাম আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেন।

এ সময় তিনি গ্রাম আদালতের সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং উপস্থিত সকলকে এ বিষয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

আলোচনা শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে গ্রাম আদালত সংক্রান্ত বিভিন্ন নির্দেশনা ও তথ্যসম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়। বৈঠকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুধীজন ও উপকারভোগীরা অংশ নেন।