শেয়ার বাজার

সিলেটে র‌্যাব-৯ এর অভিযানে মাদক মামলার দুই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

সিলেটে র‌্যাব-৯ এর অভিযানে মাদক মামলার দুই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টারঃ সিলেটে পৃথক অভিযানে মাদক মামলার দুই সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯। শুক্রবার (১৫ মে) সিলেটের শাহপরাণ ও দক্ষিণ সুরমা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাব-৯ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিপিএসসি, সিলেটের একটি আভিযানিক দল শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটে শাহপরাণ থানাধীন টিলাগড় পয়েন্ট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় কোম্পানীগঞ্জ থানার জিআর নং-২৩১/১৩, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মো. আবু বক্কর (২০)-কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গৌখালের পাড় এলাকার মো. দ্বীন ইসলামের ছেলে।

এছাড়া একইদিন সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৩০ মিনিটে দক্ষিণ সুরমার হুমায়ুন চত্বর এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব। এসময় জকিগঞ্জ থানার মামলা নং-৪৫/২০২০ এর মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি মো. আব্দুর রহিম (৩৬)-কে গ্রেফতার করা হয়। তিনি জকিগঞ্জ উপজেলার ভরন সুলতানপুর এলাকার মৃত মনজির আলীর ছেলে। র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত ১৫ কর্মকর্তা আইন মন্ত্রণালয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে, ২০২৬

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত  ১৫ কর্মকর্তা আইন মন্ত্রণালয়ে

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে ১৫ কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) রাষ্ট্রপতির আদেশে এ-সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ। এই কর্মকর্তাদের আইন মন্ত্রণালয়ে যোগদানের তারিখ দেখানো হয়েছে গত ১০ এপ্রিল। যার আগের দিন জাতীয় সংসদে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়। মন্ত্রণালয়ে ফেরতের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ অনুযায়ী জুডিশিয়াল সার্ভিসের ১৫ সদস্যকে পরবর্তী উপযুক্ত পদে পদায়নের নিমিত্তে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হলো।

এর আগে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) আইন চ্যালেঞ্জ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যক্রমের ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়। পরে তা গত ২০ এপ্রিল শুনানির জন্য উঠে। তবে ওই দিন তা শুনানি হয়নি। রিটের পক্ষে ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

২০ এপ্রিল শিশির মনির আদালত থেকে বের হয়ে বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ বলেছে তারা দ্রুতই হাইকোর্টের আগের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। আদালত বলেছেন তারা (রাষ্ট্রপক্ষ) আপিল করুক। আর আদালতের প্রত্যাশা সরকার যেন ইন দ্য মিন টাইম তড়িঘড়ি করে সুপ্রিম কোর্টের প্রতি সম্মান জানিয়ে সচিবালয়ের যে সেটাপ আছে সে গুলোকে সরিয়ে না ফেলে। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন তিনি আদালতের প্রত্যাশা শুনেছেন এবং এটি কনভে করবেন।

সাত আইনজীবীর রিটের পরিপ্রেক্ষিতে তিন মাসের মধ্যে বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় করতে নির্দেশনা দিয়ে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। গত বছর ওই রায়ের আলোকে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করে অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। পৃথক সচিবালয় গঠিত হওয়ার পর জনবল নিয়োগসহ ৯০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়। তবে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিল করে। বারবার মুখ থুবড়ে পড়েছে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ :

১৯৭২ সালের সংবিধানে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত ছিল। ১৯৭৪ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে তা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত করা হয়। ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করার বিষয়টি যুক্ত করা হয়। ১৯৯৪ সালে বিচার বিভাগকে সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে স্বাধীন করতে রিট করেন জেলা জজ ও তৎকালীন জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মাসদার হোসেন। হাইকোর্ট ১৯৯৭ সালে ওই আবেদনের পক্ষে রায় দেন। এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে সরকার আপিল করে। ১৯৯৯ সালে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। সে সঙ্গে বিচার বিভাগ পৃথক্‌করণসহ ১২ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আপিল বিভাগের নির্দেশনার আলোকে ২০০১ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য খসড়া আইন করা হয়েছিল, যা পাঠানো হয়েছিল কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কাছে। ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দিনগুলি ও আমার কথা’ বইয়ে বিষয়টি লিখেছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমান। তিনি লিখেছেন, ২০০১ সালের ১ অক্টোবর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর ৩ অক্টোবর উপদেষ্টামণ্ডলীর সভায় অনুমোদন শেষে বিচার বিভাগ পৃথক্‌করণ আইন রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল অধ্যাদেশ আকারে জারি করার জন্য। ৩ অক্টোবর বিচার বিভাগ পৃথক্‌করণের বিষয়টি আইনে পরিণত করার জন্য উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাও ডাকা হয়। কিন্তু ১২টার দিকে বেগম খালেদা জিয়া প্রধান উপদেষ্টাকে টেলিফোন করে বলেন, বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার বিষয়টি তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহারে রয়েছে। তাই বিষয়টি তাঁর সরকারের (বিএনপি) জন্য রেখে যাওয়ার অনুরোধ করেন এবং কথা দেন, তিনি কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন।

তবে বিএনপি সরকারের সময় বিচার বিভাগ নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক হয়নি। পরে ২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিচার বিভাগ পৃথক্‌করণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে। পরবর্তী দেড় দশকের বেশি টানা ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ। কিন্তু পৃথক সচিবালয় করা হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অধস্তন আদালতের বিচারকদের পদোন্নতি ও বদলির ক্ষমতা এককভাবে সুপ্রিম কোর্টের হাতে নিতে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করে ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবী। আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মূলত রাষ্ট্রপতির ওপর এ দায়িত্ব ন্যস্ত থাকায় এতে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের সরাসরি হস্তক্ষেপ দেখা যায়। এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে খর্ব করে।

রিটের পর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ওই রুল নিষ্পত্তি করে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর রায় দেওয়া হয়। রায়ে ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হয়। যাতে রাষ্ট্রপতির পরিবর্তে অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা সুপ্রিম কোর্টের কাছে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়। রায়ে হাইকোর্ট বলেন, ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ৩৯ ধারা অনুসারে ১১৬ অনুচ্ছেদের সংশোধন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বাতিল করা হলো। একইভাবে ১৯৭৫ সালের চতুর্থ সংশোধনী আইনের ১৯ ধারার মাধ্যমে ১১৬ অনুচ্ছেদ সংশোধনও সাংঘর্ষিক বলে বাতিল করা হলো। এ ছাড়া সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী ও ষোড়শ সংশোধনী মামলার রায়ের সিদ্ধান্ত অনুসারে ১৯৭২ সালের সংবিধানে ১১৬ অনুচ্ছেদ যেভাবে ছিল, সেভাবে সংবিধানে পুনর্বহাল হবে।

রায়ে বলা হয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আছে, যাদের স্বাধীন পরিচয় রয়েছে। অথচ বিচার বিভাগের জন্য কোনো সচিবালয় গঠিত হয়নি। বিচার বিভাগ রাষ্ট্রের স্বাধীন অঙ্গ। স্বাধীনভাবে কাজ করতে এবং সত্যিকার অর্থে রাষ্ট্রের অন্য দুটি অঙ্গ (আইনসভা ও নির্বাহী বিভাগ) থেকে বিচার বিভাগ পৃথক। পৃথক বিচার বিভাগ সাংবিধানিক অধিকার। হাইকোর্টের রায়ের পর বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গত বছরের ৩০ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়। এরপর ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যালয় উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধনের সময় সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, ‘সবার কাছে আমার আহ্বান রইল—আগামী দিনে যে নির্বাচিত সরকার আসবে, তাদের তো বটেই এবং আমাদের যত স্টেকহোল্ডার (অংশীজন) আছে, তাদের সবাইকে এই ধারাবাহিকতা, এই সচিবালয়ের ধারাবাহিকতা, আইনের শাসন বজায় রাখা, গণতন্ত্রকে বজায় রাখা—এই ধারাবাহিকতা যেন অটল থাকে, অটুট থাকে।’



আজমিরীগঞ্জে
গ্রাম আদালত বিষয়ে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ জুন, ২০২৬

গ্রাম আদালত বিষয়ে সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

আজমিরীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি. এম. সরফরাজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. রেজাউল করিম, সহকারী কমিশনার (ভূমি), আজমিরীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), শিবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষ।

উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি ড. জি. এম. সরফরাজ গ্রাম আদালতের কার্যক্রম ও সেবাসমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তিন লাখ টাকা পর্যন্ত মূল্যমানের ক্ষুদ্র দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গ্রাম আদালত একটি কার্যকর ও সহজলভ্য ব্যবস্থা। এ ধরনের বিরোধ দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে সমাধানের জন্য তিনি জনগণকে গ্রাম আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেন।

এ সময় তিনি গ্রাম আদালতের সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং উপস্থিত সকলকে এ বিষয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

আলোচনা শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে গ্রাম আদালত সংক্রান্ত বিভিন্ন নির্দেশনা ও তথ্যসম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়। বৈঠকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সুধীজন ও উপকারভোগীরা অংশ নেন।



রিমান্ড শেষে কারাগারে জবির সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯ মার্চ, ২০২৪

রিমান্ড শেষে কারাগারে জবির সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকাকে আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলায় রিমান্ড শেষে সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) দুপুরে এক দিনের রিমান্ড শেষে কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়। এ সময় আদালতের বিচারক মো. আবু বকর সিদ্দিক তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত সোমবার জবির শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় তার মায়ের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার সহপাঠী রায়হান সিদ্দিকী আম্মানের দুইদিন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। 

এর আগে ১৭ মার্চ বিকেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছ থেকে তাদেরকে গ্রহণ করে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি দল। গত ১৫ মার্চ রাতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে সহকারী প্রক্টর ও আম্মান সিদ্দিকী নামের সহপাঠীকে দায়ী করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে জবির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী অবন্তিকা। নিহত অবন্তিকার মা তাহমিনা শবনম বাদী হয়ে থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।