শেয়ার বাজার

থামছে না করিমের দৌরাত্ম্য টাকা না দেওয়ায় ‘আসামি ধরিয়ে দেওয়ার’ অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

থামছে না করিমের দৌরাত্ম্য  টাকা না দেওয়ায় ‘আসামি ধরিয়ে দেওয়ার’ অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় আব্দুল করিমকে ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। মামলা বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও পুলিশি প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগের মধ্যেই এবার নতুন করে এক ব্যক্তিকে টাকা না দেওয়ায় পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করানোর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, একটি মামলার ওয়ারেন্টের ভয় দেখিয়ে গত প্রায় দুই বছর ধরে এক ব্যক্তির কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করত করিম সিন্ডিকেট। প্রতি মাসে আড়াই হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হতো ওই ব্যক্তিকে। সম্প্রতি তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে পুলিশ দিয়ে তাকে গ্রেফতার করানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে একটি বিশ্বস্ত সূত্র।

অভিযোগ রয়েছে, করিম কোনো স্বীকৃত বা পেশাদার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও নিজেকে কখনো ফটো সাংবাদিক, কখনো পুলিশের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অর্থ আদায় করে আসছেন। স্থানীয়দের দাবি, তার বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করলেই বিভিন্ন পুলিশ সদস্যের নিয়মিত যাতায়াত ও আপ্যায়নের চিত্র পাওয়া যাবে। এই সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন বলেও অভিযোগ তাদের।

স্থানীয়দের ভাষ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর করিম আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার নাম মামলায় জড়িয়ে মামলা বাণিজ্যের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকা—জুয়া, মাদক ও তেলচুরি সিন্ডিকেটসহ নানা অবৈধ কর্মকাণ্ডের আস্তানা থেকে করিম নিয়মিত সাপ্তাহিক ও মাসিক বখরা আদায় করেন বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। তাদের দাবি, এসব উৎস থেকে প্রতি মাসে প্রায় ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়।
এতসব অভিযোগের পরও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের প্রশ্ন, “পুলিশ কি করিমের বখরার কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে?”

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে “সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় করিমের দালালির দৌরাত্ম্য: মামলা বাণিজ্য, চাঁদাবাজি ও প্রতারণার অভিযোগে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা” শিরোনামে বিভিন্ন অনলাইন ও জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেখানে করিমের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠে আসে। সংবাদে উল্লেখ করা হয়, কামালবাজার এলাকায় মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে করিম ডিবি পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও স্থানীয় জনতা তাকে আটকে দেয়। পরে তিনি নিজেকে প্রয়াত সালিশ ব্যক্তিত্ব চৈল মিয়ার ঘনিষ্ঠ পরিচিত দাবি করে সেখান থেকে বেরিয়ে যান।


হাইকোর্টে ৫২ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর, ২০২৩

হাইকোর্টে ৫২ বেঞ্চ গঠন করলেন প্রধান বিচারপতি

আগামী রোববার (২৯ অক্টোবর) থেকে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিচার কাজ পরিচালনার জন্য ৫২টি বেঞ্চ গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির নির্দেশনা দেওয়ার নোটিশ সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির নির্দেশনায় বলা হয়, ‘আমি এতদ্বারা নির্দেশ করিতেছি যে, আগামী ২৯ অক্টোবর রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকার্য পরিচালনার জন্য নিম্নে উল্লেখিত বেঞ্চগুলো গঠন করা হলো। ’

নোটিশে ৫২ একক ও দ্বৈত বেঞ্চের নাম বিচারিক এখতিয়ারসহ উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টি দ্বৈত বেঞ্চ এবং ১৯টি একক বেঞ্চ রয়েছে।


ই-কমার্সে প্রতারণার আটক টাকা কীভাবে ফেরত, জানতে চান আপিল বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি, ২০২৪

ই-কমার্সে প্রতারণার আটক টাকা কীভাবে ফেরত, জানতে চান আপিল বিভাগ

বার্তাবেলা ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক কোম্পানি ও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের পর প্রতারণার শিকার ও আটকে থাকা টাকা গ্রাহকরা কীভাবে ফেরত পাবেন, সেটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানি (এমএলএম) ইউনিপে-টু-ইউ সংক্রান্ত এক শুনানিতে মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বিচারপতির আপিল বিভাগ এমন প্রশ্ন তোলেন।

এসময় দুদকের পক্ষে শুনানি করা সিনিয়র আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খানের কাছে আদালত জানতে চান, ‘ইউনিপে-টু-ইউ, ইভ্যালি, আলেশা মার্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আটকে থাকা টাকা গ্রাহকরা ফেরত পাবেন কীভাবে? গ্রাহকদের-তো টাকা ফেরত পেতে হবে।


বিচারপতিদের অপসারণ: ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে রিভিউ আবেদনের শুনানি আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর, ২০২৪

বিচারপতিদের অপসারণ: ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে রিভিউ আবেদনের শুনানি আজ

সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল পুনর্বহাল করে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের রিভিউ নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সংবিধানের এ-সংক্রান্ত ৯৬ অনুচ্ছেদ পুরোটাই পুনর্বহাল করেছেন আপিল বিভাগ। এর ফলে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা ফিরলো সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের হাতে।

রোববার (২০ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত দেশের সর্বোচ্চ আদালতের ছয় সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ, অন্যদিকে আদালতের অনুমতি নিয়ে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আব্দুল জাব্বার ভূইয়া, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনিক আর হক ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি মোহাম্মদ জেনারেল আরশাদুর রউফ। এসময় ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলসহ অন্য আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি জানান, এই রায়ের ফলে কোনো বিচারপতির বিরুদ্ধে অসমর্থতা ও পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগ উঠলে, সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে বলে। সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠিত হয় প্রধান বিচারপতি ও পরবর্তী জ্যেষ্ঠ দুজন বিচারপতিকে নিয়ে।

আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস সাংবাদিকদের বলেন, সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ২ থেকে ৮ পর্যন্ত বিধান ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যম বাতিল করা হয়েছিল। এগুলো পুনর্বহাল করেছেন আপিল বিভাগ।

এই রায় ঐতিহাসিক বলে প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।