শেয়ার বাজার

সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে
যাত্রীবাহী বাস খাদে নারী ও শিশুসহ নিহত -৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

যাত্রীবাহী বাস খাদে নারী ও শিশুসহ নিহত -৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের হবিগঞ্জের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বৈশ্বামোড়া এলাকায় যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে নারী ও শিশুসহ চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। সোমবার (৮ জুন) দুপুর ১২টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে দুইজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু রয়েছেন। তাদের মধ্যে দুইজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর এলাকার আরস আলী মুন্সি (৭০) এবং হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মৌসুমি দাস (৩০)। সরাইলের খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, হবিগঞ্জের মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রী নিয়ে দিগন্ত পরিবহনের একটি বাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের মেড্ডা বাসস্ট্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। পথিমধ্যে সরাইল উপজেলার বৈশ্বামোড়া এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের চাপে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাসের চার যাত্রীর মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 


এক সপ্তাহে ছিনতাইয়ের শিকার ৩ শিক্ষিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ মে, ২০২৬

এক সপ্তাহে ছিনতাইয়ের শিকার ৩ শিক্ষিকা

সিলেটের ওসমানীনগরে ছিনতাই চক্রের সদস্যরা বেপরোয়া। গত এক সপ্তাহে ৩ শিক্ষিকা ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন। এক সপ্তাহে ৩জন ছিনতাইয়ের শিকারের ঘটনায় ওসমানীনগরের শিক্ষক মহল সহ সাধারণ মানুষের মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টায় উপজেলার খাশিকাপন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সীমা রাণী দেব সকাল পৌনে ১০টায় বিদ্যালয়ে যাবার পথে বিদ্যালয়ের কাছাকাছি খাশিকাপন গ্রামের ভেতর কবরস্থান ও মাজারে কাছে গেলে মুখোশপরিহিত ৩জন ছিনতাইকারী তার গতিরোধ করে। এ সময় ছিনতাইকারীরা ধারালো অস্ত্রে মুখে তাকে জিম্মি করে কানের একজোড়া স্বর্ণের দোল এক স্বর্ণে আংটি লুট করে নিয়ে যায়।

এক সপ্তাহ আগে তাজপুর-সুরতপুর সড়কে সকাল ৯টায় একই স্কুলে আরেক সহকারী শিক্ষিকা ৩ ছিনতাইকারী কবলে পরেন তবে পিছন দিক থেকে যাত্রীবাহী একটি টমটম আসলে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। এদিকে গত সোমবার(১১ এপ্রিল) বিকেল সোয়া চারটায় স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে ব্রাহ্মণশাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সাকেরা পারভীর ১০ মাইল স্থানে ছিনতাইয়ের শিকার হন। এ সময় অস্ত্রধারী তিন ছিনতাইকীরা তার গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে গানের দোল ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায় পরে কানের দোল ইমিটেশনের বুঝায় তা ফেলে দিয়ে ছিনতাইকারীরা মোটরসাইকেল যোগে চলে যায়।

গত ৭ এপ্রিল সকালে ইলাশপুর গ্রামে ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরশেদুল আলম ভূঁইয়ার বাসভবন ‘আর কে টাওয়ার’-এর সামনে মিতা দেব নামে এক গৃহবধূ ছিনতাইয়ের শিকার হন। ভুক্তভোগী মিতা দেব তার সন্তানকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক সংলগ্ন লালকৈলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। আর কে টাওয়ারের সামনে আসা মাত্রই হঠাৎ মোটরসাইকেলে আসা ৩ জন ছিনতাইকারী মিতা দেবের গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে একটি স্বর্ণের চেইন ও একজোড়া স্বর্ণের কানের দুল লুটে নেয়।

থানার একদম কাছে এবং ওসির বাসার সামনে এমন দুঃসাহসিক ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এর আগে গত ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টায় উপজেলার বানিজ্যকি প্রাণকেন্দ্র জনবহুল গোয়ালাবাজার সাব-পোস্ট অফিসে এক দুঃসাহসিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ডিগ্রি ফাইনাল পরীক্ষার খাতা গ্রহণ শেষে অফিস বন্ধ করার মুহূর্তে একদল সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ধারালো অস্ত্রের মুখে তিন কর্মচারীকে জিম্মি করে তাদের কাছে বেশি কিছু না পেয়ে তাদের হাত খরচের হাজার খনিক টাকা-পয়সা লুট করে নিয়ে যায়। একের পর এক সিরিজ ছিনতাইয়ের ঘটনায় উপজেলার বাসিন্দারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এছাড়া কত কয়েক দিনে গোয়ালাবাজার দয়ামীর তাজপুর এলাকায় একাধিক মোটরসাইকেল চুরি হয়ে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু গরু চুরি সহ একাধিক চুরির ঘটনাও ঘটে। এদিকে উপজেলার গোয়ালাবাজারের দাশপাড়া গ্রামে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গ্রামের বিভিন্ন স্পটে বসে ভাসমাট ইয়াবার হাট। মাদকের ছড়াছড়ি বন্ধে সম্প্রতি গ্রামবাসীরা আন্দোলনে নামেন। গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে পুলিশের নিকট লিখিত অভিযোগ প্রদান করলে পুলিশ এলাকাবাসীদের নিয়ে বিট পুলিশিং সভা করেন ওই গ্রামে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের আলোতে এবং জনবহুল স্থানে এসব ঘটনা ঘটলেও অপরাধীদের গ্রেফতারে পুলিশের দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে এলাকাবাসী প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দ্রুত টহল জোরদার করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

ছিনতাইয়ের শিকার সীমা রাণী দেব বলেন, আমি খাশিকাপন বাজারে নেমে সকাল পৌনে ১০টার স্কুলে যাবার পথে খাশিকাপন গ্রামের ভেতর মাজারের পাশে ৩ ছিনতাইকারী আমাকে গলায় ধারালো অস্ত্র ধরে কানের স্বর্ণের ১জোড়া দুল ও হাতে স্বর্ণে আংটি নিয়ে পালিঢে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানার ওসি সহ ২ গড়ি পুলিশ স্কুলে এসেছিলেন। ব্রাহ্মণশাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়ের সহকারী শিক্ষিকা সাকেরা পারভীনের স্বামী আব্দুল মতিন জায়গীরদার বলেন, দিনে বেলায় প্রকাশ্যে আমাদের বাড়ির পাশে এসে ছিনতাইকারীরা আমার স্ত্রীকে ধারালো লম্বা বটি(দা)গলায় ধরে ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। এব্যাপারে প্রশাসনিক ভাবে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহন করা জরুরী। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওসমানীনগর(সার্কেল) মনছুরা আক্তার বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ছিনতাইকারীদের আইনের আওতায় আনতে।



সিলেটে এবার দক্ষিণ সুরমায়
শিশু ধর্ষণ, যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ জুন, ২০২৬

শিশু ধর্ষণ, যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিলেটে শিশু ফা‌হিমা ধর্ষণ ও হত‌্যার ঘটনার রেশ কাটার আগেই আবারও রেল স্টেশন এলাকার একটি পরিত্যক্ত বিল্ডিংয়ে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় রেল পুলিশ ওই শিশুকে উদ্ধার করে এবং পরবর্তীতে দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত যুবককে সকাল ৬টার দিকে কদমতলী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর রাত ৪টার দিকে রেল স্টেশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আটককৃত ব্যক্তির নাম লোদন (৩৫)। তিনি রেল স্টেশন এলাকার বসবাস করতেন এবং মাদকসেবী বলে জানায় পুলিশ।

স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, লোদন প্রায় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় রেল স্টেশনে পড়ে থাকে। মঙ্গলবার (২ জুন) কালকে রাত্রে আনুমানিক তিনটা থেকে সাড়ে তিনটার দিকে সে এই মেয়েটিকে ভুলভাল বুঝিয়ে তার সাথে নিয়ে যায়। এবং প্রথমে মেয়েটিকে নেশাগ্রস্ত করে তারপর ধর্ষণ করে। সে সময় স্থানীয়রা তাকে বাঁধা দিতে চাইলে তার হাতে অস্ত্র থাকায় তারা ভয়ে কিছু বলতে পারেনি। পরে স্থানীয়রা রেল পুলিশকে খবর দিলে রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং লোদনকে আটক করে। পরবর্তীতে রেল পুলিশ দক্ষিণ সুরমা থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং সকাল ৬টার দিকে থানা পুলিশ কদমতলী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান দিয়ে লোদনকে গ্রেফতার করে। 

দক্ষিণ সুরমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুজ্জামান সিলেটভিউকে বলেন, ‘উদ্ধারকৃত ওই ১২ বছরের শিশুটি ভবঘুরে। এবং এই ঘটনায় যারা অভিযুক্ত তারা মাদকসেবক। তারা সকলেই রেল স্টেশন এলাকায় রাতযাপন করেন। শিশুর অভিযোগের ভিত্তিতে রেল পুলিশের সহায়তায় আমরা একজনকে আটক করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বাকিদের আটক করতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


‘রেপ করতে গেলে অজ্ঞান হয়ে যায়, পরে গলাটিপে হত্যা করি’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ মে, ২০২৬

‘রেপ করতে গেলে অজ্ঞান হয়ে যায়, পরে গলাটিপে হত্যা করি’

সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তারকে ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হয়। ধর্ষণ চেষ্টাকালে শিশুটি অজ্ঞান হয়ে পড়লে পরে তাকে হত্যা করা হয়।

- চারবছরের এই শিশু হত্যার এমন রোহমর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া জাকির হোসেন। জাকির নিহত শিশু ফাহিমার প্রতিবেশি ও সর্কে চাচা। সোমবার রাতে তাকে সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে সিলেটের জালালাবাদ থানা পুলিশ।

জাকিরকে গ্রেপ্তারের পর তার শাস্তির দাবিতে মধ্যরাত পর্যন্ত থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করে স্থানীয়রা। পরে জাকিরের বাড়িঘর ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধরা।

এরপর জাকিরের স্বীকারোক্তিমূলক একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তাকে ফাহিমাকে হত্যার বর্ণনা দিতে শোনা যায়।

ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে জাকির বলেন, ‘সকাল ১০টা/সাড়ে ১০টার দিকে ফাহিমাকে দুটি সিগারেট আনাই। তখন আমার ঘর খালি ছিলো। আমি তখন নেশাগ্রস্ত ছিলাম। আমি ইয়াবা খাই। তখন আমার মধ্যে কেনে যে অতো অমানুষ জাগিয়া উঠল, মেয়েটার প্রতি আমার খারার দৃষ্টি চলে যায়।’

জাকির আরও বলেন, ‘পরে মেয়েটাকে আমি রেপ (ধর্ষণ) করতে চাইছলাম (চাই), কিন্তু তখন সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এতে আমি ভয় পেয়ে যাই। ভয় পেয়ে গলা টিপে মেরে ফেলি। পরে ঘরের সুটকেসের ভেতরে রাখি। দুদিন পর দেখি গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে পরিবারের মানুষ জেনে যাবে এই চিন্তায় রাতে লাশ নদীতে ফেলে দেই।’

এই ভিডিও কোথায় ধারণ করা হয়েছে তা ণিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতে জাকিরকে গ্রেপ্তারের পর থানরে ভেতরেই এই ভিডিও ধারণ করা হয়। এসময় জাকিরকে আরও কয়েকজন জিজ্ঞাসাবাদ করতে শোনা গেছে।

তবে এই ভিডওর উৎস সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন সিলেটের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি )মুজাহিদুল ইসলাম।

আর সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) মনজুরুল আলম জানিয়েছেন, শিশু ফাহিমাকে হতা মামলার প্রধান আসামি জাকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।

নিহত শিশু ফাহিমা সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে। রাইসুল হক স্থানীয় বাজারে একটি দোকানে দিনমজুরের কাজ করেন।

গত শুক্রবার বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে ফাহিমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার দুদিন আগে সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিলো।

সোমবার রাতে জাকিরকে গ্রেপ্তারের পর ফাহিমা হত্যার বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে যৌন নির্যাতন চালিয়ে ফাহিমাকে পরে হত্যা করে। এরপর স্ত্রীর ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে ফাহিমাকে ব্যাগে রাখেন জাকির। পরে সেই ওড়নাসহ বাদাঘাট এলাকার ডোবায় ফেলে দেন জাকির।